ঘড়ির কাঁটায় বিকাল ৬টা ১০ মিনিট। আসরের জামাত বেথনালগ্রীন বুরহান উদ্দিন মসজিদে ৩৫ মিনিট পর। ধীরে ধীরে সন্ধ্যা নামবে-সূর্য্যটা অস্ত যাবে-বিদায় নিবে ৫ই মে-র আজকের দিনটিও।নির্মম শাপলা চত্ত্বর ট্রাজেডির(৫মে-২০১৩) ১ম বর্ষপূর্তির এ দিনটি বাংলাদেশের সচেতন ইমানদারদের জন্য হৃদয়-বিদারক। কাকতালীয় ভাবে আমার যাযাবর জীবনের চলমান পর্বেরও আজ এক বছর পূর্ণ হল।
উত্তরার সিটিলিংক রেস্ট হাউজে জোহর-আসর একসাথে অদায় করে ইহরাম বেঁধে এয়ারপোর্টের উদ্দেশ্যে বেরিয়েছিলাম।রাজপথে নবী(স:)প্রেমিক মানুষের ঢল ঠেলে ট্রাভেল্সের মাইক্রোটি এগিয়ে যাচ্ছিল।আল্লামা আহমদ শফি(র:)-র ঢাকা ঘেরাওয়ের ডাকে সাড়া দিয়ে মিছিলে শরিক হওয়া মানুষগুলোর ক্ষুধা-তৃষ্ণা নিবারনে রাজধানীবাসীর দরাজদিল কুশিষ দেখে আরাফাতের ময়দানের দৃশ্য মনে হচ্ছিল।গাড়ির গ্লাস খুলে গন-মানুষের ভালবাসার নিদর্শন-পানির বোতল,তরমুজ আর বিস্কিট নিতে হয়েছে।আপাময় জনতারএই আবেগে-শাপলা চত্ত্বরে বুলেট বৃষ্টি দিয়ে-শত সহস্্র ধর্মপ্রাণ মানুষের জীবন-রক্ত নিয়ে আওয়ামীলীগ কি জনতার রাজনীতি থেকে তাদের চিরপ্রস্থান ঘোষনা করেনি? শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লার ফাঁসী,আল্লামা সাঈদী সহ জাতীয় নেতৃবৃন্দের হত্যার ষড়যন্ত্র,নির্বাচনের নামে জাতীয় প্রহসন আর ধারাবাহিক খুন-গুম-লুন্ঠন; তাদের এই অনিবার্য পরিণতি নিশ্চিত করছে মাত্র।মহান আল্লাহতায়ালার ইচ্ছায় হয়তো সময়ের ব্যাবধান আর কুরবানীর পরিসীমা বাড়তে পারে কিন্তু ইতিহাসের এই বর্বরতম স্বৈরশাষনের কালিমা থেকে আওয়ামীলীগের মুক্তি হতে পারে না।৩রা মে নিজাম ভাইর হোন্ডায় চড়ে বাইপাসে দন্ডায়মান এম্বোলেন্সে উঠলাম।মুজিব আগেই সি.এন.জি.থেকে আমার লাগেজ সহ ফয়সল কে তুলেছিলেন।ঘন্টাখানেক আগে প্রিয় জায়েদ চৌধুরী ও আব্দুর রব বাসায় এসেছিলেন।কিন্তু সিদ্বান্তের কারনে কিছুই বলতে পারিনি-এই কস্টটুকু আজও ভুলতে পারিনা।অনেক রিস্ক নিয়ে মহানগর নায়েবে আমীর হারুন ভাই সন্ধ্যার পরে বাসায় এসে বিদায় দিয়ে গেলেন।ফরিদ ভাইর বাসায় বসে মহানগর ভারপ্রাপ্ত আমীর ডা: সায়েফ ভাই আমার প্রবাস জীবনের জন্য অতীব মূল্যবান কতিপয় পরামর্শ দিলেন এবং দুজনের কাছ থেকে বাধাহীন অশ্রু-সিক্ত বিদায় নিলাম।তারও আগে সিলেট বিভাগের আন্চলিক দায়িত্বশীল অধ্যাপক ফজলুর রহমান,আন্চলিক টিম সদস্য আজিজুর রসীদ চৌধুরী,দক্ষিণ জেলা আমীর মাওলানা হাবিব ভাই এবং উত্তর জেলা আমীর হাফিজ আনওয়ার ভাইর বাসায় গিয়ে একইভাবে দোয়া নিয়ে আসি।মহানগর শিবির সভাপতি আনওয়ারুল ওয়াদুদ টিপুর সাথে আগেই আলাপ হয়েছে।রাস্তার বিভিন্ন পয়েন্টে চেক পোস্টে রুগীবাহী এম্বোলেন্সের বদৌলতে পার পেয়ে ভোর রাতে রেস্ট হাউজে উঠি।ইমিগ্রেশনের লম্বা লাইনের পিছনে দাঁড়ালাম।মনে হচ্ছিল এখান থেকেই লাল ঘরের ডাক আসতে পারে;তাইলে আর দেশত্যাগের প্রয়োজন হবে না।কিন্তু হঠাৎ করে ডেস্ক থেকে হাক আসল-‘হাজী সাবরা চলে আসেন’;একজন মুরুব্বী সহ আমি তড়িৎ ভিতরে গিয়ে সাউদিয়ার জন্য নির্ধারিত লাউন্জে বসে পরলাম।বিমান ছাড়ার পর নিশ্চিত হলাম যে, শহীদী এই মওসুমে বাংলাদেশের ময়দানে থেকে শাহাদাতের পেয়ালা পানের সৌভাগ্য আমার তাকদীরে হয়তো নেই।
এক সপ্তাহে পবিত্র ওমরাহ পালন ও জিয়ারত সম্পন্ন করে ১৩ মে সকালে লন্ডনে এসে পৌঁছি। লন্ডনে আসার পর জি.পি.তে যোগাযোগ করলে আমাকে ‘রয়েল লন্ডন হাসপাতালে’ রেফার করা হয়। সেই থেকে এখানকার ফিজিওথেরাপী বিভাগের অধীনে নিয়মিত চিকিৎসা নিচ্ছি।মোটামুটিভাবে জি.পি.,থেরাপি আর কদিন পর পর টেস্টের জন্য বিভিন্ন হাসপাতালে দৌঁড়ানো আমার নিয়মিত কর্মসূচী।
দেশে বিশাল অংকের দেনাগুলো পরিশোধ এখন আমার বড় দায়। এ ব্যর্থতার কারণে সংশ্লিস্টদের কাছে ক্ষমা চাওয়ার ভাষা নেই ।তবে মহান আল্লাহতায়ালার কাছে আমি শতভাগ পরিস্কার রয়েছি- আমার চেস্টার কোন ঘাটতি কস্মিনকালেও ছিল না।আর এদের জন্য মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে শতগুন ক্ষতিপুরণের আবদার সব সময়ই করি। অতি বড় গুনাহগার হওয়ার পরও; সম্পূর্ণ দায় মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত আমার পরকালের ডাক আসবে না- দয়াময় মনিবের কাছে এ টকু আশা আমি করি। বিভিন্ন জনের কাছে আমার পাওনা রয়েছে প্রায় ৪০,০০,০০০/=(চল্লিশ লক্ষ টাকা)। এখন এগুলো পাওয়ার আশা খুব বেশী করতে পারছি না ।গত ২১ মার্চ- বাদ জু‘মা ১৮ তারিখের স্বাক্ষরিত ইউকে হোম অফিসের একটি চিঠি আমার হাতে পৌঁচেছে।তারা আমার আবেদন গ্রহন করে আমাকে ৫ বছরের জন্য লিভ টু রিমেইন দিয়েছেন।তবে শর্ত হল-এ সময়ের মধ্যে বাংলাদেশে যাওয়া যাবে না।মিশ্র অনুভুতি তো বটেই-আল্লাহই একমাত্র ভরসা।
কর্মসংস্থানের মত এখানকার অপরিহার্য্য বিষয়টি নিয়েও ভাবতে হচ্ছে। অভিবাভক-শুভানুধ্যায়ী মহলের পরামর্শে আর মামার প্রস্তাবনা অনুযায়ী ট্রাভেল এজেন্ট তথা সকল প্রকার বিমান টিকেট,মানি ট্রান্সফার আর হজ্ব-ওমরা সার্ভিস নিয়ে আল্লাহতায়ালার উপর ভরসা করে কাজ শুরু করার চেস্টা করছি। একটি ইংলিশ লেংগুয়েজ কোর্সে ভর্তি হয়েছি। সপ্তাহে ২দিন- মংগল ও বৃহস্পতিবার বিকাল ৬টা থেকে ৯টা ক্লাস। ইভিনিং অথবা নাইটে একটি জব খুঁজছি।
দৈনিক কিছু সময় দেশের মজলুম ভাইদের জন্য ব্যায় না করলে মনের অশান্তি বেড়ে যায়। আপাতত কিছু লেখা লেখি আর ফেসবুকই ভরসা। অনলাইন মিডিয়া ,ফোন আর দেখা-সাক্ষাতে প্রাপ্ত তথ্যই রসদ।কোন দ্বীনি ভাইর সাথে কিছুক্ষণ কথা বলতে পারলে বুকের চাপ একটু হালকা মনে হয়। শুরু থেকেই বেথনালগ্রীনে পাওয়া রুমটি ভাড়া নিয়ে আছি আর মামা ও খালাতো ভাই সুমনের বদৌলতে মধুবন সুইটের বেইজমেন্টে এখন পুরো সময় কাটানো যায়।এখান থেকে `আব্বা ও জিনাত’ আর আমার ‘নাসিফ-সাকিফ-নাওমী’ সহ দেশে সকলের সাথে নিয়মিত ফ্রি যোগাযোগ করা যায়। ইতিমধ্যে লোকাল ইউনিটে সাপ্তাহিক বৈঠকে উপস্থিত থাকার চেস্টা শুরু করেছি।
জন্মভূমির মাটি-মানুষ,আলো-বাতাস,পরিবার-পর
–‘হ্যালো’;
‘আসসালামু আলাইকুম-হারুন ভাই’;
–‘ওয়া আলাইকুম ওয়াসসালাম ওয়ারাহমাতুল্লাহ,-তুমি কেমনে ফোন করতে পারলায়’?
‘খবরটা পেয়ে আর থাকতে পারলাম না’;
–‘আশা করেছিলাম অনেক আগে আমি শাহীনের অন্তত একটা ফোন পাব-এটা কি বেশী চাওয়া ছিল’?
‘মাফ করে দিবেন প্লিজ,–আমি আসলে সিদ্বান্ত নিয়েই কাউকে ফোন দেইনি’;
–‘আমরাও বুঝতে পেরেছি’;
‘নিজেকে কাপুরুষ মনে হয়,মানিয়ে নিতে কস্ট হচ্ছে’;
——————————
–‘কিন্তু তোমার বিষয়টাতো সম্পূর্ণ ভিন্ন। তুমি যেতে চাওনি,আমরা তোমাকে ঠেলে পাঠিয়েছি। আমাদের এ সিদ্বান্ত হয়তো তোমার পছন্দ হয়নি-অভিমানও করেছ মনে হয়,কি›তু তোমার জন্য অন্য কোন উত্তম বিকল্প আমরা পাইনি’।
-
‘পরিবারের দু:স্থ একজন সদস্যের জন্য অভিভাবকের করনীয়টুকু আপনারা করেছেন-আমার ভাল আপনারা খুঁজেছেন আন্তরিকভাবে,কিন্তু আমার আবেগ-আমি এমন হতভাগা,বিদায় দুরের কথা আমার হাজারও দ্বীনি-ভাই/বোনদের কাছ থেকে ন্যূনতম ক্ষমা চাইতেও পারলাম না!!!’
সিলেট মহানগর জামায়াতের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত আমীর হাফিজ আব্দুল হাই হারুন ভাইয়ের সাথে কয়েক সপ্তাহ আগে আমার টেলিফোন আলাপচারিতার কিয়দংশ এমন ছিল।
স্মৃতির কোঠায় ২০১৩ সালে মধ্য এপ্রিলের কোন এক সন্ধ্যা রাতে প্রিয়তম নগরীর জনৈক প্রবাসীর ডুপ্লেক্স ভবনের দুতলার লিভিং রুমের দৃশ্যটি প্রায়ই ভেসে ওঠে। আমি গিয়েছি হারুন ভাইর সাথে দেখা করতে।কিছুক্ষণের মধ্যে ভারপ্রাপ্ত আমীর ডা; সায়েফ ভাই এসে হাজির।মনে হল উনারা প্রস্তুতি নিয়েই আমাকে কিছু বলতে যাচ্ছেন।শেষ পর্যন্ত কঠিনতম সিদ্বান্তটি আমাকে জানিয়ে দেয়া হল,‘দ্রুততম সময়ের মধ্যে ইউকে এসে আবেদন করতে হবে এবং বিমান বন্দর ক্রস করার আগে কাউকে বলা যাবে না’।আমার দ‘ুচোখের বাঁধ ভাংগা পানির মধ্যে আমি স্পস্টত: উনাদের চোখেও পানি দেখলাম।হারুন ভাই বলছিলেন,‘সায়েফ ভাই, আমার একমাত্র ছেলে আমেরিকায় যাওয়ার সময় আমি এত কস্ট পাইনি-মহানগর সেক্রেটারী শাহীনকে বিদায় দিতে হচ্ছে-এ কঠিন সময়ে,ভাবতে পারছি না।’ দুজনে প্রাণভরে আমার জন্য দোয়া করে দিলেন।কদিন পরে ২৫/০৪/১৩ তারীখে স্বাক্ষরিত ভারপ্রাপ্ত আমীরে জামায়াত এর টি.সি. এবং ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারী জেনারেলের ইংরেজীতে টিস্টিমনিয়াল আমার হাতে এসে পৌঁছলে টিকেট কনফার্ম করা হয়।
মূলত আগের বছর রমজানে ধানমন্ডি‘পাইওনিয়ার থেরাপি সেন্টারে’ চিকিৎসাধীন থাকাকালীন ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারী জেনারেল ডা: শফিকুর রহমান ভাইয়ের সাথে সাক্ষাতের পর থেকে এ প্রক্রিয়াটির শুরু।এরই মধ্যে অধ্যাপক ফজলুর রহমান সাহেবের সাথে মহানগর আমীর এহসানুল মাহবুব জুবায়ের ভাই সহ আলোচনার পর অক্ঠোবরে(২০১২) লন্ডন সফরকালীন জুবায়ের ভাই এখানকার দায়িত্বশীলদের বিষয়টি অবহিত করে গেছেন।
ক‘মাস আগে ভারপ্রাপ্ত আমীর ডা: সায়েফ ভাই শাহজালাল উপশহরের আমার বাসায় এসে কথা বলছিলেন,‘আমরা তোমাকে কি সাহায্য করতে পারি?’অনেক দিন পর নিজের হাতে গড়া এ কর্মীটির চেহারা দেখে মনে হল খুব খশী হয়েছেন।আর পারলে সুদুর বাংলাদেশ থেকে নিজের বুক চিরে কলিজাটাও দিয়ে দিবেন।এখানে এসেও আমার জন্য উনার পেরেশানী দেখে আবেগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।
গত কয়েকদিন আগে ঢাকা থেকে কথা বলছিলেন আমাদের অভিবাভক-বর্তমান কান্ডারী,‘তোমার বিষয়টা অন্য সকলের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা,শাহীন-তোমার জন্য সকলে দোয়া করেন।কিছু বিষয় আমার নলেজে এসেছে।–তুমি ময়দান থেকে উঠে এসেছো।আমার বিশ্বাস তুমি ধৈর্য্যরে সাথে পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে পারবে।’ দায়িত্বশীলের এমন কথার পর কি আর কোন দু:খ-কস্ট থাকতে পারে?
কদিন পরও তিনি দীর্ঘ সময় আলাপ করলেন। মনে হল, ২৮টি বছর চোখের সামনে বেড়ে ওঠা একটি ছোট ভাইয়ের প্রতি দায়িত্ব পালনে- শত ব্যাস্ততার মধ্যেও কোন ঘাটতি রাখতে মেটেই রাজি নন।আমার বিয়ের দিনে ডি.সি., এস.পি. ও মেয়র সহ গণ্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতি দেখে ভাবছিলাম কেমনে এটা সম্ভব হ‘ল;কিন্তু অভ্যর্থনা ও বিদায় সহ সকলের তদারকি দেখে বুঝতে আর বাকি ছিলনা-এটি তৎকালিন মহানগরী আমীর ডা: শফিক ভাইর কাজ। এ থেকে কি আমাদের কিছইু শিক্ষনীয় নেই?
কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক নিয়মিত ফোন করে -ডেকে নিয়ে উৎসাহ দিয়ে সাহস যুগিয়ে যাচ্ছেন।বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সিলেট মহানগর সভাপতি ছোট ভাই ‘টিপু’ প্রায়ই কথা বলে তৃষ্ণার্থ এ মনে ঠান্ডা পানির পরশ দিতে ভুলছে না। প্রতিনিয়ত অসংখ্য দ্বীনী ভাইদের দোয়া আমি অনুভব করছি।
এ জীবনে আন্দোলনের অবদান শোধ হবার নয়। কঠিনতম সময়ে কোন কাজেও লাগলাম না।তাই অবচেতন মনে বলতে হয়-
‘পানির মাছ পানি ছাড়া বাঁচতে পারে কি?
ময়দানের কর্মী ময়দান ছেড়ে;জীবন্ত লাশ নয়তো কি?
আজীবন যা কামনা; মওসুমে তা হাতছাড়া হলে-
উত্তাল হৃদয়ের সান্তনা কি?
অকাতরে প্রিয়জনের জীবন বিলানো;নিরাপদ দুরে থেকে চেয়ে চেয়ে দেখা-
কাপুরুষতা আর কি?
অন্তরের খবর রাখেন অন্তর্যামী;ভরসা এটুকুই-
আশাবাদী নয় কি?
যা আছে তা নিয়ে;সাথে থাকার সাধনা-
এই,এটুকু নয়তো কি?
আমার শত সীমাবদ্বতা সত্বেও বাংলাদেশের জমীনে আল্লাহর দ্বীন কায়েমের আন্দোলনে নিবেদিত প্রিয় ভাই-বোনদের সাথে শরিক থাকার একটু সুযোগ কি মহান মনিব-রহমানুর রহিম আমাকে দিবেন না?
ইনশাল্লাহ ! ইনশাল্লাহ-আমি বাংলাদেশের জন্য এবং শুধুমাত্র ইসলামী আন্দোলনেরই জন্য।‘হাসবুন আল্লাহ- নিয়মাল ওয়াকিল;নিয়মাল মাওলা -ওয়া নিয়মান নাসির’-আল কোরআন।।।০৫/০৫/
২০১৪; লন্ডন;sirajulislamshaheen@yahoo.com
