নগরভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে আনন্দ শোভাযাত্রাটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে সারদা হল প্রাঙ্গনে গিয়ে শেষ হবে। সেখানে সিটি কর্পোরেশন আয়োজিত বৈশাখী মেলার উদ্বোধন করা হবে।
পরবর্তীতে বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে সারদা হল প্রাঙ্গনে শুরু হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে অংশগ্রহন করবে যথাক্রমে মৃত্তিকায় মহাকাল, দি ক্যাপ, নাট্যম, ছন্দ নৃত্যালয়, সারেগামাপা, সুরালোক এবং একক সংগীতে অংশগ্রহন করবেন লাভলী দেব, বাবুল সরকার, ইকবাল সাই, সালেহ বাউল, বাউল ফরিদা বেগমসহ অন্যান্য বাউল শিল্পী।
এদিকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানমালা ছাড়াও বাংলা নববর্ষ ১৪২১ উদযাপন উপলক্ষে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে চিত্রাংকন ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। আবৃত্তি প্রতিযোগিতা শুক্রবার সকাল ৯টায় সারদা হল প্রাঙ্গনে এবং চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা রিকাবীবাজারস্থ মোহাম্মদ আলী জিমনেসিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। দুটি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনকারী প্রত্যেককে পুরস্কার এবং সনদপত্র প্রদান করা হবে।
চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা তিনটি গ্রুপে অনুষ্ঠিত হবে।
‘ক’ গ্রুপ (নার্সারী থেকে তৃতীয় শ্রেনী পর্যন্ত), চিত্রাংকনের বিষয়: ইচ্ছেমতো, মাধ্যম: ইচ্ছেমতো।
‘খ’ গ্রুপ (চতুর্থ থেকে ৭ম শ্রেনী পর্যন্ত), চিত্রাংকনের বিষয়: বৈশাখী মেলা, মাধ্যম: জলরং।
‘গ’ গ্রুপ (অষ্টম থেকে দশম শ্রেনী পর্যন্ত) চিত্রাংকনের বিষয়: বৈশাখী, মাধ্যম: জলরং/পেন্সিল স্কেচ।
চিত্রাংকনের জন্য কাটিজ পেপার সিলেট সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সরবরাহ করা হবে এবং অন্যান্য জিনিসপত্র প্রতিযোগিকে আনতে হবে। আগ্রহী প্রতিযোগীদের ১৬ এপ্রিল (বিকেল ৫টায় পর্যন্ত) কর্পোরেশনের প্রশাসন শাখায় নাম তালিকাভুক্ত করতে হবে।
আবৃত্তি প্রতিযোগিতা তিনটি গ্রুপে অনুষ্ঠিত হবে।
‘ক’ গ্রুপ ( প্লে গ্রুপ থেকে দ্বিতীয় শ্রেনী পর্যন্ত) কবিতা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর’ (প্রথম ১৬ লাইন)।
‘খ’ গ্রুপ (তৃতীয় শ্রেনী থেকে পঞ্চম শ্রেনী পর্যন্ত) কবিতা: আমিরুল ইসলামের ‘বোশেখী’।
‘গ’ গ্রুপ (ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেনী পর্যন্ত) কবিতা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘বৈশাখী’ (প্রথম ২৫ লাইন)।
আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনে আগ্রহীরা নিজের নাম ও গ্রুপ লিখে মোবাইল ফোনে এস এম এস এর মাধ্যমে নাম তালিকাভুক্ত করতে পারবেন। এসএমএস পাঠানোর জন্য মোবাইল ফোন নম্বর হচ্ছে : ০১৬১০০০১৭০০।
