সিলেটের জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম বলেছেন, জনগণের দোরগোড়ায় গ্রাম আদালতের সেবা পৌঁছে দিতে হিসাব সহকারীদের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি গ্রাম আদালত কার্যকর করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার কথা সকলকে স্মরণে রেখে গ্রাম আদালত আইন এবং বিধিমালা অনুসরণ করে যথাযথ ভাবে নিজেদের দায়িত্ব পালনের জন্য নির্দেশ প্রদান করেন।
তিনি গতকাল ১২ ডিসেম্বর শনিবার সকাল ১০টায় বন্দরবাজারস্থ একটি অভিজাত হোটেলে জেলা প্রশাসন সিলেট এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের আয়োজনে ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন, ইউএনডিপি এবং বাংলাদেশ সরকারের আর্থিক সহায়তায় বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (২য় পর্যায়) প্রকল্প এর আওতায় গ্রাম আদালত সক্রিয়করণে ইউনিয়ন পরিষদের হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের ৩ দিনব্যাপী গ্রাম আদালত বিষয়ক প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
সভাপতির বক্তব্যে সিলেটের স্থানীয় সরকারের উপ পরিচালক মীর মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বলেন, গ্রাম আদালত কোন প্রকল্প নয় বরং এটি জনগুরুত্বপূর্ণ সরকারি সেবা। এই সেবা ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে প্রদান করে জনগণের ন্যায় বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। নতুন নিয়োগ পাওয়া হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটররা গ্রাম আদালতের পেশকারের দায়িত্ব পালন করবেন। গ্রাম আদালতের আইন, বিধি বিধান এবং প্রায়োগিক বিষয়ে ধারণা লাভের জন্য এই প্রশিক্ষণ, প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান বাস্তবে প্রয়োগ করে গ্রাম আদালত সেবাকে আরও কার্যকর করতে হবে।
উল্লেখ যে, ইতিমধ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের বাস্তবায়নাধীন বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ ২য় প্রকল্প মাধ্যমে নিয়োগ প্রাপ্ত গ্রাম আদালত সহকারীরা হিসাব সহকারীদের নিকট দায়িত্ব হস্তান্তর শুরু করেছে।
সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ এবং চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তী, ফরিদগঞ্জ, মতলব দক্ষিণ এবং কচুয়া উপজেলার হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটরগণ তিন দিন ব্যাপী উক্ত প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করছে।
প্রশিক্ষণে বিভিন্ন অধিবেশন পরিচালনা করেন সিলেটের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাওসার আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এএইচএম মাহফুজুর রহামান, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ পরিচালক শাহিনা আক্তার, সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার মতিয়ার রহমান এবং গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্পের জেলা ফ্যাসিলিটেটর খন্দকার রবিউল আউয়াল নাসিম। বিজ্ঞপ্তি
