সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের যুগপূর্তি অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক

by News Room

স্টাফ রিপোর্টার : সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, গণমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। একটি গণতান্ত্রিক, জবাবদিহিমূলক ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে অনলাইন গণমাধ্যমের গুরুত্ব ও প্রভাব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের কার্যালয়ে আয়োজিত প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও এক যুগপূর্তি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সিসিক প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেন। সমাজের যেকোনো অনিয়ম, দুর্নীতি কিংবা জনদুর্ভোগের বিষয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়। তাই দায়িত্বশীল ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

তিনি সিলেটের অনলাইন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মাধ্যমে জনস্বার্থ রক্ষায় তাদের ভূমিকা আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ গোলজার আহমদ হেলালের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এম. সাইফুর রহমান তালুকদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, সিলেট মহানগর জামায়াতের আমির মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মাসুদ রানা, সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য আফতাব চৌধুরী, সিলেট জেলা কর আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি সিরাজুল ইসলাম আলমগীর, সিলেট জেলা পুলিশের পরিদর্শক জাবেদ আহমদ, এসিড সন্ত্রাস নির্মূল কমিটির সাধারণ সম্পাদক জুরেজ আব্দুল্লাহ গুলজার এবং ইস্পাহানি টি লিমিটেডের সিনিয়র ডিভিশনাল ম্যানেজার আনিছুজ্জামান পাটোয়ারী।

অনুষ্ঠানে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ও পেশাজীবী নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে আগত অতিথিদের স্বাগত জানান সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল মুহিত দিদার, সহ-সভাপতি জহিরুল ইসলাম মিশু, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি সম্পাদক তারেক আহমদ খান এবং কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য মো. মোশাহিদ আলী ও সাদিকুর রহমান চৌধুরী।

You may also like

Leave a Comment