পানির নিচে থাকা লঞ্চটির ভেতরে আরো মানুষ রয়েছে বলে ধারণা করছেন উদ্ধার কাজে অংশ নেয়া একজন। তবে কর্মকর্তারা বলছেন, লঞ্চের প্রায় সবাই উদ্ধার হয়েছেন।
স্বাধীন-১ লঞ্চটি সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে ঢাকাগামী আঁচল-৫ লঞ্চের ধাক্কায় ডুবে যায় বলে পটুয়াখালী নৌবন্দর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
ডুবে যাওয়া লঞ্চটি রাঙ্গাবালি থেকে পটুয়াখালী আসছিল। সদর উপজেলার পালের ডাঙ্গা সংলগ্ন নদীতে এটি ডুবেছে, সেখানে সঙ্গে সঙ্গেই উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে দেন নদীতে থাকা খেয়া নৌকার যাত্রী ও মাঝিরা।
পটুয়াখালী নৌবন্দরের উপ পরিচালক মো. বদরুল আলম সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন,এই পর্যন্ত ট্রলার এবং খেয়ার মালিকরা অন্তত ৩৫ জন যাত্রীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
উদ্ধার কাজে থাকা মো. জুয়েল আহমেদ নামে একজন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমরা কয়েকজন মিলে ডুবে যাওয়া লঞ্চটির ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করেও পারিনি।
“তবে নদীতে ভেসে থাকা জামা-জুতা দেখে মনে হয়েছে, লঞ্চের ভেতরে এখনো মানুষজন আটকে আছে।”
ডুবে যাওয়া লঞ্চটির কোনো কর্মীর খোঁজ পাওয়া যায়নি। এতে শতাধিক যাত্রী ছিল বলে স্থানীয়রা বলছেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজিমুল হকসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলেন, লঞ্চে খুব বেশি যাত্রী ছিল না। যারা ছিল তাদেরকে উদ্ধার করা হয়েছে।
লঞ্চডুবির প্রায় দেড় ঘণ্টা পার হরেও দমকল বাহিনীর কোনো ডুবুরী ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেনি।
স্বাধীন-১ লঞ্চটিকে ধাক্কা দেয় পটুয়াখালী ঘাট থেকে বিকালে ঢাকার পথে রওনা হওয়া আঁচল-৫।
নৌ কর্মকর্তা বদরুল সাংবাদিকদের বলেন, সদর উপজেলার পালের ডাঙ্গা সংলগ্ন নদীতে আঁচলের ধাক্কায় পটুয়াখালীমুখী স্বাধীন-১ নামের লঞ্চটি ডুবে যায়।
“রাঙ্গাবালিথেকে আসা লঞ্চটি মাছ তোলার জন্য ঘাটে না ভিড়ে লঞ্চের পেছনে গিয়ে দ্রুত গতিতে ছেড়ে যাওয়া আঁচলের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় স্বাধীন-১ এর ‘কাছি’ আঁচলের পাখায় পেঁচিয়ে গেলে সেটি ডুবে যায়।”
