মেঘাচ্ছন্ন অবগুণ্ঠনে কষ্ট ঢেকে
তোমায় ভালোবাসি বলেছি,
মুখ ফুটে বলা হলো না কতটা ভালোবাসি…
হৃদয় ভায়োলিনে সুর তুলে
নিজেই নিজেকে বলেছি কতবার,
বলেছি- ভালোবাসি,
প্রেমে ও অপ্রেমে যখন টেনেছিলে কাছে…
নিঃশব্দ জল তরঙ্গে ভোরের নদী
সূর্যের লাল আভায় নিজেকে রাঙায়,
টগবগে দুপুর রোদ্দুরে চোখ ঝলসায়
তেমনি আমিও ঝলসে যাই,ক্ষতবিক্ষত হই
প্রিয় লাটিমের তলার বকেয়া সময়ে…
সন্ন্যাসী করপুটে গুরুদক্ষিণার পাত্র হয়ে
খোলানেই পড়ে থাকি,ঘরে ওঠা হয় না!
বিকেলের সোনা রোদে নিজেকে দর্শাই
তখনো মলাট বাঁধা এই আমি,
অস্তগামী সূর্য যখন ডুবে যায়
খুন আর খুনি সেই অকুস্থলে
বিলাসী সন্ধ্যা হাসে।
কৃষ্ণপক্ষের দীর্ঘ রাত্রিতে
বিচ্ছেদে গুমড়ে উঠেছিল প্রাণ…
সেইদিন,ঠিক সেইদিন
বক্ষবাসের ভালোবাসায় দিয়েছি টান
নিস্তরঙ্গ নদীর জল বয়ে যাক…
বিশ্বাসের তিলকে থাকুক লাল পেড়ে সাদা শাড়ী
শ্বাসপ্রশ্বাসে বাড়ুক কার্বনডাইঅক্সাইড গ্যাস,
মরে যাক নীল পদ্ম…
তখন সাদা আঁচলে রুপোলী চাঁদ আমার হবে।
