রেজোয়ান সিদ্দিকী:
১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধে কেউ বা লড়াই করে প্রাণ দিয়েছেন, কারো কারো মৃত্যু হয়েছে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর গণহত্যাযজ্ঞে। এখানে নারী, পুরুষ, শিশু, বৃদ্ধ কোনো ভেদ ছিল না। মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যায় কত মানুষের প্রাণ গেছে, কত মানুষ শাহাদতবরণ করেছেন, কত নারীর ইজ্জত গেছে; তা নিয়ে মতভেদ থাকলেও নিঃসংশয়ে বলা চলে সে ছিল এক ভয়াবহ ও বর্বরতম যুদ্ধ।
এ দেশের মানুষ তো যুদ্ধ চায়নি। তারা তো ভোট দিয়ে শান্তিপূর্ণ উপায়ে পাকিস্তানের ক্ষমতার পরিবর্তন চেয়েছিল। নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ২৫ মার্চ রাতে এ দেশের নিরীহ নিরস্ত্র জনগণের ওপর বর্বরোচিত হামলার আগে কেউ তো ভাবেনি যে ওই হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে তাদের সশস্ত্র যুদ্ধে নামতে হবে। কার্যত পাকিস্তানি সামরিক শাসকেরা এবং সেখানকার সঙ্কীর্ণ বুদ্ধির রাজনীতিকেরা এই যুদ্ধ শুরু করেছিল। তারা ভেবেছিল, অস্ত্রের জোরে এই ভূখণ্ডের সাত কোটি মানুষকে পদানত করা যাবে। কিন্তু এ দেশের মানুষের হাজার বছরের ইতিহাস লড়াই-সংগ্রামের ইতিহাস। অন্যায়ের বিরুদ্ধে অধিকার আদায়ের জন্য, জীবন-জীবিকার লড়াইয়ে টিকে থাকার জন্য এ দেশের মানুষ সব সময়ই প্রতিবাদী। এখন এক লাখ লোকের সমরশক্তি দিয়ে যে এত বড় লড়াকু জাতিকে পদানত করা যায় না, সেটি ১৯৭১ সালের ৯ মাসে পাকিস্তানি সামরিক জান্তা ও তাদের দোসরেরা উপলব্ধি করেছিল।
কিন্তু সে জন্য তাদের মূল্য কম দিতে হয়নি। পূর্ব পাকিস্তান সাথে থাকায় তাদের যে শক্তির দম্ভ ছিল, সেই দম্ভ ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে বিলুপ্ত হয়ে যায়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা পাকিস্তানকে দু’টি বিষয় শিক্ষা দিয়েছে। একটি হলোÑ সামরিক শক্তি দিয়ে জন-আকাক্সক্ষাকে পর্যুদস্ত করা যায় না। অপরটি হলোÑ বলপ্রয়োগের নীতি সব সময় বুমেরাং হয়ে যায়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্র্জন থেকে তারা অন্তত এটুকু শিক্ষা গ্রহণ করেছে যে, বেলুচিস্তানেও যদি তারা বলপ্রয়োগের নীতি গ্রহণ করে তবে বাংলাদেশের মতো বেলুচিস্তানও এক সময় স্বাধীন হয়ে যাবে।
যুদ্ধ সব সময়ই সমাজের ভেতরে বিভিন্ন অভিঘাতের সৃষ্টি করে। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধও তার ব্যতিক্রম নয়। এখন ক্রমেই সে যুদ্ধের অন্তঃস্থ নানান দিক প্রকাশিত হচ্ছে। ইতিহাসের সত্য উদঘাটিত হতেই থাকবে। ১৯৭১ সালে মুজিব বাহিনী তথা বিএলএফের (বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্স) নানা অপকর্মের কথা আমরা শুনেছি। এ দেশের সাধারণ মানুষের সেসব অপকর্ম সম্পর্কে সীমিত ধারণা ছিল। মুজিববাহিনী গঠনের ক্ষেত্রে ভারত সরকারের যে উদ্দেশ্য ছিল তাও সম্প্রতি প্রকাশিত বিভিন্ন গ্রন্থ থেকে আমরা জানতে পারছি। তারা তাজউদ্দীন সরকারকে মানতেন না। তারা মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করতেন। এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে মুক্তিবাহিনীর সাথে যুদ্ধে পর্যন্ত লিপ্ত হয়েছেন। তারা দাবি করতেন, তারাই শেখ মুজিবুর রহমানের স্বীকৃত প্রতিনিধি।
কার্যত মুজিববাহিনী গঠন করা হয়েছিল ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ও তাদের আঞ্চলিক গোয়েন্দা সংস্থা র-এর (রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং) উদ্যোগে। মুজিববাহিনীর তৎপরতার বিরুদ্ধে তাজউদ্দীন আহমদ ইন্দিরা গান্ধীর কাছে অভিযোগ করেও কোনো ফল পাননি। যুদ্ধ করা মুজিব বাহিনী বা বিএলএফের লক্ষ্য ছিল না। লক্ষ্য ছিল যুদ্ধপরবর্তী বাংলাদেশের শাসনক্ষমতা দখল করা এবং বাংলাদেশে যাতে কিছুতেই বামপন্থীদের প্রভাব বিস্তৃত না হয়, সেটা নিশ্চিত করা।
এটা শুধু মুজিব বাহিনীর ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য নয়, সম্প্রতি প্রকাশিত মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন ব্যক্তি ও সেনা কর্মকর্তার গ্রন্থ থেকে আমরা জানতে পেরেছি যে, মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়ার জন্য যেসব বামপন্থ’ী, যথাÑ ভাসানী ন্যাপ, সিপিবি, ছাত্র ইউনিয়নসহ (মতিয়া-মেনন উভয় গ্রুপ) আরো যত বামপন্থী সেখানে গিয়েছিলেন, তাদের মুক্তিযুদ্ধে নিতেই দেয়া হয়নি। আওয়ামী এমএনএ’রা রিক্রুটমেন্টের দায়িত্বে ছিলেন। তারাও অত্যন্ত সতর্কতার সাথে নিশ্চিত করতেন যে, আওয়ামী লীগ করে নাÑ এমন কেউ যেন মুক্তিযোদ্ধা দলে যোগদান করতে না পারে। এ অবস্থা অক্টোবর-নভেম্বর পর্যন্ত ছিল। কিন্তু ভারতের সাথে সোভিয়েত ইউনিয়নের মৈত্রী চুক্তির পর অবস্থার সামান্য গুণগত পরিবর্তন হয়। ২৫ মার্চের পর থেকে এই দীর্ঘ সময় দেশের জন্য যুদ্ধ করতে ইচ্ছুক এ রকম হাজার হাজার তরুণ-যুবাকে উদ্বাস্তুশিবিরে মানবেতর জীবন যাপন করতে হয়েছে। এসেছিল দেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করতে, কিন্তু তাদের সে সুযোগই দেয়া হয়নি।
ইদানীং প্রকাশিত তাজউদ্দীন আহমদের কন্যা শারমিন আহমদের বই ‘নেতা ও পিতা’, এর আগে প্রকাশিত মাঈদুল হাসানের মূলধারা ৭১ ‘মুক্তিযুদ্ধের পূর্বাপর : কথোপকথন’ ছাড়াও, এবং মুক্তিযুদ্ধের সেকেন্ড ইন কমান্ড এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে খন্দকারের বই থেকে আমরা এর বিস্তারিত জানতে পেরেছি। আমাদের ভাগ্যের আওয়ামীকরণের কী নির্মম আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত! দেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করতে চাই, অথচ যুদ্ধ করার অধিকার আওয়ামীদের হাতে বন্দী। এও তো আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাসের অংশ। আর সে কারণেই দেশের ভেতরে বহুসংখ্যক অঞ্চলভিত্তিক ছোট ছোট মুক্তিযোদ্ধা দল গঠিত হয়েছিল। কে কোথায় সরকার, কে কোথায় ষড়যন্ত্রকারী বিএলএফ, সেদিকে এরা কেউ ফিরেও তাকায়নি। নিজেরা নিজেরা সংগঠিত হয়ে ব্যক্তিগত বন্দুক, রাজাকারের রাইফেল, ছিনিয়ে নেয়া অস্ত্র দিয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে প্রতিরোধ করার চেষ্টা করেছে। কোনো-না-কোনো দিন ইতিহাসের এ সত্যও উদঘাটিত হবে।
সব কিছু একসাথে সামনে আসে। আমরা যারা দেশের ভেতরে থেকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি কিংবা এই যুদ্ধে সহায়তা করেছি, তারা দিল্লি-কলকাতাকেন্দ্রিক ষড়যন্ত্রের অত খবর রাখিনি। আমরা মনে করেছি, যদি সবাই মিলে দুই-চার-পাঁচটা পাকিস্তানি সৈন্যকে হত্যা করতে পারি তাহলে ওদের দুই-চার-পাঁচ শ’ সৈনিককে ভয় দেখিয়ে দেয়া যাবে। তারা সামনে বাড়তে, কোনো গ্রামে গিয়ে কাউকে হত্যা করতে দশবার চিন্তা করবে। দেশের ভেতরে এ রকম পরিস্থিতি যারা সৃষ্টি করেছিলেন, তারা এখন অজ্ঞাতপরিচয়। বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তমের অবদান ছিল এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। শেখ ফজলুল হক মনি, সিরাজুল আলম খান, আবদুর রাজ্জাক, তোফায়েল আহমেদÑ এরাই ছিলেন বিএলএফের নেতা। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি ঢাকায় ফিরে শেখ মুজিবুর রহমান এদেরকেই কোলে তুলে নিয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানী ও পরিচালক তাজউদ্দীন আহমদকে ডাস্টবিনে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিলেন।
এত কথা বলার অর্থ এই যে, এ দেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে নানান দ্বন্দ্ব-সঙ্ঘাত ছিল। এত দিন ধরে নিয়েছিলাম এতে স্বাধীনতাযুদ্ধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। অথচ বিভিন্ন প্রামাণ্য গ্রন্থ থেকে দেখলাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তারপরও আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। বিএলএফ শত্রুতা করেছে। আঞ্চলিকভাবে কাদেরিয়া বাহিনী ও বিভিন্ন ছোট ছোট বাহিনী অনেক আত্মত্যাগের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে এবং আমরা সব কিছু মিলিয়েই স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র স্থাপন করেছি।
২৫ মার্চ যেদিন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র নিরীহ জনগণের ওপর গণহত্যাযজ্ঞ চালানোর প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছিল। তখন শেখ মুজিবুর রহমান তাজউদ্দীন আহমদকে বলেছিলেনÑ ‘যা, নাকে তেল দিয়ে ঘুমা, ২৭ তারিখে হরতাল ডেকেছি।’
প্রতিটি মৃত্যুই ট্র্যাজেডি। এ দেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে ত্রিশ লাখ কিংবা পঁয়ষট্টি হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছেÑ এসব বিষয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। যার যা খুশি বলুক। সিরাজুর রহমান বা শর্মিলা বসুর ডেড রিকনিং পড়ে আমাদের যার যাই ধারণা হোক না কেন, এ কথা তো সত্য যে, আওয়ামী লীগ বা বিএনপি কেউই মুক্তিযুদ্ধে নিহতদের কোনো পরিসংখ্যান তৈরি করার চেষ্টা করেনি। সরকার বা বিরোধী দল বা যেকোনো এনজিও একটা বড়সড় ফান্ড নিয়ে উদ্যোগ নিলে আগামী তিন মাসের মধ্যে তার একটা সঠিক চিত্র উদঘাটন করতে পারবে। কিন্তু সে উদ্যোগ আওয়ামী লীগও নেয়নি; বিএনপিও নেয়নি। কথার তুবড়ি ছোটাচ্ছে।
এই সংখ্যা আমার কাছে ইস্যু নয়। আমার কাছে ইস্যু ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর। এক রাতে গণহারে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা। ১৪ ডিসেম্বর কেন? পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ডিসেম্বরের শুরু থেকেই টের পেয়ে গিয়েছিল যে তাদের পতন ও পরাজয় অবশ্যম্ভাবী। পশ্চিম পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে তাদের পূর্ব পাকিস্তান অবশ্যই বাংলাদেশ হিসেবে স্বাধীন হবে। এবং তাদেরকে পরাজয়ের দলিল স্বাক্ষর করতে হবে। তাহলে কী করা যায়? স্বাধীন হলেও যাতে বাংলাদেশ বুুদ্ধিবৃত্তিকভাবে নিজস্ব ভিত্তির ওপর দাঁড়াতে না পারে সে জন্য এরা এক নিষ্ঠুর ও ভয়াবহ পরিকল্পনা আঁটে। সে পরিকল্পনা হলো, ভবিষ্যতে পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে বাংলাদেশ তো স্বাধীন হবেই আর স্বাধীন হলে যাতে এ দেশ সহজে দাঁড়াতে না পারে, ভারতের ওপর নির্ভরশীল হয়ে ধুঁকে ধুঁকে মরে সেটা নিশ্চিত করা। আর তাই একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে ১৪ ডিসেম্বর (১৯৭১) ঢাকা শহরে অবস্থানকারী সব বুদ্ধিজীবীকে এরা হত্যার পরিকল্পনা করে। এদের লক্ষ্য ছিল দেশ যেমন নেতৃত্ব সঙ্কটে পড়বে, তেমনি পড়বে বুদ্ধিবৃত্তিক সঙ্কটে। এই সঙ্কট যদি বাংলাদেশের জন্য সৃষ্টি করা যায়, তাহলে এদেশ টিকবে না। এটি তাদের ভুল ধারণা ছিল।
কিন্তু যখন এ দেশের বুদ্ধিজীবীদের, যারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ ছিলেন, কিন্তু সশস্ত্র যোদ্ধা ছিলেন নাÑ তাদের সবাইকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে হত্যা করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। তাদের ধারণা ছিল নব-উত্থিত রাষ্ট্র বাংলাদেশকে তারা অঙ্কুরেই বিনাশ করে দেবে; যাতে বাংলাদেশ ভারতের দাসানুদাস হয়ে যায়। এই নীতিকে ‘স্টুপিড’ বলা যায়।
যেকোনো ফ্যাসিবাদী শক্তিই দেশের বুদ্ধিজীবীদের ভয় করে। প্রথমেই তাদের মেরুদণ্ড ভেঙে দিতে চায়। হত্যা বা নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে তাদের অধিকার খর্ব করতে চায়। ১৪ ডিসেম্বর দূর মফস্বলে বসে যখন বুদ্ধিজীবী হত্যার খবর শুনলাম তখন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কেবলই ফেরার চেষ্টা করছে। আর আমরা তাদের প্রতিরোধ করার চেষ্টা করছি। কারা বুদ্ধিজীবী হত্যার পরিকল্পনা করেছিল, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
বুদ্ধিজীবীদের অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী হত্যা করে। তাদের লক্ষ্য ছিল যাতে এ দেশ দীর্ঘকাল বুদ্ধিজীবীদের মেধা ও প্রতিভা দিয়ে দাঁড়াতে না পারে। বর্তমানেও পরিস্থিতির উনিশ-বিশ নেই। যারা বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা করেন। সংবাদপত্রে কলাম লেখেন। টকশোতে অংশ নেন। তারা সবাই বর্তমানে এই সরকারের শত্রু। প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে বরখাস্তকৃত মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী হয়ে সিলেটের এক অশিক্ষিত মন্ত্রী মহসিন আলীসহ সবাই মিলে বুদ্ধিজীবীদের বিরুদ্ধে যে ভাষায় কথা বলছেন, সেটি এ দেশের বুদ্ধিজীবীদের জীবন্মৃত করে দেয়ার অপচেষ্টার শামিল।
প্রধানমন্ত্রী নিজে বলেছেন, টকশো বড় ‘টক’। তিনি আরো বলেছেন, যারা রেন্টাল ও কুইক রেন্টালের বিরুদ্ধে বলে (যেখানে হাজার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ আছে) তাদের বাসায় বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেয়া হবে। এর পরে আর হাসিকান্নার সুযোগ থাকে না। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে বুদ্ধিজীবীরা আরো একবার ভয়াবহ সঙ্কটের সম্মুখীন। নিগ্রহ নৈমিত্তিক। তাদের ওপর নিষ্ঠুরতা অনিবার্য
