আন্তর্জাতিক ডেস্ক :: তসলিমা নাসরিন রোববার হিন্দু ধর্ম সমন্ধে টুইটারে লিখেছেন, হিন্দু ধর্মের সর্বোৎকৃষ্ট দিক হচ্ছে যৌন কামনা । কিন্তু কিছু হিন্দু রক্ষণশীল খ্রীস্টানদের দ্বারা এতটাই প্রভাবিত যে তারা লিঙ্গ পুজার ব্যাপারে লজ্জা অনুভব করে।
এটা বিশ্বাস করা হয় শিবের লিঙ্গ ঋষিদের দ্বারা অভিশাপ প্রাপ্ত হয়ে পৃথিবীতে পতিত হয় ও তার সামনে সকল কিছুকে পুড়িয়ে দিতে থাকে। এসময় শিবের স্ত্রী পার্বতী একটি যোনির আকার ধারণ করে শিবের লিঙ্গ ধারণ করে সেটিকে শাšত্ম করে।
তিনি বলেন, হিন্দু ধর্মানুসারীরা শুধু পুরুষ লিঙ্গের পূজাই করে না, তারা যোনি পূজাও করে। হিন্দু পুরাণতত্ত্বের যৌনকামনা উদ্রেককারী অংশ মুগ্ধকর, কিন্তু সত্য হচ্ছে যে অন্যান্য ধর্মের মত হিন্দু ধর্মও পিতৃতান্ত্রিক ধর্ম। সেখানে স্বামী ও ছেলের মঙ্গল কামনায় মেয়েদের জন্য অনেক আচার-অনুষ্ঠান রয়েছে, কিন্তু পুরুষদের জন্য তাদের স্ত্রী ও কন্যার মঙ্গল কামনায় কোনো আচার-অনুষ্ঠান নেই।
লেখিকা, চিকিৎসক, ধর্মনিরপেক্ষ মানবতাবাদী ও মানব অধিকার কর্মী তসলিমা নাসরিন নারী অবদমনের ওপর তার শক্তিশালী লেখা ও ধর্মের অপ্রতিহত সমালোচনার জন্যে তিনি দেশ ত্যাগে বাধ্য হন। তাকে হত্যার জন্য বাংলাদেশে জারি করা হয়েছিল একাধিক ফতোয়া। যার কারণে তিনি বাংলাদেশে থেকে নির্বাসনে যেতে বাধ্য হন । তিনি প্রায়ই তার ভিন্নধর্মী দৃষ্টিভঙ্গী ও তীর্যক মšত্মব্যের কারণে বিতর্কিত ও সমালোচিত।
এর আগে তিনি বলেছিলেন, ‘২১ শতকে ধর্মের কোনো স্থান নেই’। পোপের পদত্যাগের পর তিনি বলেছিলেন, আর কোনো নতুন পোপের দরকার নেই।
