বৃহস্পতিবার একযুক্ত বিবৃতিতে এই আহবান জানান।
এরইমধ্যে ১৫৩টি আসনে ভোট গ্রহণ ছাড়াই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সরকারি দলের প্রার্থীদের বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। বাকী ১৪৭ আসনেও একপ্রকার প্রার্থী বিহীন লোক দেখানে নির্বাচন হচ্ছে। যা কখনোই সবদলের অংশগ্রহণে একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ অবাধ নিরপেক্ষ নিবাচনের মতো বৈধতা দাবি করতে পারে না।
ভোটারদের উপস্থিতিবিহীন এই নির্বাচন হলে ভবিষ্যতে নির্বাচন প্রক্রিয়ার প্রতি মানুষ আস্থা হারাবে এবং এতে দেশের গণতন্ত্র মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এই নির্বাচনের মাধ্যমে একটি একদলীয় সরকার কায়েম হবে।
এরপরও এক তরফা নির্বাচনের কারণে আন্তর্জাতিকভাবে আমাদের অর্থনীতি, কূটনীতি, বৈদেশিক কর্মসংস্থান, বিদেশি বিনিয়োগ চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। যা একটি স্বাধীন দেশের জন্য কোনভাবই কাম্য হতে পারে না। তাই বাংলাদেশের সাংবাদিক সমাজ ৫ জানুয়ারির নির্বাচন স্থগিত করার দাবি জানাচ্ছে।
রিয়াজউদ্দিন আহমদ, আবুল আসাদ, আলমগীর মহিউদ্দিন, রুহুল আমিন গাজী, শওকত মাহমুদ, আমানুল্লাহ কবীর, কামাল উদ্দিন সবুজ, আবদুল হাই শিকদার, খোন্দকার মনিরুল আলম, আল মুজাহিদী, সাদেক খান, ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী, মোবায়েদুর রহমান, আবদুল বাতেন, মাহফুজ উল্লাহ, সৈয়দ আবদাল আহমদ, জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, ইলিয়াস খান, মোস্তফা কামাল মজমুদার, মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, এম এ আজিজ, মুন্শী আবদুল মান্নান, এলাহী নেওয়াজ খান সাজু, আবদুস শহিদ, সরদার ফরিদ আহমেদ, আমিনুল রহমান সরকার, কাজী রওনাক হোসেন, বখতিয়ার রাণা, কাদের গণি চৌধুরী, বদিউল আলম, মাহমুদ শফিক, কেজি মোস্তফা, কামরুল ইসলাম চৌধুরী, নূরুল হুদা, কবি হাসান হাফিজ, নূরুদ্দিন আহমেদ, শান্তা মারিয়া, সাজ্জাদ হোসেন খান, নূরুল আমিন রোকন, সাজ্জাদ কাদির, এম. আবদুল্লাহ, আবু সালেহ, আবদুল আউয়াল ঠাকুর, সৈয়দ লুৎফুল হক, আমিরুল ইসলাম কাগজী, এরশাদ মজুমদার, জাহাঙ্গীর ফিরোজ, মোঃ মোদাব্বের হোসেন, হাসনাত করিম পিন্টু, আনওয়ারুল কবীর বুলু, সৈয়দ আলী আসফার, জাহেদ চৌধুরী, মাসুমুর রহমান খলিলী, সালাহ উদ্দিন মোঃ বাবর, আযম মীর, মুহাম্মদ বাকের হোসাইন, মিজানুর রহমান ভুঁইয়া, খুরশিদ আলম, সুলতান মাহমুদ বাদল, আকন আবদুল মান্নান, রফিক মোহাম্মদ, এম এ নোমান।
