সন্ত্রাসী অর্থায়নে ইসলামী ব্যাংককে দায়ী করা ঠিক নয়: মুহিত

by News Room

নিজস্ব প্রতিবেদক:ইসলামী ব্যাংককে ঢালাওভাবে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অর্থের উৎস বলা ঠিক নয় বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

তিনি বলেন, কোনো ব্যাংকের বিরুদ্ধে জঙ্গীদের অর্থায়ন ও সহযোগিতার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক সে সব ব্যাংকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়।

বুধবার সংসদে প্রশ্নোত্তরে নুরুল হকের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ সব কথা বলেন।

মুস্তফা লুৎফুল্লার লিখিত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জামায়াত-শিবিরের জঙ্গি তৎপরতা তথা যে কোনো ধরনের জঙ্গি তৎপরতার বিষয়ে ব্যাংকসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর যথাযথ সরকারি নজরদারি বহাল রয়েছে।এ লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে স্থাপিত বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট সকল তফসিলি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নজরদারি করে থাকে বলে মুহিত জানান।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যেই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগে সরকার কর্তৃক পাঁচটি সংগঠনকে নিষিদ্ধ করেছে।

ইসরাফিল আলমের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী সংসদে জানান, কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা সৃষ্টিকারী শক্তিকে অর্থায়ন করা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ বাংলাদেশ ব্যাংকের গোচরিভূত হয়নি।

তিনি বলেন, এ ধরনের কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেয়া হবে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থাও নেয়া হবে।

আবুল কালাম আজাদের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মুহিত বলেন, রপ্তানি আয় উত্তোরত্তর বৃদ্ধি এবং আমদানি ব্যয় ক্রমন্বয়ে কমে আসার কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ডলারের রিজার্ভ দ্র্বততার সঙ্গে বাড়ছে। এছাড়া, রেমিট্যান্স রিজার্ভ বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে।এম আবদুল লতিফের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ২০০৮-২০০৯ অর্থবছরের ৩০ জুন শেষে দেশের বৈদেশিক রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৭.৪৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। চলতি অর্থবছরে এই রিজার্ভের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১৯.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে, যা সর্বোচ্চ।

জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, হলমার্ক কেলেঙ্কারির মতো ব্যাংকিং খাতের অনিয়ম রোধে বাংলাদেশ ব্যাংকের নজরদারি আরো জোরদার করা হয়েছে।

 

You may also like

Leave a Comment