সিলেটের খবর ডেস্ক:দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের দিন ৫ জানুয়ারি ৫৯ জেলায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। তবে ভোটগ্রহণ হচ্ছে না এমন ৫টি জেলায় সাধারণ ছুটি কার্যকর হবে না।
নির্বাচন কমিশন জানায়, নির্বাচনে এবার ৫টি জেলার ভোটাররা সম্পূর্ণভাবে ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না। কারণ ওই জেলাগুলোর সবগুলো আসনের প্রার্থীরাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে গেছেন।
নির্বাচনের ভোটগ্রহণের দিন সারা দেশেই সাধারণ ছুটি পালিত হয়ে আসছে। কিন্তু রাজবাড়ী, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, চাঁদপুর ও জয়পুরহাট জেলাগুলোর প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে যাওয়ায় এখানে ৫ জানুয়ারির সাধারণ ছুটি কার্যকর হচ্ছে না।
এদিকে, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে ৪ জানুয়ারি রাত ১২টা থেকে ৫ জানুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত সারা দেশে বিভিন্ন স্থানে যান চালাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।তবে জয়পুরহাট, রাজবাড়ী, মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও চাঁদপুর জেলা এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে। কারণ এই পাঁচটি জেলার সব আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হওয়ায় কোনো ভোট হচ্ছে না।
সোমবার যোগাযোগ মন্ত্রণালয় থেকে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে আরো বলা হয়, ‘১৯৮৩ সালের মোটর ভেহিকেলস অধ্যাদেশ অনুযায়ী এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হলো।’
নিষেধাজ্ঞার আওতায় বেবিট্যাক্সি, অটোরিক্সা, ইজিবাইক, ট্যাক্সিক্যাব, মাইক্রোবাস, জিপ, পিকআপ, কার, বাস, ট্রাক এবং টেম্পো রয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া ৩ জানুয়ারি রাত ১২টা হতে ৭ জানুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত মোটর সাইকেল চলাচলের উপরেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
তবে, এ নিষেধাজ্ঞা রিটার্নিং অফিসারের অনুমতি সাপেক্ষে প্রতিদ্বদ্বী প্রার্থী/তাদের নির্বাচনী এজেন্ট, দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষকদের (পরিচয়পত্র থাকতে হবে) ক্ষেত্রে শিথিলযোগ্য।তাছাড়া নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত দেশি-বিদেশি সাংবাদিক (পরিচয়পত্র থাকতে হবে), নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, নির্বাচনের বৈধ পরিদর্শক এবং কতিপয় জরুরি কাজে যেমন: অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস, ডাক, টেলিযোগাযোগ ইত্যাদি কার্যক্রমে ব্যবহারের জন্য যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না বলে বলা হয়েছে।
এছাড়া, জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর ও জরুরি পণ্য সরবরাহসহ অন্যান্য জরুরি প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এরূপ নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে পারবেন।
এই নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারকে ক্ষমতা দেয়া হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।
