ব্র্যাক ব্যাংকের হেড অব কমিউনিকেশন জারা জাবীন

by News Room

নিউজ ডেস্ক:সম্প্রতি জারা জাবীন মাহবুব ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডের হেড অব কমিউনিকেশনস অ্যান্ড সার্ভিস কোয়ালিটির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তিনি ২০০৯ সালের ২৩ মার্চ ব্র্যাক ব্যাংকে যোগদান দেন। বাংলাদেশে ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রিতে বিশেষ করে স্ট্র্যাটেজিক মার্কেটিংয়ে তাঁর ১৯ বছর কাজ করার বহুমুখী অভিজ্ঞতা রয়েছে। জারা নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (এনএসইউ) থেকে মার্কেটিং অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল বিজনেসে বিবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া বার্কলে’র হাস স্কুল অব বিজনেস থেকে স্ট্র্যাটেজিক মার্কেটিং অ্যান্ড নন-প্রফিট বিষয়ে এমবিএ ডিগ্রি লাভ করেন। দেশে এনএসইউ’তে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থী থাকাকালে ১৯৯৬ সালে জারা জাবীন তাঁর পারিবারিক ব্যবসায় জড়িত হয়ে তৈরি পোশাক ও বস্ত্রশিল্পে কাজ করার মধ্য দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৯৮ সালে গ্র্যাজুয়েশন ডিগ্রি অর্জন করে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের আইটি কনসালটিং ফার্ম আইকোয়েস্ট ইনকরপোরেশনের মিশিগান রাজ্যের ডেট্রয়ট কার্যালয়ে যোগ দেন। এ প্রতিষ্ঠানে প্রথমে তিনি ওয়েব ডেভেলপার ও পরে করপোরেট সেলস ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০২ সালে তিনি ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যের সানডিয়েগোর বৈদ্যুতিক পণ্য প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ভিশন ম্যানুফেকচারিং ইনকরপোরেশনে (ভিএমআই) মার্কেটিং ম্যানেজার হিসেবে চাকরি নেন। ওই কোম্পানিতে তিনি রিজিয়নাল কাস্টমার বেজ ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করেন যা থেকে ভিএমআই-এর বার্ষিক মোট রাজস্ব আয়ের ৬০ শতাংশ আসত। ২০০৫ সালে তিনি নিজে জামদানি ইনকরপোরেশন নামে একটি কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন যা যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি হস্তশিল্প পণ্য রপ্তানি করে। জারা জাবীন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া বার্কলে’র হাস স্কুল অব বিজনেস থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জনের পর ২০০৯ সালে বাংলাদেশে ফিরে আসেন এবং ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডে যোগ দেন। তখন থেকে এই ব্যাংকে তিনি সার্ভিস কোয়ালিটি, প্রিমিয়াম ব্যাংকিং, রিটেইল মার্কেটিং, কল সেন্টার ও কাস্টমার এক্সপেরিয়েন্স প্রভৃতি বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বর্তমানে ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পর্ষদের একজন সদস্য। তাঁর দায়িত্বসমূহের মধ্যে রয়েছে এক্সটারনাল অ্যাফেয়ার্স, মার্কেটিং, সিএসআর ও সার্ভিস কোয়ালিটি। ব্যক্তিগত জীবনে জারা বিবাহিতা এবং দুই কন্যা সন্তানের জননী।

You may also like

Leave a Comment