অনেক নাটকীয়তার পর ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনকারীদের অন্যতম আব্দুল কাদের মোল্লার।
এর মধ্য দিয়ে অপরাধযজ্ঞের দীর্ঘ ৪২ বছর পর বিচারের পর সাজা কার্যকরের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে সংঘটিত গণহত্যার জন্য প্রথম কারো মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হল।
দুদিন আগে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘোষণা দিয়েও আদালতের এক আদেশে তা আটকে যাওয়ার পর জাতিসংঘ মানবাধিকার সংস্থাসহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন কাদের মোল্লাকে না ঝোলানোর আহ্বান জানিয়ে আসছিল।
এর মধ্যে বৃহস্পতিবার রিভিউ আবেদন খারিজের পর আগাম কোনো ঘোষণা সরকারের পক্ষ থেকে না এলেও কারাগারের বাইরে প্রস্তুতি দেখে ইঙ্গিত মিলছিল, ফাঁসির কার্যকরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
সন্ধ্যায় পরিবারের সদস্যরা ৬৫ বছর বয়সী এই জামায়াত নেতার সঙ্গে দেখা করে আসার পর কারাগারে মৌলভী, সিভিল সার্জন, ঢাকার জেলারের প্রবেশ এবং বাইরে নিরাপত্তা বেষ্টনি গত মঙ্গলবারের আবহ তৈরি করেছিল, যেদিন সব সব প্রস্তুতি নিয়েও দণ্ড কার্যকর শেষ পর্যন্ত হয়নি।
এরপর রাত ১০টারে কয়েক মিনিট পরই কারা অভ্যন্তরের কয়েকটি সূত্র নিশ্চিত করে, ঠিক ১০টা ১ মিনিটে জল্লাদ শাহজাহানের নেতৃত্বে ছয়জন ফাঁসি কার্যক্রম শেষ করেছেন।
