প্রেম, ঘর ছেড়ে বিয়ে, অতপর…

by News Room
সিলেটের খবর ডেস্ক:প্রেম করে বিয়ের ‘অপরাধে’ কতোয়ালি থানা পুলিশ নব দম্পত্তিকে গ্রেফতার করেছে। রোববার দুপুরে নগরীর ধোপাদিঘীরপাড় থেকে অসীম দাস (৩০) ও আফরোজা নাজনীন চৌধুরী ইমা (২৫) নামের এই দম্পত্তিকে গ্রেফতার করা হয়। ইমা’র মা নগরীর হাতিমবাগ, শিবগঞ্জের বাসিন্দা খায়রুন্নাহার চৌধুরীর দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে তাদের গ্রেফতার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

জানা যায়, অসীম দাস ও ইমা’র মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। ইমা একটি বেসরকারী ব্যাংকের কর্মকর্তা। সম্প্রতি তারা বাড়ি থেকে পালিয়ে স্পেশাল ম্যারেজ এক্টে বিয়ে করেন। বাড়ি থেকে পালানোর পরই গত ২৩ নভেম্বর ইমা’র মা খায়রুন্নাহার চৌধুরী কোতোয়ালি থানায় অসীমের বিরুদ্ধে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। মামলায় অসীম ছাড়াও অজ্ঞাত আরো ৩-৪ জনকে আসামী করা হয়।

রোববার দুপুরে বিয়ের বিষয়টি আপোষে নিস্পত্তির লক্ষ্যে ইমাকে নিয়ে অসীম ইমার বড় বোনের সাথে ধোপাদিঘীর পাড়ে দেখা করতে যান। এসময় ইমা’র বড় বোন হাফিজা নাজনীন চৌধুরী পুলিশকে খবর দিয়ে অসীম ও ইমাকে ধরিয়ে দেন।

পুলিশ নবদম্পত্তিকে আটকের পর অসীমকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করে এবং ইমাকে ওসমানী হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে প্রেরণ করে।

গ্রেফতারের ব্যাপারে অসীম দাস বলেন, আমরা দু’জন প্রাপ্ত বয়স্ক। দু’জনের সম্মতিতে বিশেষ বিবাহ আইনে আমরা বিয়ে করেছি। কিন্তু পুলিশ অপহরণ মামলা দিয়ে আমাদের হয়রানি করছে। প্রেম করে বিয়ে করার অপরাধে আমাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে আফরোজা নাজনীন ইমা বলেন, অসীম আমার স্বামী। আমরা দু’জনে প্রাপ্ত বয়স্ক। দু’জনের সম্মতিতেই বিয়ে করেছি। আমাদের হয়রানি করার জন্য মামলা করা হয়েছে। আমি আমার স্বামীর মুক্তি চাই।
এ ব্যাপারে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মবশ্বির আলী বলেন, অপহরনের মামলায় অসীম দাসকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ইমাকে উদ্ধার করে

পুলিশ হেফাজতে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে ওসমানী হাসপাতালের ওসিসি’র সিনিয়র স্টাফ নার্স ঈষানী জানান, আফরোজা নাজনীন চৌধুরী ইমা নামের একজনকে রোববার বিকেলে ওসিসিতে আনা হয়েছে। রাতে তিনি এখানেই থাকবেন।

You may also like

Leave a Comment