প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ শেভরন শিক্ষা বৃত্তি বিতরণী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন,
সুশিক্ষা গ্রহণ করে পরীক্ষায় এ+প্লাস পাওয়ার পাশাপাশি এ+প্লাস মানুষ
হিসেবে গড়ে উঠার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে হবে। সমাজের পিছিয়ে পড়া ও
দরিদ্র-মেধাবী শিক্ষার্থীদের সামনে এগিয়ে যেতে শেভরণ বাংলাদেশ-এর মতো
প্রতিষ্ঠান পাশে থাকবে।
সিলেট মহানগরীর মির্জাজাঙ্গাল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে গত সোমবার ট সার্ভিস
সেন্টার (বিডিএসসি) শেভরন শিক্ষাবৃত্তি ও উপকরণ বিতরণী অনুষ্ঠানে বক্তারা
একথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শেভরন বাংলাদেশ-এর কো-অডিনেটর (কমিউনিটি
এনগেজমেন্ট) পারভেজ কামাল পাশা। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা মাধ্যমিক শিক্ষাকর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম, বিডিএসসি’র টীম লিডার জহুরুল ইসলাম, বিশিষ্ট
সমাজসেবী ফকরুজ্জামান। বক্তব্য রাখেন, প্রধান শিক্ষক বাহার উদ্দিন আকন্দ,
হেলাল উদ্দিন আহমেদ, সঞ্চিতা চক্রবর্তী, রসেন্দ্র চক্রবর্তী, উম্মে
বারাকাত প্রমুখ। আরো উপস্থিত ছিলেন, বিডিএসসি’র প্রজেক্ট অফিসার অলিয়ার
রহমান প্রমুখ। সভাপতিত্ব করেন ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মইন উদ্দিন আহমদ।
এদিকে বিকেলে কিশোরী মোহন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত শেভরন
শিক্ষাবৃত্তি ও উপকরণ বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শেভরন
বাংলাদেশ-এর কো-অডিনেটর (কমিউনিটি এনগেজমেন্ট) পারভেজ কামাল পাশা। বিশেষ
অতিথি ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পুলিন চন্দ্র রায়,
বিডিএসসি’র টীম লিডার জহুরুল ইসলাম। বক্তব্য রাখেন, প্রধান শিক্ষক রমেশ
চন্দ্র আদিত্য, জহুরা আক্তার খানম, রায়হানা আক্তার মীম প্রমুখ। আরো
উপস্থিত ছিলেন ম্যানেজিং কমিটির সদস্য কৃষ্ণপদ, বিডিএসসি’র প্রজেক্ট
অফিসার অলিয়ার রহমান প্রমুখ। সভাপতিত্ব করেন ম্যানেজিং কমিটির সদস্য
আহমেদ হান্নান।অনুষ্ঠানে মির্জাজাঙ্গাল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪৫ শিক্ষার্থী ও কিশোরী
মোহন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪৫জন শিক্ষার্থীদের প্রত্যেককে নগদ তিন হাজার
টাকা ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, শিক্ষা উপকরণ হিসেবে
একটি ব্যাগ, ১২টি খাতা, ২০টি পেন, ৬টি পেন্সিল, ৪টি করে রাবার ও কার্টার,
একটি করে জ্যামিতি বক্স ও স্কেল দেয়া হয়েছে।
