নির্বাচন প্রক্রিয়াকে সুকৌশলে ব্যবহার করে বাংলাদেশকে একদলীয় রাষ্ট্রে পরিণত করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ও বিরোধী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর শীর্ষ ৬ নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে একই সময়ে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আয়কর ফাঁকি দেয়া ও পুলিশের বিরুদ্ধে হামলা উস্কে দেয়া। তাদের জামিন আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। এর অর্থ হলো নির্বাচনে তাদেরকে অংশগ্রহণ করতে না দেয়া। বিরোধীদলীয় নেতাদের বিরুদ্ধে এভাবে অভিযোগ এনে তাদেরকে নীরব করে দেয়া একটি পরিচিত খেলা। গতকাল বৃটেনের প্রভাবশালী পত্রিকা দ্য গার্ডিয়ানে প্রকাশিত ‘দ্য প্রিজন দ্যাট ইজ বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়েছে। শিরোনামটির বাংলা করলে দাঁড়ায়- বাংলাদেশ নামের জেলখানা।
তাদের একজন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। তার পিটুইটারি গ্রন্থিতে রয়েছে টিউমার। তিনি অসুস্থ। এ কথা বিবেচনায় নিয়ে কমপক্ষে তাকে এখনই মুক্তি দেয়া উচিত। জন পিলজার লিখেছেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমানকে সমর্থন করেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। এখন তিনি অসুস্থ। জানুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিরোধী দলের বিরুদ্ধে দমন- পীড়ন চালাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তারই অংশ হিসেবে মওদুদ আহমদ জেলে রয়েছেন। তিনি আরও লিখেছেন, ১৯৭১ সালের অন্ধকার এক রাত। পাকিস্তানি সেনারা তখনকার পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমানে বাংলাদেশ)-এ যেসব গ্রামে ধর্ষণ ও ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছিল সে সব গ্রাম পার হয়ে যাচ্ছিলাম আমি।
