251
আবার বিশ্ব রেকর্ডে নাম লেখালো বাংলাদেশ। প্রায় তিন লাখ লোক একসঙ্গে জাতীয় সংগীত গেয়ে তাক লাগিয়ে দিল বিশ্ববাসীকে। ৪৪ তম স্বাধীনতা দিবসে ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’ গানটির প্রথম ১০ লাইন গাওয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ, সংসদ সদস্য, সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ, বিশিষ্ট নাগরিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সেনা সদস্য, স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, পোশাকশ্রমিকসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার লাখো মানুষ প্যারেড গ্রাউন্ডে উপস্থিত হয়ে জাতীয় সংগীতের সঙ্গে ঠোঁট মেলান। সংগীত পরিচালনা করেন বিশিষ্ট সুরকার স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্রের শব্দসৈনিক সুজেয় শ্যাম।
‘লাখো কণ্ঠে সোনার বাংলা’ গেয়ে বিশ্ব রেকর্ড করতে আজ ভোর থেকেই জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ড অভিমুখে লাখো মানুষের ঢল নামে। দীর্ঘ লাইন ধরে প্যারেড গ্রাউন্ডের ভেতরে প্রবেশ করেন নানা শ্রেণী-পেশার লাখো মানুষ। এসময় প্রত্যেককে একটি ব্যাগ দেয়া হয়। এতে জাতীয় পতাকা, গানের বাণী ও প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা লেখা কার্ড, পানির বোতল, স্যালাইন ইত্যাদি ছিল।
ময়দানে প্রতি ৫০ জন লোককে নিয়ে একটি ব্লক করা হয়। মোট ব্লক ছয় হাজার।
সাড়ে ১০টার পর উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর পর অনুষ্ঠিত হয় মহড়া। বেলা ১১টা আট মিনিটে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে সবাইকে শুভেচ্ছা জানান তিনি। একই সঙ্গে বিশ্ব রেকর্ড গড়ার এই আয়োজনে অংশ নেওয়া সবাইকে ধন্যবাদ জানান শেখ হাসিনা।
বেলা ১১টা ২০ মিনিটে তিন লাখেরও বেশি কণ্ঠে গাওয়া হয় গানটি। সবচেয়ে বেশি মানুষের অংশগ্রহণে জাতীয় সংগীত গাওয়ার আনুষ্ঠানিক রেকর্ড ভারতের দখলে। সাহারা গ্রুপের আয়োজনে এক লাখ ২২ হাজার মানুষের অংশগ্রহণে গত বছরের ৬ মে এই বিশ্ব রেকর্ডটি হয়েছিল। আজ জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রায় তিন লাখ মানুষ একসঙ্গে জাতীয় সংগীত গেয়ে স্থাপন করলো নতুন বিশ্ব রেকর্ড।
বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বেশ কয়েকটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করে। এর মধ্য দিয়ে একসঙ্গে সর্বাধিকসংখ্যক মানুষ একত্রে জাতীয় সংগীত গেয়ে বিশ্ব রেকর্ড করেছে।
