দশম জাতীয় সংসদের একতরফা নির্বাচনে ২ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিনে একক প্রার্থী ছিলেন ৮ জন। ৫ ও ৬ ডিসেম্বর যাচাই-বাচাই শেষে একক প্রার্থী হিসেবে বৈধতা পান ৩৩ প্রার্থী। ১৩ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন বিকাল ৫টা পর্যন্ত ‘অপ্রতিদ্বন্দ্বী’র সংখ্যা দাঁড়ায় ৭৮ জনে। এরপর আইনত একক প্রার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধির সুযোগ না থাকলেও সরকারের অনুগত নির্বাচন কমিশন ও দলবাজ রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কল্যাণে গতকাল তা সরকার গঠনের প্রয়োজনীয়সংখ্যক ১৫১তে উন্নীত হয়। ক্ষণে ক্ষণে ম্যাজিকের মতো বেড়েছে ফাঁকা মাঠে গোলদাতার সংখ্যা! লাজ-শরমের মাথা খেয়ে সরকারের সেবাদাস নির্বাচন কমিশন গত রাত পর্যন্ত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ীর সংখ্যা বাড়াতে থাকে। অতীতে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে—এমন প্রার্থীও ‘রকীব মার্কা’ নির্বাচনে এমপি হয়ে গেছেন। নির্বাচন ছাড়াই ১৫১ জনকে এমপি হিসেবে ঘোষণার উদ্যোগকে গণতন্ত্রের অন্তিম যাত্রা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। সরকার এভাবে আরও অগ্রসর হলে গণতন্ত্রের কাফন-দাফন সম্পন্ন হবে এবং দেশ এক ভয়াবহ সংঘাত ও রক্তপাতের মুখে পড়বে বলেও মনে করে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহল।
প্রধান বিরোধী দল বিএনপি গণতন্ত্র হত্যার নির্বাচনী নাটক বন্ধের জন্য আবারও আহ্বান জানিয়েছে। জাপা চেয়ারম্যান এরশাদ গতকাল আবারও জানান দিয়েছেন যে, জোর করে তাকে এমপি বানানো হলেও এই নির্বাচনের সঙ্গে তিনি নেই। জাসদ সভাপতি আ.স.ম. আবদুর রব বলেছেন, যে নির্বাচনে অর্ধেক আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী নেই, সেটি নির্বাচনই হতে পারেনা।
এতে করে এক দল, এক মার্কার নজিরবিহীন তামাশার নির্বাচনে ভোট হবে না দেশের অর্ধেক এলাকায়। ৫০ শতাংশের বেশি ভোটার মাইনাস হয়ে গেছেন নির্বাচনের ২০ দিন আগেই। তাদের ভোট দিতে হবে না। তারা জানেনও না কে তাদের নতুন এমপি। এর মধ্য দিয়ে নির্বাচন প্রত্যাখ্যানের নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। পাতানো খেলায় অংশগ্রহণের মতো খেলোয়াড়ও মেলেনি দেশের বেশিরভাগ নির্বাচনী আসনে। প্রধান প্রধান দল তো দূরের কথা, ভূঁইফোঁড় দল, এমনকি স্বতন্ত্র প্রার্থীও পাওয়া যায়নি প্রহসনের নির্বাচন জায়েজ করার জন্য। ফলে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এলাকায় ও ভোটারের কাছে না গিয়েই সংসদ সদস্য হওয়ার দাবি করছেন ১৫১ জন। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে আটক করে, তার স্ত্রী রওশন এরশাদকে চাপ, প্রলোভন আর জিম্মি করে জোরপূর্বক জাপার অর্ধশতাধিক প্রার্থীকে প্রত্যাহার করতে না দিলে আরও বহু আসনে আ.লীগ প্রার্থীকে জয়ী ঘোষণা করা যেত। নবম সংসদ বহাল থাকায় নবনির্বাচিতদের অনেকেই এখন ডবল এমপি। এমন লজ্জাজনক অবস্থা বাংলাদেশের ইতিহাসে তো নয়ই, বিশ্বের কোনো জাতীয় নির্বাচনে হয়েছেবলেও কেউ বলতে পারছেন না।
নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সব দলের অংশগ্রহণে সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতার পালাবদলের পথ রুদ্ধ হয়েছে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে। ক্ষমতায় আরেক মেয়াদ টিকে থাকতে আওয়ামী লীগ যে প্রহসনের নির্বাচনী খেলায় মেতেছে, তা প্রতিরোধে সারা দেশ যখন উত্তাল, তখন ভীতসন্ত্রস্ত আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা নির্বাচনী এলাকায় যাওয়ার ঝুঁকি নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। ফলে সরকারের তল্পিবাহক রকীব কমিশন নির্বাচনী বিধিবিধানকে পদদলিত করে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন অতিক্রান্তের পরও যথেচ্ছভাবে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করিয়ে আবার প্রত্যাহৃত মনোনয়নপত্র গ্রহণের ঘোষণা দিয়ে সরকার গঠন করার মতো সংখ্যাগরিষ্ঠ ১৫১ আসনে একক প্রার্থী হিসেবে জয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। এর ফলে আগামী ৫ জানুয়ারির নির্বাচন না হলেও একটি নতুন সংসদ প্রতিষ্ঠা এবং সরকার গঠনের নীল নকশা বাস্তবায়ন করা যাবে।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর মাত্র ২০ দিন বাকি। এরশাদের জাতীয় পার্টি নির্বাচন না করার ঘোষণার পরও মহাজোটের শরিকদের মধ্যে আসন ভাগাভাগি করেছে আ.লীগ। জাতীয় পার্টি নির্বাচনে নেই; তবুও তাদের জন্য ৪৮ আসন বরাদ্দ করা হয়েছে।
শুক্রবার ছিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। এরশাদের জাপা, জাসদ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্য থেকে অনেকেই মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। ফলে ৬৪টি জেলার ৩০০টি আসনেরমধ্যে প্রত্যাহারের শেষ সময় শুক্রবার বিকাল ৫টায় ৭৮টি আসনে একক প্রার্থী হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়। তারপরই শুরু হয় নতুন খেলা। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক মন্ত্রিদের প্রায় সবাই বিরোধী দলের বর্জন এবং ক্ষেত্রবিশেষে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ম্যানেজ করে মাঠ ফাঁকা করে নিরাপদ অবস্থানে চলে যাওয়ায় অন্য প্রার্থীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তারা দেশব্যাপী ব্যাপক সহিংস পরিবেশে প্রাণভয়ে ভোটে লড়তে অস্বীকৃতি জানিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীদের সরাতে দৌড়-ঝাঁপ শুরু করেন। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পরও গত রাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত একক প্রার্থীর সংখ্যা ম্যাজিকের মতো বাড়তে থাকে। জানা গেছে, সরকারের অনুগত রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সহায়তায় কারও মনোনয়নপত্র বাতিল, কাউকে প্রত্যাহার করিয়ে একক প্রার্থীর সংখ্যা দেড়শ’ অতিক্রম করানো হয়েছে। এর গোটা প্রক্রিয়াটিই ছিল বেআইনি, অনৈতিক ও নজিরবিহীন। বিরোধী কোনো প্রার্থী না থাকায় এর প্রতিবাদ করার মতো কেউ ছিলেন না।
সব শেষে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী বিজয়ের পথে থাকা ১৫১ একক প্রার্থীর মধ্যে আওয়ামী লীগের ১২৭ জন, জাতীয় পার্টির ১৮ জন, জাসদের ৩ জন, ওয়ার্কার্স পার্টির ২ জন এবং জাতীয় পার্টি (মঞ্জু) ১ জন। অর্থাত্ অর্ধেকের বেশি আসনে ভোট দিতে হচ্ছে না ভোটারদের। এমনকি অনেক জেলাতেই ভোট হবে না। আওয়ামী লীগ নিজেরা ২৪২টি আসন রেখেছে এবং বাকি ৫৮টি আসন জাপা, জাসদ, ওয়ার্কার্স পার্টি, তরিকত ফেডারেশনের মধ্যে ভাগ করে দেয়া হয়েছে। জাপার চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, তার ছোট ভাই পদত্যাগী বাণিজ্যমন্ত্রী জিএম কাদের, মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদারসহ নেতারা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে রিটার্নিং অফিসারকে চিঠি দিলেও তা গ্রহণ করা হয়নি। আবার রওশন এরশাদ, আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, জিয়াউদ্দিন বাবলু, মজিবুল হক চুন্নুসহ কয়েকজনকে সরকার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে দেয়নি। আর আওয়ামী লীগ তার জোটের শরিক দল জাসদ, ওয়ার্কার্স পার্টিও তরিকত ফেডারেশনকে নৌকা প্রতীক দেয়ায় মূলত এক মার্কার মধ্যেই নির্বাচন সীমিত হয়ে পড়েছে।
এদিকে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন মহলে সমালোচিত হলেও ইসি প্রধান বিরোধী দলসহ নিবন্ধিত বেশিরভাগ দলকে বাদ দিয়েই একক দলীয় নির্বাচনের পথে অগ্রসর হচ্ছে। আর সিইসি শুক্রবার বলেছেন, সময় শেষ হয়ে যাওয়ায় বিরোধী দলের নির্বাচনে আসাটা কঠিন হয়ে যাচ্ছে।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ৫ জানুয়ারি নির্বাচন। সে অনুযায়ী শুক্রবার ছিল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। মোট ৩০০টি আসনের মধ্যে যাচাই-বাছাইয়ের পর মোট বৈধ প্রার্থী ছিল ৮৪৭ জন। বাতিল হয় ২৫৩ জনের। প্রত্যাহার করে নেন সাতজন। আর আপিল শুনানির পর নতুন করে যুক্ত হন ৩৭ জন।
৩০০টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ নিজেরা ২৪২টি আসন নিয়েছে। বাকি আসনগুলোর মধ্যে জাপা (এরশাদ) নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা বললেও তাদের জন্য ৪৬টি, জাসদ চারটি, ওয়ার্কার্স পার্টি চারটি, তরিকত ফেডারেশন দুটি, জেপির জন্য একটি আসন বরাদ্দ রাখে। তবে ঢাকা-১৭ আসনে এরশাদ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেয়ায় সেখানে কোনো প্রার্থী নেই।নৌকায় তিন দল
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৫২ আসনে নৌকা প্রতীক বরাদ্দ দিতে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে একটি চিঠি দেয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনে। সে অনুযায়ী নৌকা প্রতীক পেয়েছে আওয়ামী লীগ, ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ ও তরিকত ফেডারেশন।
জাসদের চারজন, তরিকত ফেডারেশনের দু’জন এবং ওয়ার্কার্স পার্টির চারজনসহ মোট ১০ প্রার্থীকে নৌকা প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়। এছাড়া আওয়ামী লীগদলীয় ২৪২ প্রার্থীকে নৌকা প্রতীক দেয়া হয়েছে। আ.লীগ ছাড়া যাদের নৌকা প্রতীক দেয়া হয়েছে তারা হলেন— জাসদের : কুষ্টিয়া-২ হাসানুল হক ইনু, নরসিংদী-২ জায়েদুল কবির, ফেনী-১ শিরিন আক্তার ও চট্টগ্রাম-৮ মঈন উদ্দিন খান বাদল। ওয়ার্কার্স পার্টির : রাজশাহী-২ ফজলে হোসেন বাদশা, নড়াইল-২ সাইফুল্লাহ ও ঢাকা-৮ রাশেদ খান মেনন। আর তরিকত ফেডারেশনের : লক্ষ্মীপুর-১ লায়ন এম এ আউয়াল, চট্টগ্রাম-২ নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের মুখে তত্কালীন বিএনপি সরকার ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারিতে বিরোধী দল আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে একতরফা যে নির্বাচন করেছিল তাতে ৪৯ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়। বিএনপির ওই নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল ৪১টি রাজনৈতিক দল। তখন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন ১ হাজার ৪৫০ প্রার্থী এবং মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন ১ হাজার ৯৮৭ প্রার্থী। শেখ মুজিবুর রহমানের সময়ে (১৯৭৩) নির্বাচনে ১১ জন, জিয়াউর রহমানের সময়ে (১৯৭৯ সালে) ১১ জন, এরশাদের সময়ে (১৯৮৮ সালে) ১৮ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন। আর ২০০৭ সালের বাতিল হয়ে যাওয়া নির্বাচনে ১৮ আসনে একক প্রার্থী ছিলেন। এবার তা ১৫০ ছাড়ালোগণপ্রত্যাখ্যাত এবারের নির্বাচনে অংশ নেয়া দলের সংখ্যা ১০টি। যদিও প্রথমে জাতীয় পার্টি নির্বাচনে যাওয়ার ঘোষণা দেয়। কিন্তু পরে নির্বাচনের পরিবেশ নেই এবং সব দল নির্বাচনে অংশ না নেয়ায় সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ। এবারের নির্বাচনে এক হাজার ১০৬ প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিলে যাচাই-বাছাইয়ে ২৬০ প্রার্থী বাতিল হয়। আপিল শুনানি শেষে ৩৫ প্রার্থী মনোনয়নপত্রের বৈধতা ফিরে পান। এ প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার পেছনেও নানা কারসাজির খবর পাওয়া গেছে। সব মিলিয়ে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়ায় ৮৮০ জন। জাতীয় পার্টি (এরশাদ) নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিলে জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের কারণে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয় বহু আসনে। আওয়ামী লীগের বাইরে নৌকা পাচ্ছেন দশজন
আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের শরিক দলগুলোর ১০ প্রার্থীকে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক বরাদ্দ দেয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা। গতকাল বিকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে (সিইসি) এই অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেন তিনি। শুক্রবার বিকালে বিশেষ বার্তাবাহকের মাধ্যমে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে সিইসির কাছে এ চিঠি পৌঁছে দেয়া হয়। ওই ১০ প্রার্থী হলেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন (ঢাকা-৮), ফজলে হাসান বাদশা (রাজশাহী-২), শেখ হাফিজুর রহমান (নড়াইল-২), মোস্তফা লুত্ফুন্নেছা (সাতক্ষীরা-১), জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু (কুষ্টিয়া-২), জায়েদুল কবির (নরসিংদী-২), শিরিন আখতার (ফেনী-১), মাইনুদ্দীন খান বাদল (চট্টগ্রাম-৮) এবং বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী ও এম এ আউয়াল (লক্ষ্মীপুর-২)।
আওয়ামী লীগের যারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হচ্ছেন
ঠাকুরগাঁও-২ আসনে দবিরুল ইসলাম, দিনাজপুর-২ খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, লালমনিরহাট-২ নুরুজ্জামান আহমেদ, রংপুর-২ আবুল কালাম মো. আহসানুল হক চৌধুরী, রংপুর-৫ এইচ এন আশিকুর রহমান, গাইবান্ধা-৫ ফজলে রাব্বী মিয়া, বগুড়া-১ আবদুল মান্নান, বগুড়া-৫ হাবিবুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ গোলাম রাব্বানী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আবদুল ওদুদ, নওগাঁ-৬ ইসরাফিল আলম, রাজশাহী-১ ওমর ফারুক চৌধুরী, রাজশাহী-৪ এনামুল হক, নাটোর-১ আবুল কালাম, নাটোর-২ শফিকুল ইসলাম, নাটোর-৪ আবদুল কুদ্দুস, সিরাজগঞ্জ-১ মোহাম্মদ নাসিম, সিরাজগঞ্জ-২ হাবিবে মিল্লাত, সিরাজগঞ্জ-৩ ইসহাক হোসেন তালুকদার, সিরাজগঞ্জ-৪ তানভীর ইমাম, সিরাজগঞ্জ-৬ হাসিবুর রহমান, যশোর-১ শেখ আফিল উদ্দিন, বাগেরহাট-১ শেখ হেলাল উদ্দীন, বাগেরহাট-২ মীর শওকত আলী, বাগেরহাট-৩ তালুকদার আবদুল খালেক, ভোলা-১ তোফায়েল আহমেদ, ভোলা-৪ আবদুল্লাহ আল ইসলাম, বরিশাল-১ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশাল-৬ আবদুল হাফিজ মল্লিক, ঝালকাঠি-২ আমির হোসেন আমু, পিরোজপুর-১ এ কে এম এ আউয়াল, টাঙ্গাইল-১ আবদুর রাজ্জাক, টাঙ্গাইল-৩ আমানুর রহমান খান, টাঙ্গাইল-৪ আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, টাঙ্গাইল-৭ একাব্বার হোসেন, টাঙ্গাইল-৮ শওকত মোমেন শাহজাহান, জামালপুর-৩ মির্জা আজম, ময়মনসিংহ-১ প্রমোদ মানকিন, ময়মনসিংহ-২ শরীফ আহমেদ, ময়মনসিংহ-৯ আনোয়ারুল আবেদীন খান, কিশোরগঞ্জ-১ সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ সোহরাব উদ্দিন, কিশোরগঞ্জ-৪ রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক, কিশোরগঞ্জ-৫ আফজাল হোসেন, কিশোরগঞ্জ-৬ নাজমুল হাসান, মানিকগঞ্জ-২ মমতাজ বেগম, মানিকগঞ্জ-৩ জাহিদ মালেক, মুন্সীগঞ্জ-৩ মৃণাল কান্তি দাস, ঢাকা-২ কামরুল ইসলাম, ঢাকা-৩ নসরুল হামিদ, ঢাকা-৯ সাবের হোসেন চৌধুরী, ঢাকা-১০ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা-১১ এ কে এম রহমত উল্লাহ, ঢাকা-১২আসাদুজ্জামান খান, ঢাকা-১৩ জাহাঙ্গীর কবির নানক, ঢাকা-১৪ আসলামুল হক, ঢাকা-১৯ এনামুর রহমান, ঢাকা-২০ এম এ মালেক, গাজীপুর-১ আ ক ম মোজাম্মেল হক, গাজীপুর-২ জাহিদ আহসান রাসেল, গাজীপুর-৩ রহমত আলী, গাজীপুর-৫ মেহের আফরোজ, নরসিংদী-৪ নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, নরসিংদী-৫ রাজিউদ্দিন আহমেদ, নারায়ণগঞ্জ-২ নজরুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ-৪ শামীম ওসমান, রাজবাড়ী-১ কাজী কেরামত আলী, রাজবাড়ী-২ জিল্লুল হাকিম, ফরিদপুর-১ আবদুর রহমান, ফরিদপুর-২ সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, ফরিদপুর-৩ খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মাদারীপুর-১ নূর-ই আলম চৌধুরী, মাদারীপুর-২ শাজাহান খান, মাদারীপুর-৩ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, শরীয়তপুর-১ বি এম মোজাম্মেল হক, শরীয়তপুর-২ শওকত আলী, শরীয়তপুর-৩ নাহিম রাজ্জাক, সুনামগঞ্জ-২ সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, সিলেট-১ আবুল মাল আবদুল মুহিত, মৌলভীবাজার-৩ সৈয়দ মহসীন আলী, মৌলভীবাজার-৪ আবদুস শহীদ, কুমিল্লা-৭ আলী আশরাফ, কুমিল্লা-১০ আ হ ম মুস্তফা কামাল, চাঁদপুর-১ মহীউদ্দীন খান আলমগীর, চাঁদপুর-২ মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী, চাঁদপুর-৩ ডা. দীপু মনি, চাঁদপুর-৪ শামসুল হক ভূঁইয়া, চাঁদপুর-৫ রফিকুল ইসলাম, ফেনী-২ নিজামউদ্দিন হাজারী, নোয়াখালী-১ এ এইচ এম ইব্রাহীম, নোয়াখালী-২ মোরশেদ আলম, নোয়াখালী-৩ মামুনুর রশীদ, নোয়াখালী-৪ একরামুল করিম চৌধুরী, নোয়াখালী-৫ ওবায়দুল কাদের, লক্ষ্মীপুর-৩ এ কে এম শাহাজাহান কামাল, চট্টগ্রাম-৭ হাছানমাহমুদ, কক্সবাজার-২ আশেক উল্লাহ রফিক, কক্সবাজার-৩ সাইমুম সরওয়ার, চট্টগ্রাম-১ মোশাররফ হোসেন, চট্টগ্রাম-৬ ফজলে করিম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১০ আফছারুল আমীন, চট্টগ্রাম-১৪ নজরুল ইসলাম চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আনিসুল হক, সাতক্ষীরা-৩ আ ফ ম রুহুল হক, সাতক্ষীরা-৪ জগলুল হায়দার, যশোর-৩ কাজী নাবিল আহমেদ, নেত্রকোনা-৪ রেবেকা মোমিন, নেত্রকোনা-৫ ওয়ারেসাত হোসেন, নওগাঁ-১ সাধন চন্দ্র মজুমদার, নওগাঁ-২ শহীদুজ্জামান সরকার, নীলফামারী-২ আসাদুজ্জামান নূর, জয়পুরহাট-১ সামছুল আলম, জয়পুরহাট-২ আবু সাঈদ আল মাহমুদ, পাবনা-২ খন্দকার আজিজুল হক, পাবনা-৪ শামসুর রহমান ও পাবনা-৫ গোলাম ফারুক খোন্দকার।
জাতীয় পার্টি : চট্টগ্রাম-৫ আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, বগুড়া-২ শরিফুল ইসলাম, বগুড়া-৩ নুরুল ইসলাম তালুকদার, ময়মনসিংহ-৫ সালাহউদ্দিন আহমেদ, কুড়িগ্রাম-২ তাজুল ইসলাম চৌধুরী।
জেপি : পিরোজপুর-২ আনোয়ার হোসেন মঞ্জু।
ওয়ার্কার্স পার্টি : ঢাকা-৮ রাশেদ খান মেনন ও রাজশাহী-২ ফজলে হোসেন বাদশা।
জাসদ : কুষ্টিয়া-২ হাসানুল হক ইনু, চট্টগ্রাম-৮ মঈন উদ্দীন খান বাদল ও ফেনী-১ শিরীন আখতার।
গণতন্ত্রের ট্র্যাজিডি : ভোট ছাড়াই ১৫১ এমপি :গণতন্ত্রের অন্তিম যাত্রা
257
previous post
