মামুনুর রশিদ কিশোরগন্জ (জেলা প্রতিনিধি):
পৃথিবীতে যত অঘটন ঘটছে তার মূুলে অর্থ!! অর্থের জন্য মানুষ যে কোন অন্যায় করতেও িদ্বধাবোধ করেনা।
বাংলাদেশের অনান্য জেলার মত কিশোরগন্জে লাগামহীন ভাবে প্রতিনিয়ত শিশুশ্রম বেড়েই চলছে।
তাদের দেখার ফুরসত সমাজও প্রশাসনের নেই বললে বোধহয় মিথ্যা বলা হবেনা।দরিদ্র পরিবারেরা দু,মোট ভাতের জন্য শিশুদের সুনালি ভবিষৎকে ঠেলে দিচ্ছে অন্ধকারে সেই (জাহিলিয়াতে)।
অভাব অনটন তাদের স্বপ্ন কে গ্রাস করে ফেলছে চিরতরে।
সদর উপজেলায় বিসিক শিল্প নগরিতে সরেজমিনে গিয়ে ফ্যাক্টরিতে দেখাযায়।শিশুদের সারিবেদে বিস্কুট বানানোর হিরিক।
শিশুশ্রম আইন বিষয়ে এক ফ্যাক্টরির ম্যানেজারের সাথে কথা বললে তিনি বলেন,আমাদেরতো কিছু করার নেই অভিবাকরাই কাজে দিচ্ছে।কাজ করাতে আমাদের দুস কোথায়??
আবার শিশুশ্রম আইনের কথা সরণ করিয়ে দিতে চাইলে। তিনি বিসিক কর্তিপক্ষের সাথে কথা বলতে বলেন আর কিছু না বলে চলে যান।
শিশুদের আনাগুনা নজরে পরায় ফ্যাক্টরিতে কাজের বেপারে জিগ্সাসা করলে তারা বলে আমরা কারখানায় বিস্কুট বানায়।
পড়ালেখার বেপারে জানতে চাইলে
রফিক নামে এক ছেলে বলে আমি ক্লাস সেবেনে পড়তাম।
পরিবারে পড়ালেখার খরচ নাদেওয়ার অস্মমতি জানালে সংসারে অভাব-অনটনেরর কারনে আমি এরাস্তা বেচে নেই।
পড়ালেখা করবেন কি?? এমন প্রশ্নেরর উত্তরে সেবলে মন চাই ব্যবস্থা নাই।
আরো অনেক ছেলেদের কথা বললে এইরকম পরিবারে দুর্বস্তার কথা শুনায়।এবিষয়ে স্হানীয় একজন সমাজসেবকের সাথে কথা হয় তিনি মনেকরেন অসচ্ছল পরিবারের নির্মম কশাঘাতে শিশুরা বিসিকে বিভিন্ন কাজ করছে।
কিশোরগন্জের বিসিকে গিয়ে ঘোরে দেখাযায় আশিরও অদিক শিশুরা কলকারখানার বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত।
বিসিক শিল্প নগরীর কর্মরত মোহাম্মদ রিয়াজুল ইসলাম নামে একজন কর্মকর্তাকে এবিষয়ে অবহিত করলে তিনি বলেন শিশুশ্রম-নারিশ্রমিক জাগরণিও কারখানার বর্জ -পরিবেশ দুষন ইত্যাদি কার্জকেলাফে শিল্প নগরির কোন চিঠিপত্র আসলে আমরা কারখানার মালিকদের অবগতি করি।
বর্তমান এমনাবস্তায় বিসিক কতৃপক্ষ কি কোন আইন প্রয়োগ করতে পারেন না??এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন বিসিক শিল্প নগরী কিশোরগন্জ কতৃপক্ষ এবেপারে কোন আইনি ব্যবস্থা নিতে পারে না ।
তিনি আরো বলেন এবেপারে জেলাপ্রশাসন বা কোন আইন প্রয়োগকারি সংস্তা নিতে পারে।
কিশোরগন্জ বিসিক শিল্প নগরি জেলার সহকারী মহাব্যবস্থাপক কায়কোবাদ খান খাদেমের কাছে এবিষয়টা বললে তিনি বলেন যে ছেলেমেয়েরা ফ্যাক্টরিতে কাজ করছে তাদের এমনো হতে পারে মাতা-পিতা নেই সেই অবস্তার ছেলেমেয়েরা কাজ করছে।
তিনি আরো বলেন আমাদের করার কিছু নেই, এবিষয়ে সরাসরি কারখানার মালিকদের সাথে কথা বলতে পারেন।
শেষ পর্জায় তিনি একথা বলেন আমাদের কাজ শুধু ফ্যাট বোকিং দেওয়া।আর যে কোন প্রশাসন সেবেপারে আইন প্রয়োগ করতে পারেন।
নাম প্রকাশে অনেচ্ছুক বিসিকের এক কর্মকর্তা মনেকরেন যদিও আমাদের বাংলাদেশে শিশুশ্রম কতগুলো আইন আছে তবে আইনগুলোর যথাযথ প্রয়োগহচ্ছে না বললেই চলে।
পরিশেষে বাংলার হাজারো হাজার কাদামনা শিশুকে শিশুশ্রম থেকে বাচাতে পারে বাংলাদেশ প্রশাসনের সুদৃষ্টিও আইনের যথাযথ প্রয়োগ।
কিশোরগন্জে লাগামহীন ভাবে শিশুশ্রম বেড়েই চলছে
153
