সিলেট জেলা ও মহানগর ১৮ দলের মিছিল সমাবেশ

by News Room
১৮ দলীয় জোট সিলেট মহানগর আহবায়ক ও মহানগর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব এম এ হক বলেছেন, ক্ষমতাসীন ফ্যাসিবাদী সরকারের দিন ফুরিয়ে আসছে। সরকারের দালাল সিইসি ঘোষিত একতরফা নির্বাচনী তফসিলের বিরুদ্ধে  ১৮ দলীয় জোট ঘোষিত ১ম দফার পর ২য় দফার  টানা অবরোধে দেশপ্রেমিক জনতার স্ব:স্ফুর্ত অংশগ্রহণ দেখে সরকারের পায়ের তলা থেকে মাটি সরে গেছে। অবৈধ সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত জনতার আন্দোলন থামানো যাবে না। গুলী করে নিরীহ গনতন্ত্রকামী মানুষকে হত্যার নৃশংস রাজনীতি অবিলম্বে বন্ধ করুন। একদিকে রাজপথে দেশপ্রেমিকার জনতার রক্তাক্ত লাশ, অপরদিকে একতরফা নির্বাচনের মনোনয়ন পত্র জমাদানের নাটক জাতির সাথে উপহাসের শামিল। এই নাটক বন্ধ করুন । আওয়ামীলীগের আজ্ঞাবহ দাস  এই দালাল সিইসির অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে কোন দেশপ্রেমিক মানুষ অংশ নিতে পারে না। অবিলম্বে অবৈধ সরকারের সকল অবৈধ মন্ত্রী এবং দালাল সিইসি কে পদত্যাগ করতে হবে। হত্যা, নির্যাতন, গ্রেফতার  ও নৃশংসতা চালিয়ে  গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন দমানো যাবেনা। দেশপ্রেমিক জনতা ৪ দিনের ন্যায় বুধবার ও আগামীকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত টানা অবরোধ  পালন করবে সিলেট তথা দেশের আপামর জনতা।
মঙ্গলবার ১৮ দলীয় জোট ঘোষিত টানা অবরোধ কর্মসূচির ৪র্থ দিনে সিলেটের রাজপথ, সড়ক পথ ও রেলপথ অবরোধ করেন সিলেট জেলা ও মহানগরের ১৮ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা। সকাল থেকে নগরীর কুমারগাও বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন বাইপাস মোড়, হুমায়ুন রশিদ চত্বর ও সিলেট রেলওয়ে স্টেশনে সর্বাত্মক অবরোধ গড়ে তোলেন ১৮ দলীয় জোটভুক্ত দলের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। অবরোধ চলাকালে হাজার হাজার জনতার উপস্থিতিতে কদমতলী পয়েন্টে বিশাল মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের আয়োজন করে ১৮ দলীয় জোট। মিছিল পরবর্তী সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে আলহাজ্ব এম এ হক উপরোক্ত কথা বলেন।
১৮ দলীয় জোট সিলেট মহানগর সদস্য সচিব ও নগর জামায়াতের নায়েবে আমীর হাফিজ আব্দুল হাই হারুন এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, সিলেট জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি সাবেক এমপি দিলদার হোসেন সেলিম, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, ডা: শাহরিয়ার হোসেন চৌধুরী, মহানগর জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমীর ডা: সায়েফ আহমদ, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকী, সিনিয়র সহ-সভাপতি নাসিম হোসাইন, সহ-সভাপতি বদরুজ্জামান সেলিম, মহানগর জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারী মোঃ ফখরুল ইসলাম, জেলা দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারী ও সিলেট জেলা ১৮ দলের জোটের সদস্য সচিব মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান, খেলাফত মজলিসের মহানগর সহ-সভাপতি আব্দুল হান্নান তাপাদার ও শাহ আশিকুর রহমান, ইসলামী ঐক্যজোট মহানগর সভাপতি মুফতি ফয়জুল হক জালালাবাদী, লেবার পার্টির মহানগর সভাপতি মাহবুবুর রহমান খালেদ, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রব চৌধুরী ফয়সল, মহানগর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজমল বখত চৌধুরী সাদেক, দক্ষিণ সুরমা ্উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা দক্ষিণ জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী মাওলানা লোকমান আহমদ ও মাওলানা ফারুক আহমদ, মহানগর খেলাফত মজলিসের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ আব্দুল হান্নান, মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী মাওলানা সোহেল আহমদ ও মোঃ শাহজাহান আলী, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আলী আহমদ ও মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক প্যানেল মেয়র কাউন্সিলর রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, মহানগর জমিয়তের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল মালিক চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা দল মহানগর আহবায়ক সালেহ আহমদ খসরু, জেলা যুবদল সভাপতি আব্দুল মান্নান ও সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদ মামুন, যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ব্যারিষ্টার এম এ সালাম, মহানগর বিএনপির প্রচার সম্পাদক ওমর আশরাফ ইমন, সহ-দপ্তর সম্পাদক মাহবুব কাদির শাহী, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা জামায়াতের আমীর সাব্বির আহমদ ও সেক্রেটারী রেহান আহমদ হারিছ, জমিয়তের মহানগর প্রচার সম্পাদক মাওলানা আব্দুল মওলা, বিএনপি নেতা নজিবুর রহমান নজিব, ফয়সল আহমদ চৌধুরী,  মঈনুদ্দিন সুহেল, লল্লিক আহমদ চৌধুরী, সৈয়দ বাবুল হোসেন, জিয়াউর রহিম দীপন, কাউন্সিলর সৈয়দ তৌফিকুল ইসলাম হাদী, জামায়াত নেতা এডভোকেট জিয়াউদ্দিন নাদের, হাকিম নাজিম উদ্দিন, মাওলানা আব্দুল মুকিত, মুফতি আলী হায়দার, মাওলানা মুজিবুর রহমান, আব্দুল্লাহ আল মুনিম, জেলা ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক সৈয়দ সাফেক মাহবুব, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল হক চৌধুরী, মহানগর ছাত্র শিবিরের সভাপতি এডভোকেট আনোয়ারুল ওয়াদুদ টিপু, সেক্রেটারী আব্দুর রাজ্জাক ও সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুক আহমদ, ইসলামী ছাত্র মজলিসের মহানগর সভাপতি জাবেদুল ইসলাম চৌধুরী, ছাত্র জমিয়ত মহানগর সভাপতি হাসান আহমদ, জিয়া মঞ্চ মহানগর সভাপতি শাহজাহান সেলিম বুলবুল, বিএনপি নেতা ডা: আশরাফ আলী, আব্দুস সাত্তার, আব্দুল আহাদ হেলাল, আফজল আহমদ, রেজ্উার রহমান, দুলাল আহমদ, মকবুল আহমদ, কয়েস আহমদ সাগর, পিয়ার  উদ্দিন পিয়ার, মইনুল হক স্বাধীন, ছাত্রদল নেতা আহমদ চৌধুরী ফয়েজ, সালেহ আহমদ খান, কামরুজ্জামান দীপু, অর্জুন ঘোষ, কোহিনুর আহমদ, লোকমান আহমদ, কাজী মেরাজ, নেছার আলম শামীম, নজরুল ইসলাম, জেহিন আহমদ, আব্দুর রকিব চৌধুরী, মকসুদ আহমদ, আব্দুল হাশিম জাকারিয়া, জাহেদ আহমদ তালুকদার, আলী আকবর রাজন প্রমুখ।
নেতৃবৃন্দ চলমান টানা অবরোধ সফল করায় পরিবহন মালিক, শ্রমিক, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দসহ সিলেটবাসীর প্রতি অভিনন্দন জানান এবং অব্যাহত অবরোধকে সফল করার জন্য সিলেটবাসীর প্রতি আহবান জানান। তারা বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের স্বার্থে দেশপ্রেমিক জনতা স্বতঃস্ফূর্ত অবরোধ চলছে এবং চলতে থাকবে। সরকার বন্দুকের জোরে ক্ষমতার মেয়াদ দীর্ঘয়িত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জনগণের প্রতিপক্ষ বানানোর ঘৃন্য খেলায় মেতে উঠেছে। প্রশাসনের ক্ষতিপয় অতিউৎসাহী কর্মকর্তা সরকারের লাঠিয়াল বাহিনীর ন্যায় দেশপ্রেমিক নাগরিককে গুলী করে হত্যার মহোৎসবে মেতে উঠেছে। এই সব কর্মকর্তাদের ভুলে গেলে চলবে না যে, এই সরকারী শেষ সরকার নয়। আপনারাও আইন ও বিচারের উর্ধ্বে নন। একটি অবৈধ শক্তির তাবেদারী করতে গিয়ে জনগণের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে অতীতে কেউ ঠিকে থাকতে পারে নি। ভবিষ্যতেও পারবে না। নিরীহ নেতাকর্মীদের গুলী করে হত্যার মত নৃশংস ধ্বংসযজ্ঞ বন্ধ করার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান তারা। – See more at: http://www.dainiksylhet.com/details/newsdetails/1897#.Up3L9Sd10f0

You may also like

Leave a Comment