217
একটা বিষয় নিয়ে এখনও ক্রীড়ামহল দ্বিধাবিভক্ত৷ সেটা হল, গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে সেক্স করা উচিৎ না অনুচিৎ৷ প্রাচীন গ্রীসে মনে করা হত মানুষ সিমেন থেকে তার শক্তি সঞ্চয় করে৷ সেই তত্ত্বকে অনুসরণ করেই অনেকে মনে করে বড় ম্যাচের আগে যৌনতা থেকে বিরত থাকলে খেলোয়াড়দের আগ্রাসী মনোভাব বাড়ে৷এই ফর্মুলা মেনে চলতেন স্বয়ং বক্সিংয়ের কিংবদন্তি মহমম্দ আলিও৷ তিনি হেভিওয়েট ম্যাচের অন্তত ছ’সপ্তাহ আগে নিজের যৌন জীবনে তালা-চাবি দিয়ে রাখতেন৷ তাঁর বক্তব্য ছিল যে, বীর্যস্খলনে টেস্টোস্টোরেন হরমোন বেরিয়ে যায়৷ এই হরমোন তিনি ম্যাচের জন্য সংরক্ষণ করে রাখতেন৷
নিউজ ডেস্ক:ফুটবল বিশ্বকাপ হোক বা ক্রিকেট৷ সেখানে ‘যৌনতা’ শব্দটা বরাবরই বন্দিত নায়ক৷ পাগলামির মহোৎসবে এই আদিম রিপুর কখনও অবাধ বিচরণ বা কখনও লুকিয়ে পদচারণ৷যৌনতার সঙ্গে খেলাধূলোর আদৌ কী কোন সম্পর্ক আছে? হয়তো আছে বা নেই৷ ইতিহাস বলছে, বিশ্বকাপ চলাকালীন ফুটবল দলের কোচেরা প্রাক-ম্যাচ যৌনতায় কখনও ফতোয়া জারি করেন কিম্বা তারা সঙ্গমের সময় বেধে দেন৷রাশিয়া, বোসনিয়া, হারজেগোভিনা, চিলি ও মেক্সিকোর মতন দেশের ফুটবল সংগঠন গুলি মনে করে, বিশ্বকাপের আসরে ফুটবলারদের যৌন সঙ্গমের থেকে সম্পূর্ণ বিরত রাখার চেয়ে, যদি তাদের যৌনতার সময়সীমাকে কঠোর নিয়ম করে বেধে দেওয়া যায় তাহলে, সাফল্যের সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যায়৷বিশ্বকাপের আগেই যেমন ব্রাজিল দলের হেড স্যার স্কোলারি জানিয়ে দিয়েছিলেন, যে তাঁর নেইমার-অ্যালভেজরা সেক্স করতেই পারে, কিন্তু অ্যাক্রোবেটিক সেক্সে স্ট্রিকটলি নো-নো৷
একই ভাবে ফরাসী ফুটবলাররা সারারাত ধরে যৌনক্রিয়ায় মাততে পারবে না৷অন্যদিকে আবার নাইজেরিয়ান ফুটবলাররা একমাত্র তাঁদের স্ত্রী-এর সঙ্গেই নিশিযাপন করতে পারেন৷ গার্লফ্রেন্ডদের সঙ্গে নাইট-আউটের কোন অনুমতি নেই৷‘দ্য ডেলি মেইল’-এর একটি রিপোর্ট জানাচ্ছে যে, ২০১২ সালে অলিম্পিকের আসরে ১ লক্ষ ৫০ হাজার কন্ডোম অ্যাথলিটদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল৷ যাতে তাঁরা আপৎকালীন পরিস্থিতিতে কোনও সমস্যায় না পড়ে৷ প্রতিটি অ্যাথলিটকেই গড়ে ১৫টি করে এই গর্ভনিরোধক দেওয়া হয়েছিল৷
একটা বিষয় নিয়ে এখনও ক্রীড়ামহল দ্বিধাবিভক্ত৷ সেটা হল, গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে সেক্স করা উচিৎ না অনুচিৎ৷ প্রাচীন গ্রীসে মনে করা হত মানুষ সিমেন থেকে তার শক্তি সঞ্চয় করে৷ সেই তত্ত্বকে অনুসরণ করেই অনেকে মনে করে বড় ম্যাচের আগে যৌনতা থেকে বিরত থাকলে খেলোয়াড়দের আগ্রাসী মনোভাব বাড়ে৷এই ফর্মুলা মেনে চলতেন স্বয়ং বক্সিংয়ের কিংবদন্তি মহমম্দ আলিও৷ তিনি হেভিওয়েট ম্যাচের অন্তত ছ’সপ্তাহ আগে নিজের যৌন জীবনে তালা-চাবি দিয়ে রাখতেন৷ তাঁর বক্তব্য ছিল যে, বীর্যস্খলনে টেস্টোস্টোরেন হরমোন বেরিয়ে যায়৷ এই হরমোন তিনি ম্যাচের জন্য সংরক্ষণ করে রাখতেন৷
অপরদিকে অন্য একটি রিপোর্ট জানাচ্ছে যে, যৌনক্রিয়ায় মাতলে সাধারণত ২৫-৫০ ক্যালোরি ক্ষয় হয়৷যা পরের দিনের স্বাভাবিক জীবনে সে ভাবে কোন প্রভাবই ফেলেনা৷ যে তত্ত্বের পক্ষে এখনও সবথেকে বেশি যুক্তি রয়েছে সেটা হল যৌনতা অ্যাথলিটদের মনে প্রভাব ফেলতে পারে, বিজ্ঞান এখনও পযর্ন্ত এর স্বপক্ষে যুক্তি দিতে পারেনি৷পরিশেষে বলাই যায় ‘নানা মুনি নানা মত’৷ তবে ফুটবল প্রেমিরা অন্তত এটাই চাইবেন যে, তাদের পছন্দের তারকারা ম্যাচের আগে যৌনতা করুক বা নাই করুন, ম্যাচে যেন নিজেদের একশ শতাংশ উজাড় করে দলকে জেতাতে পারেন৷ আফটার অল ‘গো ফর গোলই’ তো ফুটবলারদের আসল মন্ত্র।
