390
ডেস্ক: মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় সংবাদপত্র দৈনিক মানবজমিনের বিশেষ প্রতিনিধি চৌধুরী মমতাজ আহমদকে সাজানো বানোয়াট মামলায় সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ গ্রেফতার করেছে- এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। সমপ্রতি দৈনিক মানবজমিন পত্রিকায় সিলেট মহানগর পুলিশের (এসএমপি) বদলি বাণিজ্য নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এই প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতেই চৌধুরী মমতাজকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মামলা দিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে, এর প্রতিবাদে বিকেল ৫টার দিকে সিলেটের স্থানীয় সাংবাদিকরা কোতোয়ালী থানা ঘেরাও করেন। পরে (এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় নগরীর একটি স্কুল ভবনে স্থানীয় সাংবাদিকের জরুরি বৈঠক বসে। এ বৈঠক থেকে স্থানীয় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।
এর আগে দুপুরে নগরীর শেখঘাট এলাকা থেকে আমীন হোসেন নামে এক বন্ধুসহ সিনিয়র সাংবাদিক চৌধুরী মমতাজ আহমদকে তুলে নিয়ে যায় সিলেট কোতোয়ালী থানা পুলিশ। কোতয়ালী মডেল থানার সহকারী কমিশনার (এসি) সাজ্জাদ হোসেনের নেতৃত্বে একদল সাদা পোশাকধারী তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়। থানায় নেওয়ার পর তাদের বিরুদ্ধে এক যুবতীকে ধর্ষণের মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়।
এদিকে সিনিয়র সাংবাদিক চৌধুরী মমতাজ আহমদকে পুলিশ আটক করেছে এমন সংবাদ পেয়ে সিলেটের সর্বস্তরের সাংবাদিকরা কোতোয়ালী থানায় ছুটে যান। বিকেল ৫টার দিকে থেকে থানা কম্পাউণ্ডে অবস্থান নেন বিক্ষুব্ধ সাংবাদিকরা। সেখানে তারা সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এ সময় থানা এলাকায় অতিরিক্ত দাঙ্গা পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
এর আগে দুপুরে নগরীর শেখঘাট এলাকা থেকে আমীন হোসেন নামে এক বন্ধুসহ সিনিয়র সাংবাদিক চৌধুরী মমতাজ আহমদকে তুলে নিয়ে যায় সিলেট কোতোয়ালী থানা পুলিশ। কোতয়ালী মডেল থানার সহকারী কমিশনার (এসি) সাজ্জাদ হোসেনের নেতৃত্বে একদল সাদা পোশাকধারী তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়। থানায় নেওয়ার পর তাদের বিরুদ্ধে এক যুবতীকে ধর্ষণের মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়।
এদিকে সিনিয়র সাংবাদিক চৌধুরী মমতাজ আহমদকে পুলিশ আটক করেছে এমন সংবাদ পেয়ে সিলেটের সর্বস্তরের সাংবাদিকরা কোতোয়ালী থানায় ছুটে যান। বিকেল ৫টার দিকে থেকে থানা কম্পাউণ্ডে অবস্থান নেন বিক্ষুব্ধ সাংবাদিকরা। সেখানে তারা সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এ সময় থানা এলাকায় অতিরিক্ত দাঙ্গা পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
