আলী আহমদঃ আসসালামু আলাইকুম, বর্তমান করোনা পরিস্থিতি নিয়ে সারাবিশ্বের মতো আমরাও অবগত। আমাদের সচেতনমহল এ নিয়ে বেশ চিন্তিত। কিছু মানুষ আছেন যারা করোনা সম্পর্কে জানলেও সচেতন হননি। যার ফলে তারা করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে তেমন প্রস্তুত নয় বা প্রস্তুতি নিতে ইচ্ছুক নয়।
এদিকে সারাদেশে চলছে করোনার প্রকোপ। প্রতিদিন বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে দেশের প্রতিটি অঞ্চলে। তেমনি আমাদের সিলেট জেলাকেও গ্রাস করতে সক্ষম হয়েছে মহামারী করোনা।
গোলাপগঞ্জ ১২ দিনে ২৩ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ পাওয়া গিয়েছে। সুস্থ হয়েছেন ২/৩ জন। গতকাল ৮নং ভাদেশ্বর ইউনিয়নেও করোনায় আক্রান্ত হয়েছে এক যুবক। ইউনিয়ন পরিষদের পার্শ্ববর্তী মহল্লায় আক্রান্ত রোগীর বাড়ি।
ইউনিয়ন পরিষদ থেকে খুব একটা দূরে নয় আমাদের গ্রাম। প্রতিনিয়ত মোকামবাজার/মীরগঞ্জ বাজারে অবাধে যাতায়াতের ফলে খুব শীগ্রই আমাদের এলাকায়ও করোনার প্রকোপ শুরু হতে পারে। এভাবে চলতে থাকলে যেকোনো মুহূর্তে আমি/আপনি আমরা নিজেদের অজান্তেই আক্রান্ত হয়ে যেতে পারি।
তাই এখনই আমাদের নানা কর্মসূচি হাতে নিতে হবে। প্রত্যেকে নিজের পরিবার নিয়ে ঘরে অবস্থান করা দরকার। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ বাহিরে যাওয়া ঠিক হবে বলে মনে করি না। গ্রামের অসহায় এবং দারিদ্র্য মানুষ যাতে বাহির হতে না হয়,।সেজন্য বিত্তবান সকলে তাদের পাশে দাড়ানোর জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।
আমাদের প্রিয় গ্রামের স্বার্থে খুব তাড়াতাড়ি পদক্ষেপগুলো নিতে হবে। আশাকরি সচেতন সমাজ তথা গ্রামের যুবক ভাইয়েরা যার যার জায়গা থেকে নিরাপদ থাকবেন।
গ্রাম ও জনপদের স্বার্থে অতি শীঘ্রই লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক। লকডাউন চলাকালীন জরুরি খাবারবাহী গাড়ি, ঔষুধ পরিবহনে নিয়োজিত গাড়ি, ইমার্জেন্সি রোগীরজন্য গাড়ী, কমিউনিটি ক্লিনিক, জরুরি সেবাদানকারী গাড়ী এবং খাবার দোকান ব্যাতিত সবকিছু বন্ধ রাখার বিনীত অনুরোধ করছি।
লেখকঃ সমাজকর্মী
