191
ডেস্ক রিপোর্ট :: পাঁচ দিন ধরে নিখোঁজ সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির যুক্তরাজ্যপ্রবাসী নেতা মুজিবুর রহমান মুজিবের লন্ডনের বাসার ঠিকানায় বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার (লন্ডন সময়) দিকে একটি চিরকুট পাঠানো হয়েছে। বাসার চিঠির বক্সে পাওয়া ওই চিরকুটে দাবি করা হয়েছে- ‘সিলেটের একটি বাসায় মুজিবুরকে আটকে রাখা হয়েছে। আগামী দুই দিনের মধ্যে তাঁকে হত্যা করা হবে।’
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টায় বাংলাদেশে বসবাসরত মুজিবুরের শ্যালক আনোয়ার হোসেন এসব কথা জানিয়েছেন।
জানা যায়, লন্ডনের ইলফোর্ডের বাসার লেটার বক্সে সকালে একটি চিঠি পান মুজিবুরের স্ত্রী। সেখানে তাঁকে কেন এবং কারা অপহরণ করেছে তা উল্লেখ না থাকলেও বলা হয়েছে রবিবার রাতে মুজিবুরকে একটি সিএনজিতে অপহরণ করে সিলেটের একটি বাসায় নিয়ে রাখা হয়েছে। তবে অপহরণকারীরা নিজেরা বাঁচতে আগামী দুই দিনের মধ্যেই তাঁকে হত্যা করা হবে বলে জানিয়েছে।
এ প্রসঙ্গে আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘বাসার চিঠির বাক্সে আমার বোন চিঠি পেয়ে আমাদের জানিয়েছেন এসব কথা।’ চিঠিতে অপহরণকারীরা উল্লেখ করেছে, ‘সিলেট শহরের একটি বাসায় গাড়িচালক সোহেলসহ মুজিবুর রহমানকে আটকে রাখা হয়েছে। তবে কেন বা কারা তাঁকে অপহরণ করেছে সে বিষয়টি চিঠিতে উল্লেখ করা না হলেও আগামী দুই দিনের মধ্যে মুজিবকে হত্যা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।’
মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, লন্ডনপ্রবাসী সিলেটের এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে লন্ডনে বিরোধ আছে মুজিবুর রহমানের। ওই ব্যবসায়ীর বর্তমানে সিলেটেও বড় ব্যবসা রয়েছে। তিনি এই ঘটনা ঘটাতে পারেন বলে তাঁদের আশঙ্কা। তবে বর্তমানে ওই ব্যবসায়ী মুজিবুর রহমান নিখোঁজ হওয়ার পর পুলিশি নজরদারিতে রয়েছেন বলে জানা গেছে।
রোববার থেকে নিখোঁজ আছেন মুজিবুর রহমান। পাঁচ দিন পার হলেও তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। তাঁকে অপহরণের অভিযোগ এনে উদ্ধারের দাবিতে গতকাল সুনামগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল করেছে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন। একই দাবিতে আগামী রবিবার জেলায় অর্ধদিবস হরতাল আহ্বান করা হয়েছে।
এদিকে বিএনপির এই নেতা নিখোঁজ ঘটনায় নানা রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে। ঢাকা-সিলেট হাইওয়েতে নিখোঁজের রাত থেকে গতকাল পর্যন্ত তাঁর ব্যবহৃত প্রাইভেট কারটির নম্বর ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত তিনটি টোলকেন্দ্রের কোথাও পাওয়া যায়নি। এ নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, মুজিবুর রহমান মুজিব রোববার রাতে সুনামগঞ্জ থেকে সিলেট যাওয়ার পথে নিখোঁজ হন। কিন্তু পুলিশ সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের টোলকেন্দ্রের রিপোর্ট সংগ্রহ করে দেখেছে ওই রাত থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তাঁর ব্যবহৃত প্রাইভেট কারটির (ঢাকা মেট্রো-গ-২৭-৪৬৯৮) নম্বর ডিজিটাল মেশিনে ধরা পড়েনি। অথচ এই মহাসড়কের শেরপুর, আউশকান্দি ও ভৈরব টোলকেন্দ্রে স্থাপিত স্বয়ংক্রিয় ডিজিটাল মেশিনে চলমান সব গাড়ির নম্বর সংরক্ষিত থাকার কথা। মুজিবুরের গাড়ির নম্বর না পেয়ে পুলিশ ধারণা করছে, মুজিবুরের গাড়িটি এই মহাসড়কে আসেইনি। তারা বিষয়টিকে রহস্যজনক হিসেবে উল্লেখ করেছে।
সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদ বলেন, ‘হঠাৎ এই বিএনপি নেতার নিখোঁজ হওয়া নিয়ে আমাদের কাছে লন্ডন থেকে নানা তথ্য আসছে। সেসব তথ্য প্রাথমিকভাবে পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, সেখানে তাঁর সম্পত্তি ও ব্যবসা নিয়ে বিরোধ রয়েছে। তা ছাড়া তিনি যে গাড়িসহ নিখোঁজ হয়েছেন সেই গাড়ি ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক দিয়ে যায়নি। তিনটি ডিজিটাল পদ্ধতির টোলকেন্দ্রের রিপোর্ট থেকে এই তথ্য জানা গেছে। এখন এসব তথ্য নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে। সর্বোপরি এই নেতার নিখোঁজ হওয়াটা রহস্যজনক।’
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টায় বাংলাদেশে বসবাসরত মুজিবুরের শ্যালক আনোয়ার হোসেন এসব কথা জানিয়েছেন।
জানা যায়, লন্ডনের ইলফোর্ডের বাসার লেটার বক্সে সকালে একটি চিঠি পান মুজিবুরের স্ত্রী। সেখানে তাঁকে কেন এবং কারা অপহরণ করেছে তা উল্লেখ না থাকলেও বলা হয়েছে রবিবার রাতে মুজিবুরকে একটি সিএনজিতে অপহরণ করে সিলেটের একটি বাসায় নিয়ে রাখা হয়েছে। তবে অপহরণকারীরা নিজেরা বাঁচতে আগামী দুই দিনের মধ্যেই তাঁকে হত্যা করা হবে বলে জানিয়েছে।
এ প্রসঙ্গে আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘বাসার চিঠির বাক্সে আমার বোন চিঠি পেয়ে আমাদের জানিয়েছেন এসব কথা।’ চিঠিতে অপহরণকারীরা উল্লেখ করেছে, ‘সিলেট শহরের একটি বাসায় গাড়িচালক সোহেলসহ মুজিবুর রহমানকে আটকে রাখা হয়েছে। তবে কেন বা কারা তাঁকে অপহরণ করেছে সে বিষয়টি চিঠিতে উল্লেখ করা না হলেও আগামী দুই দিনের মধ্যে মুজিবকে হত্যা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।’
মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, লন্ডনপ্রবাসী সিলেটের এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে লন্ডনে বিরোধ আছে মুজিবুর রহমানের। ওই ব্যবসায়ীর বর্তমানে সিলেটেও বড় ব্যবসা রয়েছে। তিনি এই ঘটনা ঘটাতে পারেন বলে তাঁদের আশঙ্কা। তবে বর্তমানে ওই ব্যবসায়ী মুজিবুর রহমান নিখোঁজ হওয়ার পর পুলিশি নজরদারিতে রয়েছেন বলে জানা গেছে।
রোববার থেকে নিখোঁজ আছেন মুজিবুর রহমান। পাঁচ দিন পার হলেও তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। তাঁকে অপহরণের অভিযোগ এনে উদ্ধারের দাবিতে গতকাল সুনামগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল করেছে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন। একই দাবিতে আগামী রবিবার জেলায় অর্ধদিবস হরতাল আহ্বান করা হয়েছে।
এদিকে বিএনপির এই নেতা নিখোঁজ ঘটনায় নানা রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে। ঢাকা-সিলেট হাইওয়েতে নিখোঁজের রাত থেকে গতকাল পর্যন্ত তাঁর ব্যবহৃত প্রাইভেট কারটির নম্বর ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত তিনটি টোলকেন্দ্রের কোথাও পাওয়া যায়নি। এ নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, মুজিবুর রহমান মুজিব রোববার রাতে সুনামগঞ্জ থেকে সিলেট যাওয়ার পথে নিখোঁজ হন। কিন্তু পুলিশ সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের টোলকেন্দ্রের রিপোর্ট সংগ্রহ করে দেখেছে ওই রাত থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তাঁর ব্যবহৃত প্রাইভেট কারটির (ঢাকা মেট্রো-গ-২৭-৪৬৯৮) নম্বর ডিজিটাল মেশিনে ধরা পড়েনি। অথচ এই মহাসড়কের শেরপুর, আউশকান্দি ও ভৈরব টোলকেন্দ্রে স্থাপিত স্বয়ংক্রিয় ডিজিটাল মেশিনে চলমান সব গাড়ির নম্বর সংরক্ষিত থাকার কথা। মুজিবুরের গাড়ির নম্বর না পেয়ে পুলিশ ধারণা করছে, মুজিবুরের গাড়িটি এই মহাসড়কে আসেইনি। তারা বিষয়টিকে রহস্যজনক হিসেবে উল্লেখ করেছে।
সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদ বলেন, ‘হঠাৎ এই বিএনপি নেতার নিখোঁজ হওয়া নিয়ে আমাদের কাছে লন্ডন থেকে নানা তথ্য আসছে। সেসব তথ্য প্রাথমিকভাবে পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, সেখানে তাঁর সম্পত্তি ও ব্যবসা নিয়ে বিরোধ রয়েছে। তা ছাড়া তিনি যে গাড়িসহ নিখোঁজ হয়েছেন সেই গাড়ি ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক দিয়ে যায়নি। তিনটি ডিজিটাল পদ্ধতির টোলকেন্দ্রের রিপোর্ট থেকে এই তথ্য জানা গেছে। এখন এসব তথ্য নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে। সর্বোপরি এই নেতার নিখোঁজ হওয়াটা রহস্যজনক।’
