এদিকে, সিলেট জেলা নির্বাচন কার্যালয় নির্বাচনের জন্য সকল ধরনের প্রস্তুতি সর্ম্পূন করেছে।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আজিজুল ইসলাম সিলেটভিউ টুয়েন্টিফোরডটকমকে জানায়, নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে ইসির পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তার ইতিমধ্যেই প্রতিটি উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে ব্যালট পেপারসহ প্রয়োজনীয় সব সামগ্রী। নির্বাচনের আজ প্রতিটি কেন্দ্র তা পৌঁছানো হবে।
তিনি জানান, ৬টি উপজেলায় ৩৫৯ টি ভোট কেন্দ্রে ২ হাজার ৩৭টি কক্ষে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সিলেট জেলার ৬টি উপজেলার মধ্যে গোলপগঞ্জে সর্বোচ্চ ভোট কেন্দ্র রয়েছে। এই উপজেলায় মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা হলো ৯৩ টি। আর ভোট কক্ষ হলো ৪৯০টি। আর জৈন্তাপুর উপজেলায় সবচেয়ে কম ভোট কেন্দ্র রয়েছে। এই উপজেলায় মাত্র ৩২ টি ভোট কেন্দ্র ও ২৬৩ টি কক্ষ রয়েছে। বিশ্বনাথে ৭৪টি ভোট কেন্দ্র ৩৬৪ টি ভোট কক্ষ, কোম্পানীগঞ্জে ৩৪টি ভোট কেন্দ্র ২১০টি ভোট কক্ষ, জকিগঞ্জে ৭৬টি ভোট কেন্দ্র ৩৩৭টি ভোট কক্ষ এবং গোয়াইনঘাটে ৫০টি ভোট কেন্দ্র ৩৭৩টি ভোট কক্ষ নির্ধারণ করা হয়েছে।
এই ৬টি উপজেলায় ৩৫৯ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ২ হাজার ৩৭ জন সহকারি প্রিজাইডিং অফিসার ও ৪ হাজার ৭৪ জন পোলিং অফিসারের কাজ করবেন।
এবার সিলেটের ৬টি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ২৫ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪৫ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২২ জন প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জকিগঞ্জ উপজেলার চেয়ারম্যান পদে ৬ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, গোয়াইনঘাট উপজেলার চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩জন, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৯জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, বিশ্বনাথ উপজেলার চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন, গোলাপগঞ্জ উপজেলার চেয়ারম্যান পদে ৭ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৮ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন এবং জৈন্তাপুর উপজেলার চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৯ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদবন্দ্বিতা করছেন।
এদিকে, নির্বাচন সুষ্ঠু করতে নির্বাচনী এলাকাগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তৎপর থাকবে। সার্বক্ষণিক টহলে থাকবে র্যাব, পুলিশ, বিজিবি, আনসার/ভিডিপি, আনসার ব্যাটালিয়ানের সদস্যরা। থাকবে গ্রাম্য পুলিশ, চোকিদার ও দফাদার। আর গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও রাখবে কড়া নজরদারি।
