শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের এক শিক্ষকের বহিস্কার দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে বিভাগের শিক্ষার্থীরা। বিভাগের ৪র্থ বর্ষ ২য় সেমিষ্টারের একছাত্রীর বিরুদ্ধে অশালীন মন্তব্য, পরীক্ষার খাতার বিমাতাসূলভ নম্বর প্রদান ও শিক্ষার্থীদের সাথে খারাপ আচরণের অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার এ আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। অভিযুক্ত ঐ শিক্ষকের নাম নাছির উদ্দিন। বহিস্কার দাবিতে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ থেকে ৩টা পর্যন্ত বিভাগের সামনে অবস্থান ধর্মঘট কর্মসূচী পালন করে।
পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল ইসলাম দিপু,প্রক্টর ড. হিমাদ্রী শেখর রায় ঘটনাস্থলে আসেন।এসময় তারা আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিলে শিক্ষার্থীরা অবস্থান ধর্মঘট তুলে নেয়। একই সাথে আগামী ১০ এপ্রিল পর্যন্ত বিভাগের সবধরণের ক্লাস পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
এদিকে ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল ইসলাম দিপুকে আহবায়ক করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি ১০ এপ্রিল মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
অপর দিকে বিভাগের সহযোগী অধ্যপক ড. শামীমা তাসনিমকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট অপর একটি কমিটি গঠন করা করেছে লোক প্রশাসন বিভাগ। কমিটির অন্য দুজন হলো-সহকারী অধ্যাপক ফাতেমা খাতুন ও মোঃ ফখরুল ইসলাম।
অন্যদিকে, বিভাগের কর্মচারী সালেহ আহমেদ দ্বারা যৌন হয়রানি ও শিক্ষক মোঃ নছির উদ্দিনের কটুক্তির প্রতিবাদে মানবন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ১২টায় কেন্দ্রীয় লাইব্রেরীর সামনে যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ কমিটি এ মানববন্ধন কর্মসূচীর আয়োজন করে।
সূত্র জানায়, গত মঙ্গলবার লোক প্রশাসন বিভাগের কর্মচারী আবু সালেহ’র বিরুদ্ধে একই বিভাগের ৪র্থ বর্ষ ২য় সেমিষ্টারের একছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে সাধারণ শিক্ষার্থীরা এই ঘটনার বিচারের দাবিতে বিভাগীয় প্রধান বরাবর স্মারকলিপি দেন। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে বিভাগীয় সভায় সহকারী অধ্যাপক ড. নাছির উদ্দিন এই ছাত্রী সর্ম্পকে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করলে আন্দোলনে নামের শিক্ষার্থীরা।
যৌন হয়রানির প্রশ্রয়দাতা শাবি শিক্ষকের বিচার দাবি: তদন্ত কমিটি গঠন
150
