ডেস্ক রিপোর্ট:তথ্যমন্ত্রী বলেন‘কতিপয় রাজনৈতিককর্মী, প্রশসনের কর্মচারী-কর্মকর্তা ও ব্যবসায়িদের যোগসাজসে ঘটা যেকোন দুর্নীতির অপপ্রয়াসের বিষয়ে গণমাধ্যমকে সজাগ থাকতে হবে’ ।
মঙ্গলবার বিকেলে বাংলাদেশ প্রেস ইন্সটিটিউট সেমিনার হলে সরকারি ক্রয় ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সাংবাদিক প্রশিণ কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী একথা বলেন।
সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট টেকনিক্যাল ইউনিট (সিপিটিইউ) এবং বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম এর সহায়তায় বাংলাদেশ প্রেস ইন্সটিটিউট এই কর্মশালা আয়োজন করে। সচিবালয় বিটের প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্য্রমের ৩০ জন সাংবাদিক কর্মশালায় অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ প্রেস ইন্সটিটিউটের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও দৈনিক সমকালের সম্পাদক গোলাম সরওয়ার।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির এ যুগে প্রশাসন ক্রমেই একটি স্বচ্ছ ঘরে রূপান্তরিত হচ্ছে। তাই দুর্নীতি চিহ্নিত করাও এখন সহজ। এখানে গণমাধ্যমের ভূমিকা দুর্নীতিরোধে অত্যন্ত সহায়ক হবে যদি তারা প্রকৃত দুর্নীতিবাজকে চিহ্নিত করেন।
পাবলিক প্রকিউরমেন্ট এ্যাক্ট বা সরকারি ক্রয় অধ্যাদেশ এর উদ্দেশ্য কেনাকাটায় স্বচ্ছতা এবং প্রতিযোগিতামূলক বাজার বজায় রাখা, উলেখ করে মন্ত্রী বলেন, এ ল্েয শেখ হাসিনার সরকার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এবং দুর্নীতি দমন কমিশনসহ সংশিষ্ট সংস্থাগুলোকে আরো শক্তিশালী করেছে।
‘এ কারণেই শেখ হাসিনার সরকারের আমলে দুর্নীতি করে উপার্জিত অর্থ ভোগ করা কঠিন। দেশি বা বিদেশি সংস্থাসহ দুর্নীতিবাজ যেই হোক তাকে আইনের আওতায় আনা হবে’, বলেন হাসানুল হক ইনু।
কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীণ ও মূল্যায়ন বিভাগের সচিব মোঃ শহীদ উলাহ খন্দকার, সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট টেকনিক্যাল ইউনিট (সিপিটিইউ) এর মহাপরিচালক মোঃ ফারুক হোসেন এবং বিশ্বব্যাংকের লিড প্রকিউরমেন্ট স্পেশালিস্ট ড. জাফরুল ইসলাম।
