ডেস্ক রিপোর্ট ::র্যাব বিলুপ্তি নয়, সংস্কার করে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপমুক্ত স্থায়ী বাহিনী গঠনের পরামর্শ দিয়েছেন দেশের রাজনীতিক, শিক্ষাবিদ, নিরাপত্তা বিশ্লেষক, ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদরা। গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিন আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে র্যাবের সংস্কারের জন্য নানান পরামর্শ তুলে ধরেছেন তারা। বক্তারা বর্তমান বাস্তবতায় র্যাবের অপরিহার্যতা তুলে ধরে এর আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের দাবি জানান। তারা র্যাবের জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে কমিশন গঠনের পরামর্শ দেন। সেই সঙ্গে র্যাবের কার্যক্রম থেকে রাজনৈতিক সংশ্রব দূর করার কথা তুলে ধরে বক্তারা বলেন, প্রয়োজনে পুলিশের অধীন থেকে র্যাবকে বের করে আনতে হবে। প্রতিটি সদস্যের কাজের সার্বক্ষণিক তদারকির জন্য আলাদা শাখা গঠন করতে হবে। র্যাবের নিজস্ব প্রসিকিউশন শাখা গড়ার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন কেউ কেউ।
বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজামের সঞ্চালনায় রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের কনফারেন্স কক্ষে আয়োজিত ‘র্যাব বিলুুপ্তির দাবি ও বাস্তবতা’ শীর্ষক এ গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল এম আবদুর রশিদ (অব.) বলেন, রাজনীতি নয়, ঝুঁকি মোকাবিলায় র্যাব গঠন করা হয়েছে। এখানে সামরিক বাহিনীর সদস্যদের নেওয়া হয়েছে। এখন সামরিক বাহিনীই কি শুধু বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটাচ্ছে? র্যাব প্রতিষ্ঠার আগে কি এই ধরনের হত্যাকাণ্ড হয়নি? র্যাবের একটা আইনি ভিত্তি থাকা উচিত। সংসদে আইন করে একে আইনি ভিত্তি দিতে হবে। রাষ্ট্রকে নিশ্চিত করতে হবে যে, সব বাহিনীকে সৃষ্টি করা হয়েছে জনগণের নিরাপত্তার জন্য।
সাবেক মন্ত্রী কর্নেল জাফর ইমাম (অব.) বীরবিক্রম বলেন, সাফল্যের জন্য ২০০৬ সালে র্যাবকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল। এক নারায়ণগঞ্জের কারণে যদি আপনি একটি প্রতিষ্ঠান বিলুপ্ত করেন, তাহলে কিন্তু আইনশৃঙ্খলা পরিস্তিতি টিকবে না। এ জন্য আমার পরামর্শ হচ্ছে, র্যাব বিলুপ্ত নয়, এর সংস্কার করতে হবে। জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। নিয়োগ চালু করতে হবে। আইনের সংস্কার করতে হবে। নিয়মিত বাহিনীতে রূপান্তর করতে হবে।সাবেক মন্ত্রী ও বর্তমানে সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, যখন যে সরকার গঠিত হয় তাদের দলে ধান্ধাবাজির সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। ধান্ধাবাজরাই নেতা হয়ে হয়ে ওঠে। যারা র্যাব বিলুপ্তির কথা বলছেন তারাও এর অংশ। র্যাবের যে সাফল্য তাতে দু-একটি ঘটনায় সব অর্জন ম্লান হয়ে যায় না। র্যাবের কার্যক্রমকে পুরো মনিটরিংয়ের আওতায় আনা গেলে এই ঘটনাগুলোও ঘটত না। দেশে শিশু হত্যা করে কিডনি নিয়ে যাওয়া, সুন্দরবনে জলদস্যুদের ডাকাতি ঠেকাতে র্যাবের বিকল্প নেই। তবে র্যাবের কার্যক্রমকে মনিটরিংয়ের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।
কালের কণ্ঠ সম্পাদক কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন বলেন, বাংলাদেশের একসময়ের নায়ক র্যাবের ইমেজ আজ বিতর্কিত। গুটিকয়েক ব্যক্তির কারণে র্যাব নিয়ে আজ সমালোচনার সৃষ্টি হচ্ছে। তারপরও দেশের সাধারণ মানুষ, বুদ্ধিজীবী র্যাবের পক্ষে আছে। তারা একটি স্বস্তিকর সমাজে বসবাসের জন্য র্যাবকে পাশে চায়। আমি চাই র্যাব থাকবে, সাধারণ মানুষের বন্ধু হয়ে থাকবে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল মান্নান বলেন, বিলুপ্ত না করে র্যাবকে কীভাবে আরও কার্যকর করা যায় সে দিকে দৃষ্টি দিতে হবে। আসল কথা হচ্ছে, র্যাবের সংস্কার করতে হবে। একে জবাবদিহিতার মধ্যে আনতে হবে। জানিপপের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ বলেন, শিরঃপীড়া ঘটলেই শিরñেদ করা কোনো মতেই সমর্থনযোগ্য নয়। আমি মনে করি এই দাবি রাজনৈতিক। তবে র্যাবের ইমেজ সংকট সৃষ্টি হয়ে থাকলে বাহিনীর নাম পরিবর্তন করা যেতে পারে। বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল বলেন, যে উদ্দেশ্যে র্যাব গঠন করা হয়েছিল তা কি পূরণ হয়েছে? তা পূরণ হলে র্যাবের দরকার নেই। আর উদ্দেশ্য যদি পূরণ না হয়ে থাকলে তাহলে ভেবে দেখতে হবে, যে উদ্দেশ্যে র্যাব গঠন করা হয়েছিল তা কি নিয়মিত বাহিনী করতে পারবে? তবে র্যাবকে জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতার মধ্যে আনতে র্যাবের ক্ষমতা ও দায়িত্ব নির্দিষ্ট করা উচিত। র্যাবের পূর্বের কার্যক্রম পর্যালোচনা করে বাহিনীটিকে আরও সুযোগ দেওয়া উচিত।
সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ড. তুহিন মালিক বলেন, র্যাব নিজেই একটি বাস্তবতা। কিন্তু র্যাবের যথেচ্ছ রাজনৈতিক ব্যবহার হয়েছে। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, রাজনৈতিক নেতার ছেলে চুক্তি করে, জামাই বাস্তবায়ন করে, বাবা ম্যানেজ করে। এখানে র্যাবের ভাবমূর্তি কোথায় থাকে। এখন যদি সংস্কার করতেই হয় তাহলে সার্জারি করে র্যাব থেকে রাজনীতি বের করে দিলেই হয়। আবার র্যাব পুলিশের অধীনে থাকবে কি-না একটি ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল গঠন করে তার অধীনে দেওয়া হবে তা ভেবে দেখতে হবে। এ ছাড়া র্যাবের একটি ভিজিলেন্স টিম ও প্রসিকিউশন টিম গঠন করা যেতে পারে। সংস্কার করতে হলে অ্যাডহক ভিত্তিতে না করে দীর্ঘমেয়াদের জন্য একটি কমিটি করে সংস্কার করতে হবে।
সাবেক সংসদ সদস্য মেজর আখতারুজ্জামান (অব.) র্যাব বিলুপ্তির কথা যারা বলে তাদের বক্তব্য পাগলের প্রলাপ। আমাদের দেশের বিচার ব্যবস্থা ব্যয়বহুল। সাধারণ মানুষ বিচার পায় না। সেখানে র্যাবের ভূমিকায় মানুষ আস্থা পেয়েছে। দেশে যারা সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি করে তারা দানব। মানুষকে বাঁচাতে দানবকে হত্যা করা ছাড়া উপায় নেই। দানবকে হত্যা করা মানুষের অধিকার। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা হয়েছে, কিন্তু আদালত কিছু করেনি। র্যাব যা করছে তা অবশ্যই বৈধ কাজ। গত ১০ বছরে র্যাবের সাফল্য অনেক। র্যাবকে আলাদা বাহিনী হিসেবে গঠন করা উচিত। র্যাব নিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ যা বলছে তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাদের বিরুদ্ধে জাতিসংঘে অভিযোগ দেওয়া উচিত।সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনি বলেন, র্যাব নিয়ে শুরুতেই একটা আন্তঃবাহিনী দ্বন্দ্ব ছিল। সেই দ্বন্দ্বটা এখন মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। র্যাব প্রথম থেকেই তাদের কর্মকাণ্ডে পুলিশের কোনো সহযোগিতা পায়নি। এ অবস্থা দূর করতে না পারলে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাবে। র্যাব কোন আইনের বলে চলছে তা জনসাধারণের কাছে পরিষ্কার নয়। এদেশের সুশীল সমাজের সঙ্গেও যে র্যাবের দ্বন্দ্ব আছে তাতেও সন্দেহ নেই। র্যাবের যারা অপরাধে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার ব্যবস্থা থাকা উচিত। বাহিনীটিকে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মধ্যে আনা উচিত। র্যাবের সংস্কারের জন্য একে পুলিশ বাহিনী থেকে আলাদা করতে হবে। এর পোশাক পরিবর্তন করতে হবে। গুলি করার ক্ষেত্রে সাধারণ আইনের মতো ম্যাজিস্ট্রেটের বিধান রাখা যেতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। এ ছাড়া র্যাবের আইনগত ভিত্তির জন্য পৃথক অধ্যাদেশ জারি করতে হবে। র্যাবের সামনে একটি রোল ম
ডেল দাঁড় করিয়ে সরকারকে বলতে হবে, আমরা র্যাবকে গড়েছি এফবিআই বা সিবিআইয়ের মতো রোল মডেল হিসেবে।
র্যাব বিলুপ্ত না করে বরং নিয়মিত একটি বাহিনী হিসেবে পরিচালনা করা উচিত মন্তব্য করে নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আলী শিদকার (অব.) বলেন, র্যাবের কোনো সদস্য অপরাধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িয়ে পড়লে তাদের বিচার, শাস্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি র্যাবের সংস্কার এখন অপরিহার্য। পুলিশের অধীনে থাকতে থাকতে র্যাবে এখন পুলিশের কালচার ঢুকে গেছে। এ ছাড়া র্যাবে বিভিন্ন বাহিনী থেকে লোক এনে একটি জগাখিচুড়ি অবস্থার সৃষ্টি করেছে। এই পরিস্থিতির উত্তরণ ঘটিয়ে র্যাবের আইনকে সময়োপযোগী করতে হবে। অপারেশনে কোন কোন পরিস্থিতিতে মৃত্যু বিধিবদ্ধ হবে সে সম্পর্কে একটি আইনি অনুচ্ছেদ তৈরি করতে হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক অহিদুজ্জামান চান বলেন, জঙ্গি দমনে নেতৃত্বের আসনে থাকা র্যাব নিয়ে যারা কথা বলছেন তাদের উদ্দেশ্য কী তা বোধগম্য নয়। র্যাব যে উদ্দেশ্যে গঠন করা হয়েছিল তা পুরোপুরি অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত র্যাব বিলুপ্তির প্রশ্নই আসে না। পুরো রাষ্ট্রে আইনের শাসন নিশ্চিত করার আগে শুধু র্যাবের আইনি সংস্কারের কথা বলে কোনো লাভ হবে না।বেগম খালেদা জিয়া সরকারকে রাজনৈতিক ভাবে চাপে রাখার একটি কৌশল হিসেবে র্যাব বিলুপ্তির দাবি তুলেছেন বলে উল্লেখ করে মেজর জিল্লুর রহমান (অব.) বলেন, এখন র্যাবে যারা আছেন তারা প্রত্যেকেই আইনকানুন সম্পর্কে জানেন। তবে যেহেতু একটি বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে এই পরিস্থিতি থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। র্যাবকে প্রধানত তার ঊর্ধ্বতনের মোসাহেবি ত্যাগ করতে হবে। নৈরাজ্য বন্ধ করতে সাদা পোশাকে গ্রেফতার বন্ধ করতে হবে। র্যাবের সদস্যদের ওপর সুপারভিশন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে আর্মির আদলে আলাদা গোয়েন্দা বাহিনী করতে হবে।
বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সহসভাপতি জামালউদ্দিন আহমেদ প্রশ্ন তোলেন, কোথাও কোনো হত্যা বা মাদকের মামলায় যদি কোনো সংসদ সদস্য অভিযুক্ত হন, তাহলে কি জাতীয় সংসদকে বিলুপ্তি করা হবে। হাসাপাতালের কোনো চিকিৎসক যদি অপরাধে জড়িয়ে পড়েন, তাহলে কি হাসপাতাল বন্ধ করতে হবে। তাহলে র্যাব বিলুপ্ত করে কেন বাংলাদেশকে তালেবানি রাষ্ট্র বানানো হবে। তবে এটাও ঠিক সরকারকে এখন র্যাবের অভ্যন্তরীণ জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেই হবে। চিত্রপরিচালক কাজী হায়াৎ বলেন, বিলুপ্ত না করে র্যাবকে দুর্নীতি দমন কমিশনের বাহিনী হিসেবে কাজ করতে দিন। তাহলে দেশের দুর্নীতিসহ সব অনাচার দূর হয়ে যাবে। আজকের পরিস্থিতির জন্য দোষ র্যাবের নয়, দোষ আমাদের। আমরাই র্যাবকে কলুষিত করেছি। মনে রাখতে হবে, সমাজ যখন অন্যায়ের ধ্বংস করতে পারে না, তখনই সে সমাজে র্যাবের মতো বাহিনীর দরকার হয়। বাংলাদেশ সম্মিলিত ইসলামী জোটের সভাপতি হাফেজ মওলানা জিয়াউল হাসান বলেন, র্যাব বিলুপ্তির দাবি অবাস্তব। যে পুলিশের ওপর মানুষের আস্থা নেই সেখানে র্যাবের সফলতা অনেক। দু-একজনের ভুলের দায় পুরো র্যাবের ওপর দেওয়া যায় না।
বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, কোনো রাজনৈতিক প্রয়োজনে নয়, জনগণের প্রয়োজনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণে র্যাবের মতো একটি বাহিনীকে ব্যবহার করা উচিত। বিজিএমই সহসভাপতি শহীদুল আজিম বলেন, বিদেশি ক্রেতারা আমাদের কাছে এসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সম্পর্কে জানতে চায়, এখন র্যাব বিলুপ্ত করলে দেশের আইনশৃঙ্খলার অবনতি হবে। তখন ব্যবসা পরিচালনাই মুশকিল হয়ে দাঁড়াবে। নারী উদ্যোক্তা নাসরিন আউয়াল মিন্টু বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন গুরুতর। নিজের দেশে নিজেরাই ব্যবসা করতে নিশ্চিত বোধ করছি না। শুধু নারায়ণগঞ্জ নয় দেশের সব জেলাতেই গুম-খুন হচ্ছে। নারীরা নিজেদের সন্তান পরিবার নিয়ে এতই উদ্বিগ্ন যে কেউ ব্যবসা-বাণিজ্যে মনোনিবেশ করতে পারছেন না। র্যাবকে রাজনীতির ঘুঁটি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা বলেন, সন্দেহের তীর ছুড়ে কোনো বাহিনীকে দুর্বল করলে রাষ্ট্রই দুর্বল হয়ে পড়ে। সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার আহসান হাবীব বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে যে প্রক্রিয়ায় র্যাব বিলুপ্তির কথা বলা হচ্ছে তা যথেষ্ট উদ্বেগের। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ যখন র্যাবের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সমালোচনা করছেন তখন প্রথমেই বলছেন, জামায়াতের নেতা-কর্মীদের হত্যার কথা। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে হবে।
