সাহিত্য মানুষের জীবনের কথা বলেঃ গোলজার আহমদ হেলাল

by News Room

স্টাফ রিপোর্টাার:সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি ও কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের আজীবন সদস্য সিনিয়র সাংবাদিক গোলজার আহমদ হেলাল বলেছেন, সাহিত্য মানুষের কথা বলে, জীবনের কথা বলে। সাহিত্য কথা বলে প্রকৃতির,কথা বলে কল্পনার। সাহিত্য বাস্তবতার কথা বলে, সমাজচিত্র অংকন করে।এজন্য সাহিত্যকে বলা হয় সমাজের দর্পণ। তিনি বলেন,আমরা অনেক কিছুর গান গাই। আমরা জিডিপির গান গাই, প্রবৃদ্ধির গান গাই, উন্নয়নের গান গাই। গান গাই সমুদ্র জয়ের। কিন্তু জীবনের গান গাইতে পারি না। আর সেই জীবনের গান গান সাহিত্যিকরা।তরুণ সাহিত্যিক কামরুল আলম জীবনের চল্লিশ বছর পেরিয়ে সাফল্যের একচল্লিশ তম বছরে পা দিয়েছেন জীবনের গান গাইতে গাইতে। আমাদের প্রত্যাশা কামরুল আলম বাংলা সাহিত্যে এক শক্তিমান সাহিত্যিক হিসেবে নিজেকে স্থান করে নিবেন।

গোলজার আহমদ হেলাল গতকাল বুধবার কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের সাহিত্য আসর কক্ষে অনুষ্ঠিত তরুণ সাহিত্যিক কামরুল আলম এর ৪০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে প্রকাশিত ত্রৈমাসিক ‘নক্ষত্র’ বিশেষ সংখ্যার মোড়ক উন্মোচন ও সাহিত্য আড্ডায় সভাপতির বক্তব্য প্রদানকালে এ সব কথা বলেন।

এতে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) কবি-ঔপন্যাসিক সৈয়দ আলী আহমদ, বিশিষ্ট কলামিস্ট ইনাম চৌধুরী, সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি-ঔপন্যাসিক মুহিত চৌধুরী, কথাসাহিত্যিক ও গবেষক সেলিম আউয়াল, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার কবি মো. আমিনুল ইসলাম, কবি ও কলামিস্ট মোহাম্মদ আবদুল হক, কবি-ঔপন্যাসিক শাহীন শাহ ,ব্যাংকাার ও কবি নজমুুল হক চৌ. প্রমুখ।নক্ষত্র সম্পাদক জুনায়েদুর রহমান ও নাঈমুল ইসলাম গুলজারের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এক ঝাঁক তরুণ কলম সৈনিক।

সংবর্ধিত অতিথি কামরুল আলম বলেন, চল্লিশ পেরিয়ে একচল্লিশে পা রাখার মুহূর্তে চমকে দিলো ত্রৈমাসিক নক্ষত্র। এ উপলক্ষে প্রকাশিত হয়েছে ত্রৈমাসিক নক্ষত্রের বিশেষ সংখ্যা। সংখ্যাটির মোড়ক উন্মোচন ও সাহিত্য আড্ডায় সিলেটের স্বনামধন্য কবিসাহিত্যিকগণ উপস্থিত হয়ে কৃতজ্ঞতার বেড়াজালে আমাকে আটকে দিলেন।

সভাপতির বক্তব্যে গোলজার আহমদ হেলাল আরো বলেন, বাংলাদেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলের ঐতিহাসিক এ জনপদের সাহিত্য অঙ্গনে কামরুল আলম এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। পেছনের দরজার লেখক কামরুল আলম বিশ্বাসের এক দায়বদ্ধতা থেকেই লেখনী চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, চল্লিশ বছরের এ সাহিত্যিক ঘুমেই কাটিয়েছেন প্রায় তের বছর। দশ থেকে পনেরো বছরের মধ্যে মানুষ কিছূই করতে পারে না। হিসেব করলে দেখা যাবে তাঁর এ সাফল্য দশ থেকে পনেরো বছরের সাধনার ফল। এতেই আমরা অভিভূত।

তিনি বলেন, মানুষকে তার সীমাবদ্ধতার মধ্য থেকেই কাজ করতে হয়। তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত নবীন লেখক ও কবি-সাহিত্যিকদের বাংলা সাহিত্যের ভাগ্যকাশে উদীয়মান আলোকবর্তিকা আখ্যায়িত করে বলেন, এ সকল সাহিত্যিকরা বিশ্বাসের কবি। শুধু ইহকালীন কল্যাণ নয়, পরকালীন মুক্তির দর্শনও তাদের চিন্তাধারা ও লেখনীতে আছে। তিনি কামরুল আলমের উত্তরোত্তর সাফল্য ও সম্মানিত অতিথি গুণীজনদের সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন এবং নক্ষত্র পরিবারকে ধন্যবাদ জানান।

You may also like

Leave a Comment