লাঠি মণির কুদরতে- মেলা মিলে ফুটপাতে!

by News Room

গোলাম মাওলা রনি  :আমার বালক পুত্রটি যখন তার মাকে প্রশ্নটি করল তখন আমি দন্ত মাজন করছলিাম। ছলেটেি আমার সবে পঞ্চম শ্রণেি থকেে ষষ্ঠ শ্রণেতিে উঠছে।ে বাংলাদশেরে এই বয়সী সাধারণ ছলেমেয়েদেরে তুলনায় তার রাজনতৈকি সচতেনতা একটু বশে।ি সময়-অসময়ে তার বাহারি প্রশ্নরে ধরন দখেে বুঝতে পার-ি দশে-বদিশেরে রাজনীতি নয়িে সে যথষ্টে চন্তিাভাবনা কর।ে তার নানা প্রশ্নরে জবাব দতিে গয়িে আমি মাঝ-েমধ্যে বরিক্ত ও বব্রিত হই। আর এ কারণইে সে ইদানীং আমাকে প্রশ্ন না করে তার মাকে কর।ে অন্যদকিে তার মা যে উত্তর দয়ে তাতে আমার মনোবদেনা আরও বড়েে যায়। কারণ সে সরাসরি জবাব না দয়িে আকার-ইঙ্গতিে এমনভাবে বলে য,ে তাতে অনকে কছিুই আমার গায়ে চলে আস/আমার সংসারে সাম্প্রতকিকালে একটি ফোবয়িা শুরু হয়ছে,ে সব কছিুর সঙ্গে মণি শব্দ যোগ করে কথা বলা। ছলেমেয়েদেরে নামরে সঙ্গে মণি যোগ করার পাশাপাশি আমরা প্রায়ই টাকা মণ,ি মন্ত্রী মণ,ি ছ্যাচামণ,ি বলিাই মণ,ি হরতাল মণ,ি বুয়ামণি ইত্যাদি শব্দমালা ব্যবহার কর।ি ছলেে রশিাদ মণরি প্রশ্ন শুনে আমার স্ত্রী মণি বললনে, লাঠি মণরি কুদরত-েমলো মলিে ফুটপাত।ে ছলেরে প্রশ্ন না শুনলওে স্ত্রীর উত্তর শুনে আমার কান খাড়া হয়ে গলে। গভীর মনোযোগ দয়িে ভাবতে লাগলাম- আমাকে কছিু বলল না তো? রশিাদ আমার কাছে এলে জজ্ঞিাসা করলাম, বাবা! তোমার আম্মু ও কথা বললনে কনে? সে বলল, আমি তাকে জজ্ঞিাসা করছেলিাম বএিনপি এতদনি ধরে একটি সমাবশে করার অনুমতি চাইল অথচ পুলশি দলি না। অন্যদকিে আওয়ামী লীগ মহাসমাবশেরে অনুমতি চাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পয়েে গলে! আমি পাল্টা প্রশ্ন করে জানতে চাইলাম, তোমার আম্মুর কথায় কি বুঝল?ে বালক উত্তর করল, যাদরে হাতে ক্ষমতা, তাদরে ইচ্ছামতোই সব কছিু হয়।

আমি অনক্ষেণ ধরে নজিকেে নজিে বকা দলিাম এই বলে য,ে একটি চরিায়ত সত্য ঘটনা নয়িে আমি কনে নজিকেে ব্যস্ত রাখলাম। সৃষ্টরি আদকিাল থকেইে চলে আসছে জোর যার মুল্লুক তার। জোর করইে মানুষ অন্যরে রাজ্য, ধনসম্পত্ত;ি সুন্দরী স্ত্রী, কন্যা বা বোনকে হরণ করছে।ে পরিতিরে ডালা সাজয়িে কউে কোনো দনি তার লোভ, উচ্চাকাঙ্ক্ষা বা প্রতহিংিসা চরতর্িাথ করনে।ি মহাপুরুষদরে কউে কউে অবশ্য সংঘাত-সংর্ঘষরে পরর্বিতে প্রমে-ভালোবাসা ইত্যাদরি মাধ্যমে জয়লাভরে কথা বলছেনে। কন্তিু সইে সুন্দর কথাগুলো কবেল পাঠ্যপুস্তক এবং কবতিার র্বণনাকে সৗের্ন্দযমণ্ডতি করছে-ে বাস্তব জীবন বা চলমান ইতহিাসকে নয়।

যদেনি থকেে রাজনীতি শুরু হয়ছেলি সদেনি থকেইে মথ্যিাচার, অনাচার, দম্ভ, অহংকার প্রভৃতি মন্দ জনিসি নজিদেরে অলঙ্কার বানয়িে রাজপুরুষরা বা রাজমহলিারা নজিদেরে জাহরি করার চষ্টো করে আসছ।ে ব্যতক্রিম অবশ্য আছ।ে কন্তিু তার সংখ্যা একবোরইে কম, আর তাই ব্যতক্রিমকে কখনো উদাহরণ হসিবেে উপস্থাপন করা হয় না। মানুষ সৃষ্টরি শুরু থকেইে তলোয়ারকে বছেে নয়িছেে নজিদেরে র্অজনরে প্রধান মাধ্যম হসিবে।ে প্রতপিক্ষরে লাশ, মাথার খুলি কংিবা রক্তই হয়ছেে বজিয়ীর বজিয় উৎসবরে প্রধান অলঙ্কার এবং উপকরণ। কাজইে মানব জাতরি ধারাবাহকি দাঙ্গা-হাঙ্গামার ইতহিাসরে তুলনায় র্বতমান বাংলাদশেরে প্রক্ষেতি যে বশেি একটা মন্দ নয় তা আমার বালক মণি না বুঝলওে আমি বুঝি বশে ভালোভাব।ে

দশেরে র্বতমান রাজনীতরি প্রধান উপর্সগ হয়ে পড়ছেে হত্যা, গুম, অগ্নসিংযোগ, মথ্যিাচার, বড়াই, অন্যরে জানমাল নয়িে ছনিমিনিি খলো এবং অহংকার করতে করতে নজিকেে দবেতার র্পযায়ে উন্নীত করা এবং প্রতপিক্ষকে জানোয়াররে র্পযায়ে নাময়িে আনা। আর এসব মন-মানসকিতার জন্য আমাদরে নতো-নত্রেীদরে মধ্যে কউে কউে শয়তানকওে ছাড়য়িে গছে।ে অনকেে আবার র্সবশক্তি দয়িে চষ্টো করছে ফরোউনকে পছেনে ফলেে দওেয়ার জন্য। কারণ ফরোউন ছলিনে আপাদমস্তক রাজনীতবিদি। তনিি র্সবশক্তি নয়িোগ করছেলিনে কূটকৗেশল ও বুদ্ধমিত্তা প্রয়োগরে মাধ্যমে প্রতপিক্ষকে পরাজতি করার জন্য। তনিি একটি দনিরে জন্যও হত্যা, সন্ত্রাস বা গুম-খুনরে রাজনীতি করনেন।ি তার প্রতপিক্ষ হজরত মুসা (আ.) এবং ১০ লাখ বদ্রিোহী বনি ইসরায়লেদিরে বরিুদ্ধে তনিি তলোয়ার উঁচু করে ফয়সালা করতে চানন।ি তনিি হজরত মুসা (আ.)-এর সঙ্গে বার বার সংলাপে বসছেনে। র্তক-বর্তিক করছেনে। নজিরে র্স্বাথ রক্ষায় নানা কূটকৗেশলরে আশ্রয় নয়িছেনে, হম্বতিম্বি করছেনে কন্তিু ধর্যৈ হারানন।ি তনিি হজরত মুসা (আ.) এবং তার ভাই হজরত হারুন (আ.) উভয়রে প্রতি সব সময় সম্মান রখেে কথা বলছেনে এবং দখো-সাক্ষাতরে সময় যথষ্টে পরমিাণে সৗেজন্যতা দখেয়িছেনে।

আল্লাহর হুকুমে হজরত মুসা (আ.) মসির দশেে বসবাসরত ১০ লাখ অবহলেতি বনি ইসরায়লেরি মুক্তি দাবি করে বসলনে। এসব বনি ইসরায়লেরিা শত শত বছর ধরে ক্রীতদাস হসিবেে মসিরীয় ভূমপিুত্র কবিতদিরে সবো করে আসছলিনে। সমাজ, সংসার, রাষ্ট্ররে নত্যিদনিকার ছোটখাটো কাজ থকেে শুরু করে গুরুত্বর্পূণ সব কাজরে ভারই ছলি এসব দাস-দাসীর ওপর। সইে ১০ লাখ দাস-দাসীকে মুক্তি দয়িে দশেত্যাগ করার অনুমতি দলিে পুরো মসির দশেরে দনৈন্দনি র্কমযজ্ঞে মারাত্দক ব্যাঘাত সৃষ্টি হব।ে দশেরে নাগরকিরা বদ্রিোহ করে বসব,ে এমনকি রাজপ্রাসাদ ও রাজদরবাররে র্কমকাণ্ডও বন্ধ হয়ে যাব।ে কারণ পয়িন-র্আদাল,ি ঝাড়ুদার, মুচ,ি নাপতি, মথের, শ্রমকি, পাঁচক, গৃহর্কমী প্রভৃতি কাজ বনি ইসরায়লেরিাই করত। মুসা (আ.) যখন তাঁর ভাই হারুন (আ.)কে নয়িে ফরোউনরে দরবারে উপস্থতি হয়ে তার দাবনিামা পশে করলনে তখন রাজা জজ্ঞিাসা করলনে, এটা কী করে সম্ভব?

এখানে একটা কথা উল্লখে না করলইে নয়, ফরোউন কন্তিু আমাদরে মতো সাধারণ পরবিাররে সাধারণ মানুষ ছলিনে না। তার পরবিার এক হাজার বছর ধরে মসির সাম্রাজ্য শাসন করে আসছলি। সাম্রাজ্যরে আয়তন ছলি র্বতমানরে বাংলাদশেরে আয়তনরে প্রায় একশটি দশেরে সমান। অন্যদকিে ক্ষমতা বত্তিবভৈব, প্রভাব-প্রতপিত্তি এবং মান-র্মযাদায় মসির ছলি দুনয়িার একমাত্র সুপার পাওয়ার রাষ্ট্র। এমনি এক রাষ্ট্রপ্রধানরে সামনে দাঁড়য়িে দনিরে পর দনি দশেরে অবহলেতি, দরদ্রি ক্রীতদাসদরে মুক্তরি ব্যাপারে একজন মানুষ তার ভাইকে সঙ্গে নয়িে কথা বলছনে, হুমকি দচ্ছিনে, আল্লাহর গজবরে ভয় দখোচ্ছনে, তারপরও সম্রাট ধর্র্যৈসহকারে সব কছিু শুনছনে এবং লোকটরি সঙ্গে পাশাপাশি বসে সংলাপ করছনে, ভাবা যায়? ২০১৪ সালরে প্রক্ষোপট কল্পনা করলে আমি খইে হারয়িে ফলে।ি পবত্রি কোরআনে যভোবে ঘটনা র্বণনা করা হয়ছেে তা পড়লে আমার মন-মস্তষ্কি যনে এলোমলেো হয়ে পড়।ে

আগকোর দনিে মহান রাজপুরুষরা মথ্যিা কথা বলতনে না। প্রজাদরে ধোঁকা দতিনে না। তারা মনে করতনে, ধোঁকা দওেয়া হলো শয়তানরে কাজ। তারা জনগণকে বোকা বানানোর চষ্টো করতনে না। অন্তর দয়িে অধীনস্থদরে ভালোবাসতনে। তারা র্সবত্র ন্যায়বচিার প্রতষ্ঠিা করতনে। ন্যায়বচিার করতে গয়িে অনকে রাজপুরুষ নজি সন্তান, পতিা-মাতা, স্ত্রী কংিবা ভাইকে ফাঁসকিাষ্ঠে ঝুলয়িছেনে কবেল একজন নঃিস্ব, রক্তি মজলুম ফরয়িাদীর বচিার র্প্রাথনার কারণ।ে এসব কারণে জনগণও ন্যায়পরায়ণ রাজা-বাদশাহদরে নজিদেরে জীবন-ধন-সম্পত্তি এবং আত্দীয়-পরজিনরে চয়েে বশেি ভালো বাসতনে। রাজার কথায় দশেরে শত্রুর বরিুদ্ধে ঝাঁপয়িে পড়তনে, হাসমিুখে নজিরে জীবন বর্সিজন দতিনে নতুবা শত্রুর প্রাণ সংহার করে ঘরে ফরিতনে। ইতহিাসরে র্স্বণালি সইে দনি, অনুক্ষণ আর উদাহরণ এখন আর অবশষ্টি নইে। এখন বোঝা যাচ্ছে না, কে আসলে সত্য বলছ?ে চলমান হরতাল-অবরোধে দখেছি প্রতারণা এবং মথ্যিা নাটকরে নতুন নতুন উপাখ্যান মঞ্চস্থ হচ্ছ।ে পুরানা পল্টন মোড়, শাহবাগরে মোড় কংিবা আরও দুই-একটি ট্রাফকি পয়ন্টেে সরকাররে পুলশিরে সপিাহি পদর্মযাদার লোকজন অকারণে বাস গাড়ি দাঁড় করয়িে বরিাট যানজট লাগয়িে লোকজনকে বশ্বিাস করতে বাধ্য করে য,ে রাস্তায় বনিা বাধায় যানবাহন চলছ।ে এই দৃশ্য দখেে আরও দুই-চারজন লোক যইেনা সাহস করে তাদরে গাড়ি বরে করল ওমনি ভাঙচুর কংিবা পট্রেলবোমার শকিার হয়ে র্সবস্ব হারাল।

মডিয়িার মালকিরা বঠৈক করে ববিৃতি দচ্ছিনে, তারা স্বাধীন মতো কাজ করতে পারছনে না। এর র্অথ মডিয়িাগুলোতে আমরা সঠকি সংবাদ পাচ্ছি না। সারা দশেরে সহংিসতার বাস্তব চত্রি এবং এসব নয়িে গণমানুষরে ক্ষোভ-বক্ষিোভরে বাস্তব চত্রি গণমাধ্যমে ফুটে উঠছে না। ফলে সাধারণ মানুষ হয় বভ্রিান্ত হচ্ছে নতুবা প্রতারতি হচ্ছ।ে এর দায়-দায়ত্বি কে নবে?ে সুরক্ষতি অট্টালকিার বাসন্দিারা কি অনুভব করতে পারবে সইে হতভাগ্য বাসযাত্রীর র্মমবদেনা, যনিি টলেভিশিনরে খবরে দখেলনে য,ে সরকারর্ যাব, বজিবিি এবং পুলশিরে পাহারায় নরিাপদে সড়ক-মহাসড়ক দয়িে যানবাহন প্রায় স্বাভাবকিভাবে চলাচল করাচ্ছ।ে সরকাররে কথায় হতভাগ্য যুবক ছলেটেি তার শশিুকন্যা এবং স্ত্রীকে নয়িে রংপুর থকেে ঢাকার উদ্দশ্যেে রওয়ানা দলিনে। মাঝপথে বগুড়া এসে র্দুবৃত্তদরে পট্রেলবোমার আঘাতে নজিে পুড়ল এবং শশিুকন্যা ও স্ত্রীকওে পোড়াল।

দশেবাসী বুঝতে চষ্টো করছ,ে কে বশেি মথ্যিা বলছ?ে খালদোকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়ন,ি তার অফসিরে সামনে বালু, ইট এবং খোয়ার্ভতি যে ১৩টি ট্রাক রাখা হয়ছেে তা খালদো জয়িাই ফোন করে এনছেনে তার বাড়ি মরোমত করার জন্য। তার অফসিরে গটেে তালা লাগানো হয়ন,ি দশেে পুরোদমে গণতন্ত্র চলছ,ে যে যার মতো বলতে এবং ইচ্ছামতো চলতে পারছ।ে খালদো ইচ্ছা করইে অফসিে থাকছনে ইত্যাদি কথার্বাতা যারা বলছনে তারা কি সত্য বলছনে নাকি তাদরে প্রতপিক্ষরে অভযিোগগুলোই সত্য?

র্সাবকি ববিচেনায়, দশেবাসী এখন কাউকে বশ্বিাস করছে না। কাউকে শ্রদ্ধার আসনে বসাতে পারছে না। দুঃসহ অপমান এবং একরাশ বদেনা নয়িে কবেল দনি-রাত মথ্যিাচার শুনছে এবং ক্ষোভে ফুঁসছ।ে দশেরে র্বতমান রাজনতৈকি অবস্থা কোনদকিে মোড় নবেে তা কউে বলতে পারছে না, কারণ র্বতমানরে রাজনীতি কোনো ব্যাকরণ মনেে পরচিালতি হচ্ছে না। নজিদেরে ইচ্ছামতো অদ্ভুত সব তথ্য-উপাত্ত সূত্র এবং ব্যাখ্যা দাঁড় করাচ্ছে এবং নরিীহ দশেবাসীর ওপর চাপ প্রয়োগ করছে তাদরে মতার্দশ মনেে নওেয়ার জন্য। ফলে ২০১৫ সালরে জানুয়ারি মাস হয়ে উঠছেে প্রচণ্ড বভিীষকিাময় এক অধ্যায়, যার প্রতটিি মুর্হূতরে দায় শোধ করতে হচ্ছে মানুষরে রক্ত, কংিবা গলতি মাংসপণ্ডি অথবা অস্থ-িমজ্জার খণ্ডতি অংশ দ্ধারা।

দশেরে এই ক্রান্তলিগ্নওে বাঙালরি রসবোধরে কোনো কমতি নইে। এক মন্ত্রীমণি বললনে, সইেদনি আমি লুঙ্গমিণি পইরা, কুটুমণি ধইরা বাইর হমু! পারলে সামনে আইস। আরকে নতোমণি বলল- আর পায়ে নয়, এবার বুক ফুটা কইরা দমিু গুলমিণি দয়িা। এসব কথার্বাতার মাঝে আবার শুরু হয়ছেে আত্দঘাতী সন্দহে, অবশ্বিাস এবং প্রাসাদ ষড়যন্ত্ররে গৃহদাহ। সরকার মনে করছ,ে তাদরে মধ্যে ঘাপটি মরেে আছে বএিনপরি লোক। অন্যদকিে বএিনপওি মনে করছে সরকারি এজন্টেরা দলরে র্কাযক্রমকে মারাত্দকভাবে ব্যাহত করছ।ে ফলে পুরো রাজনতৈকি অঙ্গন হয়ে উঠছেে ভ্রাতৃঘাতী যুদ্ধরে ময়দান। কে যে কখন কাকে মারে কংিবা পছেনরে দরজা দয়িে আঘাত হানে তা কবেল একমাত্র আল্লাহপাকই বলতে পারনে।

এখন প্রশ্ন করা হতে পার,ে র্বতমান অবস্থা কি অনাদকিাল চলব?ে কংিবা র্বতমান হানাহানতিে কে বশেি লাভবান হব?ে আওয়ামী লীগ নাকি বএিনপ?ি আমার ক্ষুদ্র বুদ্ধি বলছ,ে র্বতমান হানাহানতিে সবচয়েে বশেি ক্ষতগ্রিস্ত হবে দশেরে গণতন্ত্র, সাধারণ মানুষ এবং দশেরে র্সাবকি র্অথনীত।ি আওয়ামী লীগ এবং বএিনপ-ি উভয় দলই ক্ষতগ্রিস্ত হব।ে একথা সবাই বলছ,ে আওয়ামী লীগ ৫ জানুয়াররি ক্ষত নয়িে বশেি দূর এগুতে পারবে না। মুখ থুবড়ে পড়ব,ে হয়তো নজিদেরে ভারে নয়তো বএিনপ-িজামায়াতরে কারণ।ে অন্যদকিে আমার ভয় হচ্ছ,ে হঠাৎ করে যদি আওয়ামী লীগরে পতন হয় সক্ষেত্রেে বএিনপরি উত্থানরে সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। তাহলে কী হব?ে কী আর হব,ে ধর্যৈমণি সহকারে সময়মণরি ওপর নর্ভির করে ভাগ্যমণরি ওপর সব কছিু ছড়েে দতিে হব।ে

লখেক : কলামস্টি।

You may also like

Leave a Comment