লিডিং ইউনিভার্সিটির বিজনেস ক্লাব এবং ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব স্কিল ডেভেলপমেন্টের যৌথ আয়োজনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (০৯ আগস্ট ২০২৬) দিনব্যাপী ‘Unlock the Future with AI’ শীর্ষক কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লিডিং ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)
নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে উল্লেখ করে এসময় তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) বিবর্তন আমাদের প্রজন্মের অন্যতম প্রধান ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনাপ্রবাহ। একসময় যা কেবল কল্পবিজ্ঞানের বিষয় ছিল, সেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্রুত গবেষণাগার ও গবেষণাপত্রের গণ্ডি পেরিয়ে দৈনন্দিন জীবনে প্রবেশ করেছে। তিনি আরো বলেন, ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্টের সক্ষমতা বৃদ্ধি থেকে শুরু করে আর্থিক পরিষেবা ও স্বাস্থ্যসেবা খাতের রোগ নির্ণয়—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) আজ কেবল আমাদের কাজের পদ্ধতিকেই বদলে দিচ্ছে না, বরং ‘কাজ’-এর অর্থকেই নতুন করে সংজ্ঞায়িত করছে। আমরা এমন এক যুগের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছি যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) মানুষকে প্রতিস্থাপন করবে না, বরং আমাদের পাশাপাশি কাজ করবে এবং উৎপাদনশীলতা, সৃজনশীলতা ও প্রভাব বিস্তারের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) যখন বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন শিল্পখাতকে নতুন রূপ দিচ্ছে, তখন আমরা দুটি প্রধান দৃষ্টিভঙ্গি উঠে আসতে দেখছি, যার একটির মূলে রয়েছে ভয় এবং অন্যটির মূলে রয়েছে আশাবাদ। অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে এআই কি আমাদের চাকরি কেড়ে নেবে? না, এআই হলো সুযোগের পরবর্তী ঢেউ। তবে আশাবাদী দৃষ্টিভঙ্গিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে (AI) এমন একটি শক্তি হিসেবে দেখা হয়, যা কাজের ধরন বদলে দেবে, মানুষের সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে এবং নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লিডিং ইউনিভার্সিটির ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. বশির আহমেদ ভূঁইয়া। ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শাহানশাহ মোল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মূখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব স্কিল ডেভেলপমেন্ট এর প্রতিনিধি মোস্তফা আহমদ সাজিদ।
ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জয়নব সরকারের সহযোগিতায় কর্মশালা ব্যবসায় প্রশিসন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং লিডিং ইউনিভার্সিটি বিজনেস ক্লাবের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
