কানাইঘাটে এইচপিভি টিকাদান শুরু

by News Room

সারাদেশ’র ন্যায় (ঢাকা ব্যাতিত) সিলেটের কানাইঘাটে এইচপিভি টিকাদান(জরায়ুমুখের ক্যানসার ভ্যাকসিন) কর্মসূচী শুরু হয়েছ। কানাইঘাটে প্রায় ১৮-১৯ হাজার স্কুল-মাদ্রাসা পড়ুয়া কিশোরী (১০-১৪ বছর) এ টিকা গ্রহণ করবেন বলে রেজিষ্ট্রেশন সম্পন্ন করা হচ্ছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার উপজেলার বড়চতুল ইউনিয়নের “আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া চতুল সরুফৌদ” মাদ্রাসায় টিকাদান কর্মসূচী পরিদর্শন করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স,কানাইঘাট’র স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.সুবল চন্দ্র বর্মন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন নার্সিং কর্মকর্তা ফজলে রাব্বী সাজু, স্বাস্থ্য সহকারী সুমন রাম দাশ, পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক আবিদুর রহমান, স্টোরকিপার জামিলুর রশিদ সহ প্রতিষ্টানের দায়িত্বশীল ও স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দ।

প্রতিষ্টানটিতে সরেজমিনে দেখা যায়,প্রায় ৪০০জন কিশোরী জরায়ুমুখ ক্যানসার প্রতিরোধ’র এইচপিভি টিকা নিয়েছেন। আগামী দিন রেজিষ্ট্রেশনকৃত আরো অনেক কিশোরী টিকা নিবেন বলে UH&FPO কে বলা হয়েছে।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কানাইঘাট’র প্রধান ডা.সুবল চন্দ্র বর্মন বলেন, ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় উপজেলার সবক’টি কেন্দ্রে HPV (Human Papiloma Virus) টিকা কিশোরীরা গ্রহন করছেন।এতে করে ভবিষ্যতে জরায়ু মুখের ক্যানসার প্রতিরোধে খুব কাজে দিবে বলে তিনি বলেন। বর্তমানে প্রতিবছর বাংলাদেশে জরায়ুমুখ ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান প্রায় ৫ হাজার নারী। দেশে নারীদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ক্যানসার এটি। এইচপিভি জীবাণু শরীরে প্রবেশের পর এর লক্ষণ প্রকাশ পেতে সময় লাগে ১০ থেকে ১৫ বছর। আক্রান্ত রোগীদের প্রায় সবাই শনাক্ত হন একদম শেষ সময়ে গিয়ে। তখন আর সেরে ওঠার উপায় থাকে না। কিন্তু, কিশোরী বয়সে মাত্র একটি টিকা নিয়ে সারা জীবনের জন্য এই ক্যানসার থেকে সুরক্ষিত থাকা সম্ভব।এ সময় তিনি টিকা প্রদানকারী ও স্বেচ্ছাসেবীদের খুব সূক্ষ্ম ভাবে কাজ করার পরামর্শও প্রদান করেন।

You may also like

Leave a Comment