সিলেটের খবর ডেস্ক: নানা জটিলতার পর অবশেষে চিত্তবিনোদনের নতুন প্রাণকেন্দ্র হিসেবে সিলেটে চিড়িয়াখানার নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। নগরীর উপকণ্ঠ টিলাগড় ইকো পার্কে কয়েকটি ছোট ছোট টিলা নিয়ে নির্মিত হচ্ছে চিড়িয়াখানাটি। প্রাথমিকভাবে ৮ একর জায়গা নিয়ে এবং পরবর্তিতে ৩০ একর জমিতে এ চিড়িয়াখানা সম্প্রসারণ করা হবে । এর মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৯ কোটি ৭৯ লাখ ১৪ হাজার টাকা। পূর্ণাঙ্গ কাজ সম্পন্নের পর এটি হবে দেশের তৃতীয় চিড়িয়াখানা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১২ সালের ৩ অক্টোবর মৎস ও প্রাণী সম্পদ আন্ত:মন্ত্রণালয়ের এক সভায় সিলেটে দেশের তৃতীয় সরকারী চিড়িয়াখানা নির্মাণের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। ওই বছরের ৯ নভেম্বর ইকোপার্ক এলাকায় প্রস্তাবিত চিড়িয়াখানার জায়গা পরিদর্শন করেন মৎস ও প্রাণিস¤পদ প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল হাই এমপি। এসময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সিলেটে চিড়িয়াখানা স্থাপনে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের আগ্রহ থাকায় এটি দ্রুত বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। শিগগিরই এ প্রকল্পের কাজ শুরু হবে বলে তখন তিনি আশ্বাসও দিয়েছিলেন।
২০১৩ সালের ২৪ জুন সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে মৎস্য ও প্রাণিস¤পদ মন্ত্রী আব্দুল লতিফ বিশ্বাস জানান, উদ্ভিদ সম্পদের প্রাচুর্যময় সিলেটের এ চিড়িয়াখানায় দেশীয় জীবজন্তুর একটি বড় আবাসস্থল হবে। প্রাথমিক অবস্থায় ইকোপার্কে ৮ একর জায়গায় চিড়িয়াখানাটি স্থাপন করা হবে এবং পরবর্তীতে এ চিড়িয়াখানা আরও সম্প্রসারণ করা হবে। এরই মধ্যে চলতি বাজেটে এ চিড়িয়াখানার জন্য ৯ কোটি ৯৯ লাখ ৯৬ হাজার টাকা অনুমোদন হয়েছে এবং গত মে মাস থেকে এর নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে।
সূত্র মতে, চিড়িয়াখানাটি প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে এবং জায়গাটি বনবিভাগের থাকায় আন্ত:মন্ত্রণালয়ের এক সভায় বনবিভাগ এ কাজটিতে আপত্তি জানিয়ে নিজেরা ওই প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা জানায়। যার কারণে বিষয়টি দীর্ঘদিন আটকে থাকে।
বন বিভাগের একটি সূত্র জানায়, গত মে মাস থেকে নির্দিষ্ট কিছু কাজ শুরু করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে, সিআইসিট স্টাফ ব্যারাক, জেব্রা শেড, সাইড ড্রেন, টিকেট কাউন্টার, অভ্যন্তরিন বিদ্যুৎ সংযোগ, বন বিড়াল ও গন্ধগোকুলের ঘর নির্মাণ, ৪টি সেন্ট্রি পোষ্ট নির্মাণ, ২টি বক্র কালভার্ট নির্মাণ, ফিজেন্ট এভিয়ারী নির্মাণ, বিদ্যমান পুকুর পুন: খনন, ফিড এন্ড ফুড প্রিজারভেশন স্টোর নির্মাণ, পাবলিক টয়লেট নির্মাণ, বাউন্ডারী ওয়াল নির্মাণ, ৫টি আরসিসি বেঞ্চ নির্মাণ, তৃনভোজী প্রাণীর শেড ও বেষ্টনী নির্মাণ, পানি সরবরাহ শ্যালো টিউবওয়েল নির্মাণ।
এছাড়াও আহত ও উদ্ধারকৃত বন্যপ্রাণীর চিকিৎসার নিমিত্তে বন্যপ্রাণীর পুনর্বাসন ও হাসপাতাল স্থাপন। এই চিড়িয়াখানায় যেসব প্রাণী থাকবে, এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, সিংহ, শ্লথবিয়ার, হনুমান, বেজী, বনরুই, বাঘদাস, বনবিড়াল, শিয়াল, খেকশিয়াল, গন্ডার, এশীয় হাতি, পরিযায়ী পাখি, জলজ পাখি, বনছাগল, বিভিন্ন প্রজাতির বানর, কালো ভাল্লুক, মিটা পানির কুমির, নীল গাই, জলহস্তী ইত্যাদি। দেশীয় জীবজন্তুর আশ্রয়স্থল হিসেবে হলেও এখানে তারা নেপাল, দক্ষিণ আফ্রিকা, অষ্ট্রেলিয়া ও সৌদি আরব থেকে বেশির ভাগ প্রাণী কিনে আনবেন। ৪০ প্রজাতির প্রায় সোয়া চার শ’ প্রাণী কেনা হবে, যার মধ্যে দু’শ প্রাণীই থাকবে বিরল ও নতুন প্রাণী।
এছাড়াও চিড়িয়াখানার প্রাণীদের স্বাস্থ্য ও নানা ধরনের সেবার জন্য যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানি থেকে চিকিৎসা ও খাদ্যের মান পরীক্ষার জন্য আধুনিক মানের উপকরণ কেনা হবে। সিলেটের জনসাধারণ ও ছাত্রছাত্রীদের জন্য এই চিড়িয়াখানাটি হবে একটি আকর্ষণীয় বিনোদনকেন্দ্র।
সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো: দেলোয়ার হোসেন জানান, পর্যটন ও প্রাকৃতিক বৈশিষ্ঠ্য সমৃদ্ধ সিলেটে পর্যটন আকর্ষণ বাড়াতে চিড়িয়াখানার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। সিলেটে সবধরণের সুযোগ সুবিধা থাকলেও সরকারী ব্যবস্থাপনায় কোন চিড়িয়াখানা নেই। দেশে বর্তমানে সরকারি ব্যবস্থাপনায় দু’টি চিড়িয়াখানা চালু রয়েছে। এরমধ্যে একটি ঢাকার মিরপুরে এবং অন্যটি রংপুর শহরে।
তিনি জানান, আমরা চিড়িয়াখানা নির্মাণ করতে গিয়ে এক ফুট টিলাও কাটবো না। সবকিছু অক্ষত রেখেই চিড়িয়াখানা হবে। চিড়িয়াখানায় যথেষ্ট পরিবেশগত দিক বজায় রাখা হবে। তবে প্রাথমিকভাবে এটিকে প্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্র হিসেবেই আমরা কাজ শুরু করেছি। ৩ বছর মেয়াদী এ প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণসহ অন্যান্য প্রক্রিয়া শেষ হলে ভবিষ্যতে এ প্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্রই পূর্ণাঙ্গ চিড়িয়াখানায় রূপ পাবে। নির্মাণ কাজ শেষ হলে এটি জনসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হবে।
গ্রীষ্মে সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত আর শীতে সকাল ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত প্রতিদিন এ কেন্দ্র খোলা থাকবে ।
সিলেট জেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা: মো: নুরুল ইসলাম জানান, প্রাণীদের অবাধ বিচরণক্ষেত্র এই ইকো পার্কে দেশী-বিদেশী নানা প্রজাতির প্রাণী সংরক্ষণের উদ্যোগ মূলত: পর্যটকদের বিনোদন সৃষ্টির লক্ষ্যেই শুরু হয়েছে। এ কাজটি বন বিভাগ করছে। তবে নির্মাণ কাজ সম্পন্নের পর প্রাণী সংগ্রহ ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ আমাদের দপ্তর থেকেই করা হবে।
ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মনির এন্টারপ্রাইজের স্বত্ত্বাধিকারী মো: মনির হোসেন জানান, প্রাথমিক নির্মাণ কাজগুলো ৫টি গ্র“পে শুরু করা হয়েছে। তার প্রতিষ্ঠানের কাজগুলো প্রায় সম্পন্নের পথে। চলতি মাসেই তার গ্রুপের নির্মিত কাজ বন বিভাগকে বুঝিয়ে দেয়া হবে। তার প্রতিষ্ঠানের ২৯ লক্ষ টাকার নির্মাণ কাজগুলো হচ্ছে বন বিড়ালের ঘর, কালভার্ট, ড্রেন, আরসিসি বেঞ্চ নির্মাণ ও সেন্ট্রি পোষ্ট নির্মাণ। অন্যান্য গ্র“পের নির্মাণ কাজ সমানতালে চলছে বলেও তিনি জানান।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমার বড় বোন ফাতেমা বেগম একজন পুলিশ সদস্যের লালসার শিকার হয়ে পুলিশ প্রশাসনে দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না। সমাজে অসহায় নির্যাতিত একজন মহিলা হিসেবে মানসিক যন্ত্রণায় ভোগছেন। আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে নিয়োজিত এই পুলিশ সদস্য তার প্রভাব খাটিয়ে আমাদেরকে প্রতিনিয়তই নানাভাবে হুমকি প্রদান করে আসছে। আমার বোনসহ পরিবারের সদস্যরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছি। যে কোনো সময় তিনি তার বড় বোনের ক্ষতিসাধনের আশঙ্কা করেছেন।
মিজবাউল বলেন, আমার বোন একজন স্বামী পরিত্যক্ত মহিলা হিসেবে তার একমাত্র মেয়ে ফালগুনী খান মিমকে নিয়ে আমাদের সাথে বসবাস করে আসছিলেন। এক পর্যায়ে এসএমপির এয়ারপোর্ট থানার সোনাতলা চাতলীবন্দ এলাকার বাসিন্দা এবং অষ্টম আর্মড ব্যাটালিয়ান সিলেট এর কনস্টেবল আব্দুর রহমান (কং নং ৮৮৪৯) এর সাথে আমার বোনের পরিচয় হয়। পরবর্তীতে মোবাইল ফোনে বিভিন্ন সময়ে আলাপ-আলোচনা হয় এবং একপর্যায়ে আব্দুর রহমান সব জেনে শুনে আমার বোনকে বিবাহের প্রস্তাব দেয় ও তার কন্যা মিমকে তার পিতার নিকট পাঠিয়ে দিতে বলে। আমার বোন তার কথামতো মেয়েকে তার পিতার নিকট পাঠিয়ে দেয়। সে কিছুদিন পর বিয়ে করবে বলে জানায়। এই সুবাদে বিভিন্ন সময়ে আমাদের অজান্তে আমার বোনকে নিয়ে আব্দুর রহমান বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ায় ও জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। আমার বোন এক পর্যায়ে অন্তস্বত্তা হয়ে পড়ে। তখন আমরা পরিবার থেকে বিয়ের কথা বললে আব্দুর রহমান আজ কাল করে কৌশলে সময় ক্ষেপন করতে থাকে।
তিনি বলেন, অবশেষে তার ছলচাতুরী বুঝতে পেরে আমার বোন গত ১৭ জুন তার কর্মস্থল আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্মারক এভিপি ৮ রেকর্ড ৩৩৪৫ মূলে আমার বোনের জবানবন্দি গ্রহণ করে কর্তৃপক্ষ। আর্মড পুলিশ কর্তৃপক্ষ সুবিচারের আশ্বাস প্রদান করলেও অদ্যাবধি কোনো প্রকার পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। উল্টো আব্দুর রহমান আমার বোন ও আমাদেরকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে হুমকি প্রদান করে আসছে। তার জীবন থেকে সরে না দাড়ালে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে বলেছে ‘আমি পুলিশের লোক থানায় গিয়েও কোনো ফল হবে না। গত পহেলা মে রাতে রিকাবীবাজার এলাকায় আমার বোনকে একা পেয়ে আসামি তার দুই সহকর্মীকে নিয়ে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ ও তার পথ থেকে সরে দাড়ানোর হুমকি দেয়। এক পর্যায়ে আমার বোনের কাপড় ধরে টানাহেচড়া ও ধস্তাধস্তি করলে উপস্থিত লোকজন জড়ো হয়ে পুলিশকে খবর দেন। এসময় টহলরত পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে আমার বোনসহ তাদেরকে থানায় নিয়ে যায়। থানায় আব্দুর রহমান আমার বোনকে বিবাহ করবে বলে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পায়। কিন্তু সে তার কথা রাখেনি। উল্টো নানাভাবে হুমকি দিয়ে আসছে।
তিনি আরো বলেন, আমার বোন লিখিত অভিযোগ নিয়ে কোতোয়ালী থানায় গেলে পুলিশ অভিযোগটি গ্রহণ করেনি। পুলিশের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেয়া হবে না বলে থানার ডিউটি অফিসার শাসিয়ে আমার বোনকে থানা থেকে বের করে দেন। এমতাবস্থায় নিরূপায় হয়ে কোনো উপয়ান্তর না পেয়ে আমরা আদালতের আশ্রয় নিয়েছি। গত ২৫/০৮/২০১৪ ইং তারিখে সিলেটের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ১ম আদালতে আমার বোন বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপিসহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং প্রশাসনের নিকট আকুল আবেদন জানিয়েছেন। – See more at: http://www.dainiksylhet.com/details/newsdetails/1837#.VASTR6Pmh1s
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমার বড় বোন ফাতেমা বেগম একজন পুলিশ সদস্যের লালসার শিকার হয়ে পুলিশ প্রশাসনে দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না। সমাজে অসহায় নির্যাতিত একজন মহিলা হিসেবে মানসিক যন্ত্রণায় ভোগছেন। আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে নিয়োজিত এই পুলিশ সদস্য তার প্রভাব খাটিয়ে আমাদেরকে প্রতিনিয়তই নানাভাবে হুমকি প্রদান করে আসছে। আমার বোনসহ পরিবারের সদস্যরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছি। যে কোনো সময় তিনি তার বড় বোনের ক্ষতিসাধনের আশঙ্কা করেছেন।
মিজবাউল বলেন, আমার বোন একজন স্বামী পরিত্যক্ত মহিলা হিসেবে তার একমাত্র মেয়ে ফালগুনী খান মিমকে নিয়ে আমাদের সাথে বসবাস করে আসছিলেন। এক পর্যায়ে এসএমপির এয়ারপোর্ট থানার সোনাতলা চাতলীবন্দ এলাকার বাসিন্দা এবং অষ্টম আর্মড ব্যাটালিয়ান সিলেট এর কনস্টেবল আব্দুর রহমান (কং নং ৮৮৪৯) এর সাথে আমার বোনের পরিচয় হয়। পরবর্তীতে মোবাইল ফোনে বিভিন্ন সময়ে আলাপ-আলোচনা হয় এবং একপর্যায়ে আব্দুর রহমান সব জেনে শুনে আমার বোনকে বিবাহের প্রস্তাব দেয় ও তার কন্যা মিমকে তার পিতার নিকট পাঠিয়ে দিতে বলে। আমার বোন তার কথামতো মেয়েকে তার পিতার নিকট পাঠিয়ে দেয়। সে কিছুদিন পর বিয়ে করবে বলে জানায়। এই সুবাদে বিভিন্ন সময়ে আমাদের অজান্তে আমার বোনকে নিয়ে আব্দুর রহমান বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ায় ও জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। আমার বোন এক পর্যায়ে অন্তস্বত্তা হয়ে পড়ে। তখন আমরা পরিবার থেকে বিয়ের কথা বললে আব্দুর রহমান আজ কাল করে কৌশলে সময় ক্ষেপন করতে থাকে।
তিনি বলেন, অবশেষে তার ছলচাতুরী বুঝতে পেরে আমার বোন গত ১৭ জুন তার কর্মস্থল আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্মারক এভিপি ৮ রেকর্ড ৩৩৪৫ মূলে আমার বোনের জবানবন্দি গ্রহণ করে কর্তৃপক্ষ। আর্মড পুলিশ কর্তৃপক্ষ সুবিচারের আশ্বাস প্রদান করলেও অদ্যাবধি কোনো প্রকার পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। উল্টো আব্দুর রহমান আমার বোন ও আমাদেরকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে হুমকি প্রদান করে আসছে। তার জীবন থেকে সরে না দাড়ালে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে বলেছে ‘আমি পুলিশের লোক থানায় গিয়েও কোনো ফল হবে না। গত পহেলা মে রাতে রিকাবীবাজার এলাকায় আমার বোনকে একা পেয়ে আসামি তার দুই সহকর্মীকে নিয়ে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ ও তার পথ থেকে সরে দাড়ানোর হুমকি দেয়। এক পর্যায়ে আমার বোনের কাপড় ধরে টানাহেচড়া ও ধস্তাধস্তি করলে উপস্থিত লোকজন জড়ো হয়ে পুলিশকে খবর দেন। এসময় টহলরত পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে আমার বোনসহ তাদেরকে থানায় নিয়ে যায়। থানায় আব্দুর রহমান আমার বোনকে বিবাহ করবে বলে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পায়। কিন্তু সে তার কথা রাখেনি। উল্টো নানাভাবে হুমকি দিয়ে আসছে।
তিনি আরো বলেন, আমার বোন লিখিত অভিযোগ নিয়ে কোতোয়ালী থানায় গেলে পুলিশ অভিযোগটি গ্রহণ করেনি। পুলিশের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেয়া হবে না বলে থানার ডিউটি অফিসার শাসিয়ে আমার বোনকে থানা থেকে বের করে দেন। এমতাবস্থায় নিরূপায় হয়ে কোনো উপয়ান্তর না পেয়ে আমরা আদালতের আশ্রয় নিয়েছি। গত ২৫/০৮/২০১৪ ইং তারিখে সিলেটের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ১ম আদালতে আমার বোন বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপিসহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং প্রশাসনের নিকট আকুল আবেদন জানিয়েছেন। – See more at: http://www.dainiksylhet.com/details/newsdetails/1837#.VASTR6Pmh1s
