জৈন্তাপুরে স্থানীয় পর্যায়ে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট বাস্তবায়নের উপর কর্মশালা অনুষ্টিত

by News Room

জৈন্তাপুর প্রতিনিধি :
স্থানীয় পর্যায়ে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট বাস্তবায়নের উপর জৈন্তাপুর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দিনব্যাপি এক কর্মশালা অনুষ্টিত হয়।
২৫নভেম্বর সকাল ৯টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাহিদা পারভীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শারমিন সুলতানা, জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ কামাল আহমদ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ বশির উদ্দিন।No description available.

এতে আরো উপস্থিত ছিলেন জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মহসীন আলী, উপজেলা কৃষি অফিসার ফারুক হোসাইন, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সুলেমান হোসেন, সমাজ সবা অফিসার একে আজাদ ভ‚ইয়া, প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মোঃ সালাউদ্দিন, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল জলিল, উপজেলা স্বাস্থ কর্মকর্তা ডাঃ আমিনুল হক সরকার, উপজেলা নির্বাচন অফিসার আবুল হাসনাত, উপজেলা প্রকৌশলী নরেন্দ্র হোম চৌধুরী, জৈন্তাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এখলাছুর রহমান, দরবস্ত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বাহারুল আলম বাহার, চারিকাটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহ আলম চৌধুরী তোফায়েল, ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ, চিকনাগুল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুর রশিদ, নিজপাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ ইয়াহিয়া, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার আজিজুল হক খোকন, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোছাঃ তাসলিমা, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী রাসেল ভ‚ইয়া, সমবায় অফিসার জাহাঙ্গীর আলম, আওয়ামিলীগ নেতা হাসিনুল হক হুসনু, আতাউর রহমান বাবুল, জৈন্তাপুর ষ্টেশন বাজার ব্যবসায়ী সমিতি’র সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, জৈন্তাপুর প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি আব্দুল হালিম, সাধারণ সম্পাদক গোলাম সরওয়ার বেলাল, অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি এম এম রুহেল, দৈনিক একাত্তরের কথা পত্রিকার জৈন্তাপুর প্রতিনিধি নাজমুল ইসলাম। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধি, ইউনিয়ন পরিষদের সচিব, এনজিও কর্মী কর্মশালায় অংশগ্রহন করেন।No description available.

কর্মশালায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুল বিষয়বস্তু উপস্থাপনের পর অংশগ্রহনকারীরা ১০টি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে পড়েন। এর পর প্রতিটি গ্রুপে থেকে পৃথকভাবে জৈন্তাপুর উপজেলার একেকটি সমস্যা ছক আকারে উপস্থাপন করেন। সেখান থেকে বাছাই করে একটি বিষয়ের উপর সবাই একমত পোষণ করেন। তা হলো জৈন্তাপুর উপজেলার সকল পতিত জমি চাষের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। আর এতেই সম্ভব স্থানীয় পর্যায়ে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট বাস্তবায়ন হবে।

You may also like

Leave a Comment