বিশেষ প্রতিনিধি: সিলেট মহানগর জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমীর ডাক্তার সায়েফ আহমদ বললেন,আমি পুলিশের পায়ে ধরে বলছি, আমাদের উপর অন্যায়ভাবে নির্যাতন করবেন না । আজ চার বছর ধরে জামায়াত-শিবির কর্মীরা নির্দিষ্ট একটি বাসায় ঘুমাতে পারছি না। আজ রাতে এক বাসায় ঘুমালে কাল রাতে আরেক বাসায় ঘুমাচ্ছি । এক সার্ট পরে সাতদিন আটদিন কাটাচ্ছি। রাস্তার মোড়ে মোড়ে পুলিশ আমাদের উপর হামলার জন্য দাড়িয়ে থাকে। আমরা শহরের কেন্দ্রস্থল ছেড়ে বাগবাড়ী মিছিল করি। উপশহর মছিল কর। আপনারা বলনে রানৈতক দলগুলো এসব জায়গায় কিমিছিলি করে? এতো কিছু করার পরও আমাদের বাসা বাড়িতে শান্তিতে থাকতে দেয়া হয় না।
গায়েবানা জানাজা পুর্ব সমাবেশে বক্তব্যে তিনি কেদেঁ কেদেঁ বলনে,
যখন সন্ধা হয় সিলেটবাসী ঘরে ফিরে আর আমার জামায়াত শিবিরের ভাইয়েরা তখন একটু আশ্রয়ের আসায় রাত্রি যাপনের জন্য ঘর বাড়ি ছাড়ে।
সেদিন এক কর্মীকে জিজ্ঞেস করেছিলাম রাত কোথায় থাকবে? সে আমাকে বলেছিল বের হয়েছি কিন্তু জানিনা রাত কোথায় পারকরব কোথায় আশ্রয় নেব।
খেয়েছজি না এখনো খাইনি তবে কোথাও খেয়ে নেব।
সে দিন আমার নায়েবে আমীর কে এক কর্মী বলেছিল মাত্র এক মাস হয়েছে বিয়ে করেছি যদি আমি শাহাদাত বরন করি তাহলে আমার স্ত্রীকে একটি বিয়ে দিয়ে দেবেন।
আমীরসাব এই কথাগুলো বলছিলেন আর আহাজারি করছিলেন।
তিনি বলেন-
আমার শিবিরের ছেলেদের আজ ক্যরিয়ার শেষ।তারা আজ ক্লাস করতে পারছেনা পরীক্ষা দিতে পারছেনা লেখাপড়া করতে পারছেনা এই সিলেট কারাগারে আমার ২০০০ কর্মী আছে।আজ আমার ছেলেদের উপর গুলি করা হচ্ছে নির্যাতন করা হচ্ছে।
তিনি হুসিয়ারি দিয়ে বলেন আজে হতে আর যদি শিবিরের একটি বাসা বাড়িতে অভিজান চালানো হয় তাহলে যে কোনো পরিস্তিতির জন্য এর দায়বার পুলশিকে নিতে হবে।
আমরা ৩ যুগ থেকে এ শহরে রাজনীতি করে আসছি আজ লুকিয়েও আমাদের একটা মিছিল করতে দেয়া হয়না।
আজ একটি কাপড় পড়ে আমাদের সপ্তাহ পার করে দিতে হয়।
আমাদের বাসা বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে আজ এক বৎসর হল আমরা বাসায় যাইনা।
জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লার গায়েবানা জানাযা উপলক্ষে সিলেট আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত জানাযাপুর্ব সমাবেশে তিনি একথা বলেন।
