নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রবল ছাত্র গণ আন্দোলনে শেখ হাসিনার সরকারের পতন হয়েছে। দেশে সংগঠিত হয়েছে ছাত্র নাগরিক অভ্যুত্থান। সোমবার ঢাকায় ৫ কোটি ছাত্র জনতা মিছিল সমাবেশ করে প্রধানমন্ত্রীর সরকারী বাসভবন গণভবন ঘেরাও করেছে। কোটা সংস্কারের দাবীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে দমাতে দেশে নির্বিচারে গণহত্যা চালায় শেখ হাসিনার অবৈধ সরকার। পুলিশের গুলিতে নির্মমভাবে প্রাণ হারিয়েছে সহস্রাধিক শিশু, শিক্ষার্থী ও জনতা। রোববার ৪ আগস্ট সারাদেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের প্রথম দিনে পুলিশ ও ছাত্রলীগের হামলায় ১০৪জন ছাত্র জনতা প্রাণ হারায়।শেখ হাসিনার পদত্যাগের এক দফা দাবিতে সোমবার ঢাকায় লং মার্চ ও ঢাকা ঘেরাও কর্মসূচীর ডাক দেয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
প্রবল ছাত্র গণ আন্দোলনের মুখে সোমবার দুপুরে রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগ পত্র জমা দেন শেখ হাসিনা। এবং তিনি নিরাপদে দেশত্যাগ করেছেন বলে একটি সুত্র জানিয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দল ও বিশিষ্ট নাগরিকবৃন্দের সাথে আলোচনা শেষে আজ বিকেলে জাতির উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ্জামান। তিনি জানান শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেছেন।সেনাপ্রধান বলেন,বৈঠক খুব সুন্দর আলোচনা হয়েছে।দেশ পরিচালনায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হবে। রাষ্ট্রপতির সাথে এখন আলোচনা করব। তিনি বলেন, প্রতিটি হত্যাকান্ডের বিচার হবে।দেশে
কোন কারফিউ থাকবে না ।তিনি সেনাপ্রধান ও সেনাবাহিনীর উপর আস্থা রাখার আহবান জানান। তিনি ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা একসঙ্গে কাজ করি,দেশের মঙ্গল হবে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সেনাপ্রধান বলেন,বৈঠকে জামায়াতের আমীর, বিএনপি’র শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ, জাতীয় পার্টির নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। আওয়ালীগের কেউ ছিল না।তিনি বলেন সেনাবাহিনী কোন গুলি করবে না, পুলিশ কোন গুলি করবে না এটা আগেই নির্দেশ দিয়েছি। একটি সুত্র জানায় দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী প্রধান রোববার রাতেই শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দিতে ও তাদের আন্দোলনে কোন বাঁধা প্রদান না করতে নির্দেশনা দেন।
ছাত্র নাগরিক অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পতন:প্রতিটি হত্যকান্ডের বিচার হবে-সেনা প্রধান
287
