সিলেটের খবর ডেস্ক: জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ৫ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে। আদালত থেকে তাকে নেয়া হয়েছে পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে। বর্তমানে তিনি সেখানেই থাকবেন।
খালেদা জিয়ার রায় নিয়ে কথা বলেছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। আদালত রায় দিয়েছেন, আমরা সেটাকে সম্মান করি। রায়ে প্রতিক্রিয়া জানানোর কিছু নেই। রায়ে আমরা খুশি না অখুশি, এটা বড় বিষয় নয় বলে মনে করেন সাবেক এই রাষ্ট্রপতি।
পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রেস অ্যান্ড পলিটিক্যাল সেক্রেটারি সুনীল শুভ রায় এ তথ্য জানান।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, জাতীয় পার্টি সব সময় আইনের শাসনের পক্ষে এবং আদালতের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। একটি বিচারাধীন বিষয়ে আমাদের কিছু বলার নেই। এদিকে, বৃহস্পতিবার সংসদে আলোচনায় অংশ নিয়ে জাপার সাংসদ ইয়াহইয়া চৌধুরী বলেন, ২৮ বছর আগে কারাগারে থাকা অবস্থায় হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ একটি বরইগাছ লাগিয়েছিলেন। সেই গাছে এখন বরই ধরেছে। কারাবিধান অনুযায়ী এ বরই খাওয়া যাবে কি না জানি না। সুযোগ থাকলে খালেদা জিয়াকে সেই বরই খেতে দেয়া হোক।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে রাজধানীর বকশীবাজারের কারা অধিদপ্তরের প্যারেড গ্রাউন্ডে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫–এর বিচারক ড. আখতারুজ্জামান জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দেন।
এছাড়া জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টে দুর্নীতি মামলায় বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ৫ জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তাদের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে দুর্নীতির কারণে কারাবরণ করতে হল।
