এক্সেলসিয়র সিলেট হোটেল এন্ড রিসোর্টে বিনিয়োগকারিদের এক সভা গত রোববার লন্ডনের ডকল্যান্ড ক্লিফটনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবী সিরাজ হক। স্বাগত বক্তব্য রাখেন এক্সেলসিয়র সিলেটের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর সাঈদ চৌধুরী। বক্তব্য রাখেন মার্কেটিং ডাইরেক্টর আহমদ আলী, ডাইরেক্টর ও ফাইন্যান্স সাব-কমিটির আহবায়ক একাউন্টেন্ট কাউন্সিলার আয়াছ মিয়া, এক্সেলসিয়র সিলেটের ডাইরেক্টর ও বিবিসিসির কমিউনিটি এফেয়ার্স ডাইরেক্টর এম এ কাইয়ুম, বৃটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্সের লন্ডন রিজিওনাল প্রেসিডেন্ট বশির আহমদ, সাবেক কাউন্সিলার জয়নাল চৌধুরী, অভিনেতা কেফায়েত খান, ব্যবসায়ী মুরাদ আহমদ, হাফিজ চৌধুরী প্রমুখ।
এক্সেলসিয়র সিলেটের ডাইরেক্টর ও শেয়ার হোল্ডারদের মধ্যে আলোচনায় অংশ গ্রহন করেন ইনুস আলী, মাসুম আহমদ, আব্দুল বাসিত খান, মাসুকুর রহমান, আনিস রহমান, মোহাম্মদ মনির হোসাইন, আব্দুল মান্নান বশির, হাসিনা মমতাজ, এনামুল ইসলাম, জামাল হোসাইন খান, আব্দুল করিম জলিল, মশহুদুর রহমান চৌধুরী, ওয়াহিদ আলী, আক্তার হোসেন কাউসার, আব্দুল হাফিজ, জসিম উদ্দিন সেলিম প্রমুখ।
সভায় এক্সেলসিয়র সিলেটের সামগ্রীক অগ্রগতির আলোকে উন্নয়ন পরীকল্পনা নিয়ে বিষদ আলোচনা হয়। এতে সকলে একমত হন, এক্সেলসিয়র সিলেটকে বিলেতের সুনামখ্যাত রিসোর্ট সমূহের আদলে ঢেলে সাজানো হবে। প্রত্যাশিত পর্যায়ে আয় বৃদ্ধির জন্য প্রথম পর্বে কটেজ, লজ ও ৩ তলা ভবন নির্মাণ এবং থিমপার্কের উন্নয়ন সাধন করা হবে। ফলে বর্তমান ৫০টি হোটেল রুমের সাথে আরো ৪০/৫০টি যোগ হলে চলমান আয় দ্বিগুন করা যাবে। দ্বিতীয় পর্বে মাস্টার প্লেন মোতাবেক ফাইভ স্টার মানের ভবন সমূহের কাজ সম্পন্ন করা হবে।
সভায় উপস্থিত ডাইরেক্টরদের মধ্যে ৫জন তাদের শেয়ার বৃদ্ধির জন্য আরো বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন। পর্যবেক্ষক হিসেবে উপস্থিত কয়েকজন সফল ব্যবসায়ী ও কমিউনিটি ব্যক্তি এধরনের সম্ভাবনাময় প্রকল্পে সম্পৃক্ত হতে নিজেদের আগ্রহ প্রকাশ করেন।
সভায় জানানো হয়, যারা এক্সেলসিয়র সিলেটে বিনিয়োগ করেছেন তাদের মধ্যে ২০ জন ডাইরেক্টর কোম্পানী হাউজে রেজিষ্টার হয়েছেন। আরো ৫জনের নাম তালিকা ভুক্তির পর্যায়ে রয়েছে। যাদের কিস্তি বাকী আছে আগামী তিন মাসের মধ্যে তা পরিশোধের অনুরোধ জানিয়ে বলা হয়, এতে সকলের নাম রেজিস্ট্রি এবং শেয়ার ইস্যু করা সম্ভব হবে।
যে কোন কারণে যদি কেউ তাদের বিনিয়োগের অর্থ ফেরত নিতে চান তাহলে আগামী বোর্ড সভার আগে তা লিখিত ভাবে জানাতে হবে। এই এক্সিট প্লেনে যারা আসবেন কোম্পানীর শেয়ার কিংবা লাভ-লুকসানে তারা অংশিদার থাকবেন না। তাদের মানি রিটার্ণ এগ্রিমেন্ট দেয়া হবে এবং এক বছর সময়ের মধ্যে তাদের প্রদত্ত অর্থ ফেরত দেয়া হবে। এছাড়া বর্ধিত সময়ের জন্য সুনির্দিষ্ট মুনাফাও প্রদান করা হবে।
এক্সেলসিয়র সিলেটকে বিলেতের সুনামখ্যাত রিসোর্ট সমূহের আদলে ঢেলে সাজানো হবে
193
previous post
