সিলেটে বন্যার্তদের মাঝে চাল ও নগদ অর্থ বিতরণ

by News Room

স্টাফ রিপোর্টার : সিলেট সদর উপজেলার সোনাতলায় সিরাজুল ইসলাম আলীম মাদ্রাসা মাঠে শনিবার সকালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে জিআর খাদ্যশস্য ও নগদ অর্থ বিতরণ এবং বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাট এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি চাল ও নগদ অর্থ বিতরণ এবং রাজারগাঁও জামিউল উলুম মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে নির্মিতব্য আশ্রয়কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার খোশনূর রুবাইয়াৎ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শীর্ষেন্দু পুরকায়স্থ এবং সঞ্চালনা করেন পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবুল মনসুর আসজাদ। এতে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামিম, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী, উপজেলা কৃষি অফিসার শওকত জামিল, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাশেম ও সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমানসহ বিভিন্ন ইউপি চেয়ারম্যান, সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় সিলেট সদরের ৭টি ইউনিয়নের দুঃস্থ ২ হাজার পরিবারের প্রত্যেককে ৩০ কেজি করে মোট ৬০ মেট্রিক টন চাল এবং ৭০০ পরিবারকে এক হাজার টাকা করে মোট সাত লাখ টাকা বিতরণ করা হয়। এছাড়া সাম্প্রতিক প্রবল বর্ষণে মোগলগাঁও ইউনিয়নের হাওর অঞ্চলে ক্ষতিগ্রস্ত ১৫০ কৃষককে মে ও জুন মাসের সহায়তা হিসেবে প্রত্যেককে ৩০ কেজি করে মোট সাড়ে চার মেট্রিক টন চাল এবং ছয় হাজার টাকা করে মোট নয় লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে।

একই অনুষ্ঠানে হাটখোলা ইউনিয়নের রাজারগাঁও জামিউল উলুম মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে চার কোটি ত্রিশ লাখ চুরানব্বই হাজার একশত তিন টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো সরকারের অগ্রাধিকার। পাশাপাশি বন্যাপ্রবণ ও নদীভাঙন এলাকায় টেকসই আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গুণগত মান বজায় রেখে প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ত্রাণ সামগ্রী প্রকৃত সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেন। শেষে তিনি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসনের কার্যক্রমের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

You may also like

Leave a Comment