শামছুল হক রাসেল:আমি প্রায়ই রুবলেরে বাসায় গযি়ে থাকতাম। কন্তিু গত ৩ ডসিম্বেররে ঘটনার পর সবকছিু ওলটপালট হয়ে যায়। সদেনি রাতে রুবলেরে বাসায় গযি়ে দখেি দুইটা মযে়ে বসে আছ।ে প্রথমে বুঝতে পারনি,ি পরে জজ্ঞিসে করলাম- এরা কারা? প্রতউিত্তরে রুবলে জানালো, এরাও তার ঘনষ্ঠি বান্ধবী। অথচ কি করনিি রুবলেরে জন্য। সবই তো দযি়ছেি তাক।ে এর পরও ইউর্টান নলিো রুবলে। একান্ত আলাপকালে কথাগুলো বলছলিনে হালরে আলোচতি ‘আনহ্যাপ’ি ঘটনার নায়কিা হ্যাপ।ি
রুবলেরে সঙ্গে প্রমেরে ইতহিাস টানতে গযি়ে হ্যাপি বলনে, জাতীয় দলরে অনকে ক্রকিটোরই আমাদরে সর্ম্পকরে কথা জানতনে। এদরে মধ্যে একজন বশ্বিসরো ক্রকিটোরও প্রথম থকেে অবহতি ছলিনে আমাদরে প্রমে-প্রণয় কাহন সর্ম্পক।ে এমনকি তনিি রুবলেকে পরার্মশ দযি়ছেলিনে যাতে শীঘ্রই আমরা ববিাহবন্ধনে আবদ্ধ হই। তনিি বলতনে, হ্যাপি তো ভালো মযে়।ে বযি়ে করলে প্রবলমেটা কোথায়? অথচ এসব ইতহিাসও রুবলেরে কাছে এখন অচনো মনে হচ্ছ।ে
অন্যদকিে কউে কউে বলছনে, পাবলসিটিরি জন্য হ্যাপি এধরনরে অপপ্রচার চালাচ্ছ।ে এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে হ্যাপি বলনে, দখেুন মডিযি়া থকেে অনকেটা দূরে সরে গযি়ছেলিাম। ইচ্ছে করইে এ জগৎ থকেে পছিটান দযি়ছে।ি মূলত ‘রযি়লে ম্যান’ ছবতিে অভনিয়রে পর পরই এ জগতকে টা টা জানানোর সদ্ধিান্ত নযি়ছেলিাম। তাহলে নতুন করে পাবলসিটিতিে নামবো কনে?
৩ ডসিম্বের রাতরে ঘটনার সর্ম্পকে বস্তিারতি জানতে চাইলে হ্যাপি বলনে, ওইদনি রাতে রুবলেরে বাসায় যাওয়ার পর দারোয়ান গটে খুলে দযে়। ঘরে ঢুকে দখেি দুইটি মযে়ে বসে আছ।ে সঙ্গে সঙ্গে আমার মাথায় আগুন ধরে যায়। রাতে ওর সঙ্গে ঝগড়া হয়। কথা কাটাকাটরি একর্পযায়ে আমার গায়ে হাত তোলে রুবলে। রাগে নজিরে হাত কটেে ফলে।ি সকালে ঘুম থকেে উঠে দখেি পাশরে রুমে মযে়ে দু’টকিে নযি়ে শুয়ে আছে রুবলে। দৃশ্যটি দখোর পর সদ্ধিান্ত নলিাম, হয় ওর সঙ্গে সর্ম্পক থাকব,ে না হয় থাকবে না। এ জন্য ৭ ডসিম্বের মরিপুর থানায় অভযিােগ করতে যাই। খবর পয়েে মরিপুর থানায় ছুটে আসনে মাশরাফি ভাই, নাসরি, শফউিলসহ আরও কয়কেজন। তারা আমাকে আর রুবলেকে বোঝানোর চষ্টো করলনে। মাশরাফি ভাই রুবলেকে বললনে, হ্যাপকিে বয়িে করতে তোমার সমস্যা ক?ি বয়িে করে ফলেো।
রুবলে সবার সামনে আমাকে বয়িে করবে বলে কথা দলি। সদেনি রুবলে আমার সঙ্গে বশে ভালাে ব্যবহার করলো। আমাকে তার বাসায় নয়িে গলে। মষ্টি-িমষ্টিি কথা বলে সে আমার মােবাইল ফােনটা নয়িে নয়ে। মােবাইলে রুবলেরে যা কছিু ছলি তার সবই ডলিটি করে দয়ে। এরপরই ওর চহোরা পাল্টে যায়। সে আমাকে বল,ে যাও সব প্রমাণ মুছে দলিাম, এবার গয়িে মামলা করাে।কন্তিু সে জানে না আমার কাছে আরও কছিু রয়ছে।ে রুবলেরে র্জাসি ও হ্যালমটে পরহিতি আমার অনকেগুলো ছবি রয়ছে।ে রয়ছেে আরও কছিু ঘনষ্ঠি ছব।ি সবচ’ে বড় প্রমাণ রুবলে কন্তিু আমাকে পুরোপুরি অস্বীকার করনে।ি এরচ’ে বড় প্রমাণ আর কি হতে পার?ে
এখন আপনি কি করবনে জানতে চাইলে হ্যাপি বলনে, তাকে তো আর কখনোই বযি়ে করার সদ্ধিান্ত নবেো না। মামলা নজিস্ব গততিে চলব।ে ওর শাস্তইি আমার কাম্য। কখনো মনে আসনেি রুবলে আমাকে ছুঁড়ে ফলেে দবে।ে মূলত ওর বাসায় কউে থাকতো না। সে একাই থাকতো। আমার মা-বাবাকে শ্যুটংিয়রে কথা বলে প্রায়ই রুবলেরে বাসায় যতোম। রাতরে পর রাত থকেছে।ি রুবলে আমাকে বাবা-মায়রে কসম কটেে বযি়ে করার কথা দযি়ছেলি। অথচ এখন কি বলছ।ে আমি এর শষে দখেে ছাড়বো। অনকেে আমাকে খারাপ মযে়ে বলতে শুরু করছে।ে তাদরে কাছে আমার প্রশ্ন, আগে পুরো ঘটনা জানুন, এরপর মন্তব্য করুন। সমাজে এরকম অনকে ঘটনা ঘট।ে হয়তো হাইপ্রোফাইল ছলেদেরে জন্য কোন ময়েে সাহস করে এ রকম মামলা করনে।ি আমি ভয় পাইন।ি সাহস করছে।ি জানয়িছেি প্রতবিাদ। এ ঘটনা থকেে অন্যান্য ময়েরোও শখিবে এটাই আমার প্রত্যাশা।
উল্লখ্যে, গত ১৩ ডসিম্বের বকিলেে চলচ্চত্রি অভনিত্রেী নাজনীন আক্তার হ্যাপি জাতীয় ক্রকিটে দলরে পসোর রুবলে হোসনেরে বরিুদ্ধে মরিপুর থানায় একটি র্ধষণ মামলা করনে। এরপর হ্যাপকিে ভকিটমি সার্পোট সন্টোরে নয়িে তার প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নরিীক্ষা শষেে ঢাকা মডেকিলে কলজেরে ফরনেসকি বভিাগে পাঠানো হয়। ফরনেসকি পরীক্ষা শষেে মরিপুর থানায় নয়িে তাকে মামলাসংক্রান্ত জজ্ঞিাসাবাদ শষেে বাসায় পাঠানো হয়। এর মধ্যে রুবলে হোসনে হাইর্কোটে জামনি নতিে যান এবং চার সপ্তাহরে আগাম জামনি পান।
শোবজি
