শুক্রবার বিকেলে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের উদ্বোধন ও সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথাগুলো বলেন।
তিনি বলেন, খেলাধুলা ও সংস্কৃতি চর্চা যুব সমাজের মেধা ও মননের বিকাশ ঘটায়। তাদেরকে বিপথ থেকে দূরে রেখে চরিত্র গঠনে খেলাধুলার গুরুত্ব অপরিসীম। যুব সমাজকে খেলাধুলায় যতবেশী ব্যস্ত রাখা যাবে তাদের মাঝে ততবেশী আত্মবিশ্বাস ও দেশপ্রেম জেগে উঠবে। আত্মবিশ্বাস মানুষের বড় শক্তি। এই শক্তির বলেই আমরা মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করতে পেরেছিলাম।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি অপূর্ব সুন্দর স্থান সিলেট। সিলেটে অনেকেই বেড়াতে আসে। এখানে আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম হওয়ায় এখানে বিদেশী অতিথিদের আগমন আরো বাড়বে। তাই এখানে সরকারী উদ্যোগে একটি পাঁচ তারকা হোটেল নির্মান করা হবে। এছাড়া শিক্ষার্থী ও তরুণদের থাকার সুবিধার্থে স্টেডিয়ামের নিকটবর্তী পর্যটন মোটেলের পাশে আরো একটি হোটেল নির্মান করা হবে।
যথাসময়ে সিলেট স্টেডিয়ামের নির্মান কাজ শেষ করা একটি চ্যালেঞ্জ ছিলো উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সামনে অনেক প্রতিবন্ধকতা ছিলো। বিএনপি-জামাতের হরতাল-অবরোধে নির্মান কাজ বাধাগ্রস্থ হয়েছে। তারপরও আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সহায়তায় ও সংশ্লিস্টদের আন্তরিকতায় যথাসময়ে কাজ শেষ করা সম্ভব হয়েছে।
বিএনপির সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, তারা যথন ক্ষমতায় ছিলো তখন খাম্বা লিমিটেড করে শুধু খাম্বা ব্যবসা করেছে। এখনো খাম্বাগুলো সড়কের ধারে পড়ে আছে। তারা এক মেঘাওয়াটও বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে পারেনি বরং কমেছে। আমরা গত
সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় কমিশনার ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি এএনএম জিয়াউল আলম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার, বিসিবি’র সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। প্রধানমন্ত্রীকে স্মারক উপহার তুলে দেন সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, সমাজকল্যান মন্ত্রী ষৈয়দ মহসিন আলী, অর্থ প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান, প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ পলক, ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফুল ইসলাম জয়, সাবেক মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহউদ্দিন সিরাজ, উপাধ্যক্ষ আবদুস শহীদ এমপি, ইমরান আহমদ এমপি, নাইমুর রহমান দূর্জয় এমপি, সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র বদরউদ্দিন আহমদ কামরান, সাবেক সাংসদ শফিকুর রহমান চৌধুরী।
এর আগে বিকেল সাড়ে ৪ টায় শেখ হাসিনা সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের উদ্বোধন করেন। এসময় তিনি স্টেডিয়ামটি ঘুরে দেখেন। আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপ ক্রিকেটের বেশ কয়েকটি খেলা এই মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।
