583
শনিবার(৬ ফেব্রুয়ারী) সকাল ১১ টায় এবি পার্টি সিলেট অঞ্চলের বিভিন্ন উপজেলা ও থানা নেতৃবৃন্দ কে নিয়ে এক রাজনৈতিক কর্মশালা এবং প্রতিনিধি সম্মেলন স্থানীয় একটি কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়।

সিলেট অঞ্চলের সমন্বয়ক কেন্দ্রীয় সহকারী সদস্য সচিব ওমর ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টির আহ্বায়ক এএফএম সোলায়মান চৌধুরী, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুগ্ম আহ্বায়ক এডভোকেট তাজুল ইসলাম, সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মন্জু, সহকারী সদস্য সচিব নাজমুল হুদা অপু।
এছাড়া প্রতিনিধি সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন- এডভোকেট নাজমুল ইসলাম সোহেল, এডভোকেট হোসাইনুর রহমান লায়েছ, জসিম উদ্দিন, যুবনেতা তানজিল নাফি, মাহমুদুল হাসান, মাওলানা আরিফুল হক ইদ্রিস, জাহাঙ্গীর আলম, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ, আম্বিয়া হোসেন প্রমূখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এএফএম সোলায়মান চৌধুরী বলেন রাষ্ট্রের মালিক জনগণ। ধনী-গরীব নির্বিশেষে এই জনগণই রাষ্ট্র কে ট্যাক্স প্রদান করে বাঁচিয়ে রাখে। অথচ জনগণের কাছে রাষ্ট্রের শাসকদের কোন জবাবদিহিতা নাই। একদল লুটেরা শাসক রাষ্ট্র ক্ষমতাকে জিম্মী করে নিজেদের পকেট ভারী করছে। তিনি বলেন জনগণ আজ অধিকার হারা। সাধারণ মানুষ সবার আগে ভোটের অধিকার ফেরত চায়। জাতীয় সরকার গঠন করে অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান ছাড়া গণতন্ত্র পুনরোদ্ধারের কোন বিকল্প নাই।
বিশেষ অতিথি এডভোকেট তাজুল ইসলাম বলেন নিজের মাতৃভূমি, পরিবার, ধর্ম ও দেশের মায়া ছেড়ে প্রতিবছর বাংলার লক্ষ লক্ষ মানুষ দেশত্যাগ করে ইউরোপ, আমেরিকা, আরব সহ বিভিন্ন দেশে পাড়ি দিচ্ছে। এর কারণ কী? একটু ভাল জীবন জীবিকার জন্য এই দেশান্তর হওয়া প্রমাণ করে দেশাত্মবোধ ও ধর্মের চাইতেও জীবনের মৌলিক চাহিদার গুরুত্ব বেশী। তিনি বলেন রাষ্ট্রের মূল কাজ হচ্ছে জনগণের অধিকার নিশ্চিত করা। এবি পার্টি রাষ্ট্র কে অধিকার প্রতিষ্ঠার কার্যকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলবে।
মজিবুর রহমান মন্জু বলেন, বাংলাদেশে ছোট বড় কয়েকশত রাজনৈতিক দল আছে। এত দল থাকতে এবি পার্টি কেন নবীনতম দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলো তা একটি বড় প্রশ্ন? আমাদেরকে সে প্রশ্নের পরিস্কার জবাব দিতে হবে। ১৪ দলীয় জোট, ২০ দলীয় জোট ও বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট সহ গত ৫০ বছর যারা সরাসরি ক্ষমতায় বা পরোক্ষভাবে ক্ষমতার অংশীদার ছিলন তারা কেউ দুর্নীতি, ভোট চুরি, বিরোধী মত দলন ও পরিবারতন্ত্রের দায় এড়াতে পারেন না। তিনি বলেন এবি পার্টিকে গণতান্ত্রিক দল হিসেবে গড়ে তোলা আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। মতবাদ নয় কর্মসূচি ভিত্তিক দলই জাতির জন্য কল্যানকর রাষ্ট্র নিশ্চিত করবে তা আমরা কাজ দিয়ে প্রমাণ করবো।
সম্মেলন শেষে উপজেলা ও থানা প্রতিনিধিদের মতামতের ভিত্তিতে এডভোকেট নাজমুল ইসলাম সোহেল কে আহ্বায়ক ও এডভোকেট হোসাইনুর রহমান লায়েছ কে সদস্য সচিব করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট জেলা আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।
