সিলেটের খবর ডেস্ক: সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. শহিদুল ইসলাম বলেছেন, নারীদের উন্নয়ন ও অগ্রগতি ব্যতিরেকে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। নারী পুরুষদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। দেশের উন্নয়নে নারীদের অবদান অনস্বীকার্য। দেশের নারীরা যেভাবে এগিয়ে চলেছে তাদের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে হবে। সকল ক্ষেত্রে পুরুষদের পাশাপাশি নারীদের অংশদারিত্ব রয়েছে। বর্তমান সরকার নারীদের উন্নয়নে কাজ করে চলেছে। নারীদের কর্মক্ষেত্র তৈরী এবং নেতৃত্ব প্রদানে বর্তমান সরকার যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
তিনি রোববার বিকেলে সিলেট জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে জেলা নারী উন্নয়ন ফোরামের দ্বিমাসিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। জেলা নারী উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নাসরিন জাহান ফাতেমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগ সিলেটের উপ পরিচালক ড. সুভাশ চন্দ্র বিশ্বাস, সিটি কাউন্সিলর ও দৈনিক যুগান্তরের সিলেট ব্যুরো প্রধান রেজওয়ান আহমদ।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত জাহানের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা নারী উন্নয়ন ফোরামের সাধারণ সম্পাদক, ভাইস চেয়ারম্যান জাহানারা বেগম, জেলা সহ সভাপতি, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান লায়লা আলকাস, জকিগঞ্জ পৌরসভার কাউন্সিলর জোসনা খানম, কানাইঘাটের ইউপি সদস্যা রুবি চন্দ্র দাস, কোম্পানীগঞ্জের ইউপি সদস্যা মনোয়ারা বেগম, সিলেট সদর উপজেলার ইউপি সদস্যা ফাতেমা আক্তার পারুল, বিশ্বনাথের ইউপি সদস্যা রেহানা বেগম ও দক্ষিণ সুরমার ইউপি সদস্যা হাসনা বেগম।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ পরিচালক সুভাশ চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, নারী জনপ্রতিনিধিদের অনেক ক্ষমতা রয়েছে কিন্তু না জানার কারনে তারা তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারছে না। সিটি কাউন্সিলর ও দৈনিক যুগান্তরের ব্যুরো প্রধান রেজওয়ান আহমদ বলেন, নারী উন্নয়ন ফোরামের মাধ্যমে সরকার নারীদের কর্মক্ষেত্র তৈরী করে দিয়েছে। নারীদের সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে নারী ফোরাম অগ্রনী ভূমিকা পালন করবে।
