169
সিলেট জেলা ও দায়রা জজ মিজানুর রহমান বলেছেন- পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনের ত্রুটির কারণে অপরাধীরা পার পেয়ে যায়। বিচারপ্রার্থীরা ন্যায় বিচার পাওয়া থেকে বঞ্চিত হন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর থেকে আদালতে মামলা হচ্ছে কম। ওই মামলাগুলো নিয়েও তারা খুব বেশি তৎপর নন। দায়সারাভাবে তারা মামলা পরিচালনা করছেন। পুলিশ মাদকসেবী ও ছোটখাটো বিক্রেতাকে গ্রেফতার করে ঠিকই কিন্তু প্রতিবেদনের দুর্বলতার কারণে তারা বেরিয়ে যায়।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জেলা জজ আদালতের সম্মেলন কক্ষে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স ২০১৪ ও শিশু আইন ২০১৩ বিষয়ক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।
তিনি আরো বলেন- শিশু আইন ২০১৩ অনুযায়ী অপরাধের সাথে জড়িত কোন শিশুর হাতে হাতকড়া পরাতে পারবেন না। কোমরে দঁড়ি লাগাতে পারবেন না। প্রত্যেক জেলায় আলাদা শিশু আদালত থাকতে হবে। যে আদালতে শিশুদের হাজির করা হবে ওই আদালতে কোন কাঠগড়া থাকবে না। বিচারকের এজলাসের সামনেও থাকবে না লালকাপড়। প্রত্যেক থানায় আলাদা শিশু অফিসার থাকবে। শিশুদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অভিযোগ কেবলমাত্র ওই কর্মকর্তা তদন্ত করবেন এবং শিশুকে জামিনও দিতে পারবেন।
সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল কাদেরের সভাপতিত্বে ও সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবুর রহমান ভূইয়ার পরিচালনায় কনফারেন্সে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সিলেটের পুলিশ সুপার নূরে আলম মিনা, জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাজমুল হোসেন চৌধুরী, মো. কুদরত ই খোদা, এডিশনাল পাবলিক প্রসিকিউটর শামসুল ইসলাম, জেলা বারের সভাপতি রুহুল আনাম চৌধুরী মিন্টু, সিনিয়র আইনজীবী ই এ শহীদুল ইসলাম শাহীন, এডভোকেট রেজাউল করিম, এডভোকেট মনির উদ্দিন আহমদ, এডভোকেট আবদুল গফফার, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সিলেটের উপ পরিচালক মলয় ভূষন চক্রবর্তী, জেল সুপার কামাল হোসেন প্রমুখ।
