ইমরুল কায়েস:ওয়াহিদা পারভীন
‘লাল টুকটুকে বউ’—এই গানের প্রস্তুতি নিয়ে ছোটবেলায় প্রথম মঞ্চে উঠেই শুনতে পাই ‘মোমের পুতুল’ গানটি। ভুল গানের মধ্য দিয়ে নাচের শুরুটা হলেও আজ আমি স্বপ্ন দেখি নাচের ওপর একটি ইনস্টিটিউট গড়ার, যা বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে। যখন হাঁটতে শিখেছি, তখন তা না বুঝে শিখলেও নাচের শুরুটা করেছিলাম বুঝেই। কিন্তু বারবার হোঁচট খেয়ে হাঁটতে শেখার সেই প্রেরণাই সাহস জুগিয়েছে অজয়কে জয় করার। তাই আজ আমি নাচের শিক্ষক।
কথাগুলো বললেন মিরপুর বন্ধুসভার বন্ধু ওয়াহিদা পারভীন অলিভ।
১৯৯৮ সালে এসএসসি, ২০০১ সালে এইচএসসি ও ২০০৫ সালে ব্যবস্থাপনায় স্নাতক (সম্মান) শেষ করেন। পড়াশোনা করেছেন নাচের ওপরও। ছোটবেলা থেকেই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানে অংশ নেন নিয়মিত। পেয়ে যান নতুন কুঁড়ি পুরস্কার, রাসেল কুঁড়ি চ্যাম্পিয়ন পুরস্কার। ২০০৭ সালে দিল্লিতে পান বেস্ট কোরিউগ্রাফি চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড। তারপর ওডিষায় পান নৃত্যভুবন অ্যাওয়ার্ড। থাইল্যান্ডে বেস্ট পারফরম্যান্স অ্যাওয়ার্ড পাওয়াসহ দেশে কুড়িয়েছেন নানা পুরস্কার। এ ছাড়া দেশের বাইরে থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, নেপাল, সিঙ্গাপুর, চীন ও তাইওয়ানে ২০টির অধিক অনুষ্ঠানে অংশ নেন নাচের ওপর।জামিলা তাবাসসুম
জামিলা তাবাসসুম বৃষ্টি নাচের আরেক বন্ধু। নাচ শিখছেন ওয়াহিদা পারভীন অলিভের কাছে। অষ্টম শ্রেণীতে পড়ুয়া বৃষ্টি ইতিমধ্যেই পেয়েছে নৃত্যকুঁড়ি, ধুমটানা, পদ্মকুঁড়ি পুরস্কার। ২০০৬ সালে পেয়েছেন জাতীয় শিশু একাডেমী পুরস্কার। ২০০৮ সালে সিটি করপোরেশন সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় হয়েছে প্রথম। ২০০৯ সালে পেয়েছে নর্থ ইন্ডিয়ান ফোক সোসাইটি অ্যাওয়ার্ড। ২০১০ সালে ভারতে কত্থকের মহাগুরু বিরজু মহারাজের হাত থেকে গ্রহণ করে চ্যাম্পিয়ন পুরস্কার। ২০১১ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে গ্রহণ করে জাতীয় নৃত্য পুরস্কার। এ ছাড়া থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, নেপাল, সিঙ্গাপুর, চীন ও তাইওয়ানে অংশ নিয়েছেনৃত্যানুষ্ঠানে।
