মারুফ খান মুন্না: সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) নির্বাচনকে সামনে রেখে মঙ্গলবার সকাল থেকে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।এর পরপরই নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা। দলীয় মেয়র প্রার্থীদের আগে থেকেই প্রতীক জানা থাকায় এবং বেশ কয়েকজন কাউন্সিলর পদপ্রার্থীর আগে থেকেই প্রতীক \\\’নির্ধারিত\\\’ হওয়ায় ব্যানার পোস্টার আগে থেকেই প্রস্তুত ছিলো অনেক প্রার্থীর। বাকী ছিলো কেবল নির্বাচন কমিশনের প্রতীক বরাদ্দের আনুষ্ঠানিকতা। আর সেই আনুষ্ঠানিকতা কাল শেষ হতে না হতেই পুরো নগর ছেয়ে গেছে ব্যানার-পোষ্টারে।
গতকাল সন্ধ্যার পর থেকে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ২৭টি ওয়ার্ডে মেয়র, সাধারণ কাউন্সিলর, এবং সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলরবৃন্দের পক্ষে তাদের কর্মী সমর্থকেরা পোস্টার-ব্যানার লাগিয়েছেন। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক আর মোড়ে মোড়ে টানানো হচ্ছে পোস্টার। পাড়া-মহল্লায়ও সাঁটানো হচ্ছে পোস্টার। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি রাস্তার ডিভাইডার, বিদ্যুতের খুটি, প্রাতিষ্ঠানিক দফতরের ওয়ালে টানানো হয়েছে ব্যানার। এছাড়া বিভিন্ন ওয়ার্ডের ভেতরে ও নির্বাচনী কার্যালয়ে ফেস্টুন টানানো হয়েছে। ভোর হতে না হতেই এ যেনো অন্য নগরী, এ যেনো সত্যিকার অর্থেই ভোটের আমেজ, ভোটের উৎসবে ছেয়ে গেছে পুরো নগরী।
এদিকে, গতকাল প্রতীক পেয়েই নেতাকর্মীদের নিয়ে গণসংযোগে নেমেছেন ১৪ দলের মেয়রপ্রার্থী মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি বদরউদ্দিন আহমদ কামরান এবং বিএনপির প্রার্থী সদ্য সাবেক মেয়র সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি আরিফুল হক চৌধুরী। বসে নেই অন্য মেয়র প্রার্থী এবং কাউন্সিলর প্রার্থীরা। প্রতীক পেয়ে আনুষ্টানিকভাবে নির্বাচনী কার্যালয় উদ্বোধন এবং গণসংযোগে নেমেছেন সকল প্রার্থী এবং তাদের সমর্থকেরা। সমর্থকদের হাতে হাতে রয়েছে তাদের পছন্দের প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণার লিফলেট। লিফলেটগুলো সমর্থকেরা সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ছড়িয়ে দিচ্ছেন।
সিসিকের এবারের নির্বাচন পূর্বের যেকোন নির্বাচনের চেয়ে একটু বেশীই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা এবারই প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হচ্ছে সিলেট সিটিতে। মঙ্গলবার থেকে প্রচারণা শুরু হয়ে আগামী ২৮ জুলাই রাত ১২টায় শেষ হবে। প্রচার-প্রচারণা শেষে ৩০ জুলাই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
