শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো ছাত্রলীগের ক্যাডাররা দখল করে রেখেছে। ৫ আগস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান।
এরপর গা ঢাকা দেয় সারাদেশে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর ধীরে ধীরে তারা ফিরতে শুরু করেছে। ফিরে এসে তারা আড়ালে আবডালে থাকলেও শাবিপ্রবিতে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। শাবিপ্রবির হলগুলো সাধারণত শিক্ষার্থীর নাম ধরে দখল করে রেখেছে ছাত্রলীগ ক্যাডাররা। তাদের হল থেকে বের হয়ে যেতে বললে তারা বের না হয়ে উল্টো বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে হুমকি দিয়েছে বলে শোনা গেছে। সাধারণ শিক্ষার্থীর ব্যানারে তারা ক্যাম্পাসে বৈষম্য আন্দোলনের বিরুদ্ধে মিছিল করে। কিন্তু সাধারণ শিক্ষার্থীর নামে মিছিল করলেও এরা সবাই ছিল ছাত্রলীগের চিহ্নিত কর্মী।
বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন থেকে সবাইকে হল ছেড়ে পরবর্তীতে নিয়ম মেনে আবার বৈধ ছাত্রদের সিট বরাদ্দ দেওয়ার কথা জানানো হয়। কিন্তু চিহ্নিত ছাত্রলীগের ক্যাডাররা এতে কর্ণপাত না করে ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠে এবং লাখো ছাত্র জনতার আন্দোলনের ফসল স্বৈরাচার মুক্ত বাংলাদেশে রীতিমতো বিদ্রোহ ঘোষণা করেছে।
85ebc3fc-1687-4657-958d-f302232b4fb0
এতে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও আশপাশে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। যেকোনো সময় ঘটতে পারে অপ্রীতিকর ঘটনা। স্থানীয় অনেকে জানান যে ছাত্রলীগ ছাত্র-জনতার শত্রু, মানবতার শত্রু, যাদের বাংলাদেশের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর অধিকার নেই তারা কোন বলে শাবিপ্রবিতে এত স্পর্ধা দেখানো সাহস পেলো। তাই তাদের অবিলম্বে এদের প্রতিহত করতে হবে, প্রয়োজনে ছাত্র-জনতাকে আবারও মাঠে নামতে হবে।
