টনি অ্যাবোটের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, ‘স্যাটেলাইটের ছবিতে ওই ধ্বংসাবশেষের চিত্র দেখা গেছে। স্যাটেলাইটে ধারণকৃত চিত্রের দিক অনুসরণে সেখানে একটি উদ্ধারকারী বিমান পাঠানো হয়েছে।
মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুর থেকে বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা করে ঘন্টাখানেক পরেই নিখোঁজ হয় উড়োজাহাজটি। নিখোঁজ উড়োজাহাজটির সন্ধানে বিশ্বের প্রায় ২৬টি দেশ একত্রে ‘ম্যাসিভ অপারেশন’ পরিচালনা করছে। নিখোঁজ বিমানটির সন্ধানে বাংলাদেশও বঙ্গোপসাগরে অনুসন্ধান অভিযান পরিচালনা করে।
সর্বশেষ অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ার নৌবাহিনী সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে অনুসন্ধানকাজ চালিয়ে যাচ্ছে। স্যাটেলাইট চিত্রে যে দুটি ধ্বংসাবশেষের সন্ধান মিলেছে এটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরেই সঠিকভাবে বলা সম্ভব হবে যে আসলেই নিখোঁজ মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের কিনা।’
টনি অ্যাবোট সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ‘এটি খুবই জটিল উদ্ধারকাজ। ধ্বংসাবশেষ দুটি নিখোঁজ উড়োজাহাজের নাও হতে পারে।’ এর আগে একাধিকবার বিভিন্ন ধ্বংসাবশেষের সন্ধান মিললেও সেগুলো নিখোঁজ মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের ছিলো না।
চলতি সপ্তাহের শুরুতে মালয়েশিয়া ভারত মহাসাগরের দক্ষিণাংশে অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেয় অস্ট্রেলিয়াকে। তদন্তকারী দলটি উড়োজাহাজে মজুত তেলের হিসাবে অনুসন্ধান এলাকা চিহ্নিত করেন। উড়োজাহাজটিতে যে পরিমাণ জ্বালানি ছিলো এতে সাত ঘন্টা আকাশে উড়া সম্ভব।
