247
সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার হবিবপুর ইউনিয়নের নোয়াগাঁওয়ে গত ২৪ মার্চ, বুধবার দুপুর ২টায় সনাতন ধর্মালম্বীদের বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাটে ক্ষতিগ্রস্ত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা সিলেট বিভাগীয় প্রতিনিধি সৈয়দ আকরাম আল সাহানের নেতৃত্বে একটি টিম।পরিদর্শক টিমের অন্যান্য সদস্যরা হচ্ছেন মানবাধিকার কর্মী মোঃ আরিফুল রহমান, সংস্থার দিরাই উপজেলা শাখার সভাপতি মুজিবুর রহমান মুজিব, কামিল আহমদ, সাইদুল ইসলাম ও রনি ইসলাম।

জানা গেছে, নাচনী গ্রামের স্বাধীন মেম্বার স্থানীয় বরাম হাওরের কুচাখাই বিলের ইজারাদার। জলমহাল নিয়ে স্বাধীনের সাথে কিছুদিন ধরে গ্রেফতারকৃত যুবক ঝুমন দাশ সহ নোয়াগাঁও এর কিছু লোকের বিরোধ চলছিলো। জলমহালের অবৈধভাবে মৎস্য আহরণ ও জলমহালের পানি শুকানোর ফলে চাষাবাদে সেচের পানির সংকটের ব্যাপারে নোয়াগাঁও এর হরিপদ দাশ ও মুক্তিযোদ্ধা জগদীশ চন্দ্র দাম শাল্লা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে স্বাধীন মেম্বারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে স্বাধীন মেম্বার হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদেরকে হুমকী-ধমকি দিয়ে আসছিলো।
ঝুমন দাসের ফেইসবুকের ইস্যুকে কাজে লাগিয়েছে স্বাধীন মেম্বার ও তার লোকজন। স্থানীয় প্রশাসন বিষয় অবগত হওয়ার পরও সময় মত প্রদক্ষেপ গ্রহণ না করায় অনাঙ্খিত ঘটনা ঘটে। বুধবার সরেজমিনে হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ভোক্তভোগীয় স্থানীয়দেও সাথে কথা বলে জানা যায়, নোয়াগাঁও হিন্দুদেও ঘর-বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের মূল নেতৃত্বে ছিলেন দিরাই উপজেলার নাচনা গ্রামের বর্তমান ইউপি সদস্য যুবলীগ নেতা শহীদুল ইসলাম স্বাধীন ও একই গ্রামের ক্ষমতাধর আরেক ব্যক্তি পক্কন মিয়া। সংস্থার পক্ষ থেকে এই হামলার তীব্র নিন্দা এবং প্রকৃত হামলাকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবী জানানো হয়।
