প্রেম করছেন রেলমন্ত্রী, ডিসেম্বরে বিয়ে

by News Room

সিলেটের খবর ডেস্ক: আর মাত্র কয়েকটা দিন। তারপর আর একা থাকছেন না কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক। অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন তিনি। এখন থেকেই শুরু হয়েছে প্রস্তুতি।

আগামী ডিসেম্বরেই তিনি দোকলা জীবনে প্রবেশ করবেন। অবসান ঘটবে তার ৬৮ বছর বয়সের চিরকুমার জীবনের। আপাদমস্তক রাজনীতিবিদ এই আওয়ামী লীগ নেতা এত দিন ছিলেন চিরকুমার। শেষ পর্যন্ত চিরকুমারত্বের অবসান ঘটিয়ে শুরু করতে যাচ্ছেন জীবনের নতুন ইনিংস। এ জন্য তাকে মন্ত্রিপাড়ায় বাসাও বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

জীবনের প্রায় পুরোটা সময় রাজনীতিতে ব্যস্ত থাকা রেলমন্ত্রী বিয়ে করছেন এটি নিশ্চিত করেছেন একাধিক মন্ত্রী। গতকালের মন্ত্রিসভা বৈঠকে তার বিয়ের বিষয় নিয়ে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা হয়েছে।

ওই বৈঠকে উপস্থিত একজন প্রভাবশালী মন্ত্রী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বৈঠকে তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা না হলেও রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের মন্ত্রিপাড়ায় বাসা বরাদ্দের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এতে একাধিক মন্ত্রী অংশ নেন। একজন মন্ত্রী জানান, রেলমন্ত্রীকে মন্ত্রিপাড়ায় বাসা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে সংসারজীবন শুরু করার কারণে। শীঘ্রই তিনি ওই বাসা বুঝে পাবেন।

একজন সিনিয়র মন্ত্রী জানান, মন্ত্রীদের পক্ষ থেকে রেলমন্ত্রীকে বলা হয়েছে, বিয়ে উপলক্ষে এক বা দুই দিনের অনুষ্ঠান করলে হবে না, কমপক্ষে চার দিনের অনুষ্ঠান করতে হবে। এতে মন্ত্রিসভা বৈঠকে বেশ হাস্যরস দেখা দেয়।

মন্ত্রিসভার অন্য একজন সদস্য জানান, রেলমন্ত্রীর বিয়ের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এত দিন ট্রেনের ইঞ্জিন ছিল। এবার ইঞ্জিনের সঙ্গে বগিও যুক্ত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর কথায় বৈঠকে উপস্থিত প্রায় সবাই হাসিতে ফেটে পড়েন।

এদিকে রেলমন্ত্রীর একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, মন্ত্রীর কনে দেখার কাজ ইতিমধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে। কনে মন্ত্রীর পছন্দের। সবকিছু ঠিক থাকলে ডিসেম্বরেই বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন সরকারের এই মন্ত্রী। এখন তার নতুন জীবন শুরুর প্রস্তুতি পর্ব চলছে। ওই সূত্রটিও নিশ্চিত করেছেন মন্ত্রিপাড়ায় রেলমন্ত্রীর বাসা বরাদ্দ পাওয়ার বিষয়টি।

আর মাত্র কয়েকটা দিন। তারপর আর একা থাকছেন না কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য, রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক। বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন তিনি। এখন থেকেই শুরু হয়েছে প্রস্তুতি।

আগামী ডিসেম্বরেই তিনি দোকলা জীবনে প্রবেশ করবেন। অবসান ঘটবে তার ৬৮ বছর বয়সের চিরকুমার জীবনের। আপাদমস্তক রাজনীতিবিদ এই আওয়ামী লীগ নেতা এত দিন ছিলেন চিরকুমার। শেষ পর্যন্ত চিরকুমারত্বের অবসান ঘটিয়ে শুরু করতে যাচ্ছেন জীবনের নতুন ইনিংস। এ জন্য তাকে মন্ত্রিপাড়ায় বাসাও বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। জীবনের প্রায় পুরোটা সময় রাজনীতিতে ব্যস্ত থাকা রেলমন্ত্রী বিয়ে করছেন এটি নিশ্চিত করেছেন একাধিক মন্ত্রী। গতকালের মন্ত্রিসভা বৈঠকে তার বিয়ের বিষয় নিয়ে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা হয়েছে।

ওই বৈঠকে উপস্থিত একজন প্রভাবশালী মন্ত্রী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বৈঠকে তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা না হলেও রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের মন্ত্রিপাড়ায় বাসা বরাদ্দের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এতে একাধিক মন্ত্রী অংশ নেন। একজন মন্ত্রী জানান, রেলমন্ত্রীকে মন্ত্রিপাড়ায় বাসা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে সংসারজীবন শুরু করার কারণে। শীঘ্রই তিনি ওই বাসা বুঝে পাবেন।

একজন সিনিয়র মন্ত্রী জানান, মন্ত্রীদের পক্ষ থেকে রেলমন্ত্রীকে বলা হয়েছে, বিয়ে উপলক্ষে এক বা দুই দিনের অনুষ্ঠান করলে হবে না, কমপক্ষে চার দিনের অনুষ্ঠান করতে হবে। এতে মন্ত্রিসভা বৈঠকে বেশ হাস্যরস দেখা দেয়। মন্ত্রিসভার অন্য একজন সদস্য জানান, রেলমন্ত্রীর বিয়ের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এত দিন ট্রেনের ইঞ্জিন ছিল। এবার ইঞ্জিনের সঙ্গে বগিও যুক্ত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর কথায় বৈঠকে উপস্থিত প্রায় সবাই হাসিতে ফেটে পড়েন।

এদিকে রেলমন্ত্রীর একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, মন্ত্রীর কনে দেখার কাজ ইতিমধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে। কনে মন্ত্রীর পছন্দের। সবকিছু ঠিক থাকলে ডিসেম্বরেই বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন সরকারের এই মন্ত্রী। এখন তার নতুন জীবন শুরুর প্রস্তুতি পর্ব চলছে। ওই সূত্রটিও নিশ্চিত করেছেন মন্ত্রিপাড়ায় রেলমন্ত্রীর বাসা বরাদ্দ পাওয়ার বিষয়টি। – See more at: http://www.sylhetview24.com/news/details/National/12581#sthash.RgnqGhAC.dpuf

 

আর মাত্র কয়েকটা দিন। তারপর আর একা থাকছেন না কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য, রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক। বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন তিনি। এখন থেকেই শুরু হয়েছে প্রস্তুতি।

আগামী ডিসেম্বরেই তিনি দোকলা জীবনে প্রবেশ করবেন। অবসান ঘটবে তার ৬৮ বছর বয়সের চিরকুমার জীবনের। আপাদমস্তক রাজনীতিবিদ এই আওয়ামী লীগ নেতা এত দিন ছিলেন চিরকুমার। শেষ পর্যন্ত চিরকুমারত্বের অবসান ঘটিয়ে শুরু করতে যাচ্ছেন জীবনের নতুন ইনিংস। এ জন্য তাকে মন্ত্রিপাড়ায় বাসাও বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। জীবনের প্রায় পুরোটা সময় রাজনীতিতে ব্যস্ত থাকা রেলমন্ত্রী বিয়ে করছেন এটি নিশ্চিত করেছেন একাধিক মন্ত্রী। গতকালের মন্ত্রিসভা বৈঠকে তার বিয়ের বিষয় নিয়ে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা হয়েছে।

ওই বৈঠকে উপস্থিত একজন প্রভাবশালী মন্ত্রী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বৈঠকে তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা না হলেও রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের মন্ত্রিপাড়ায় বাসা বরাদ্দের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এতে একাধিক মন্ত্রী অংশ নেন। একজন মন্ত্রী জানান, রেলমন্ত্রীকে মন্ত্রিপাড়ায় বাসা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে সংসারজীবন শুরু করার কারণে। শীঘ্রই তিনি ওই বাসা বুঝে পাবেন।

একজন সিনিয়র মন্ত্রী জানান, মন্ত্রীদের পক্ষ থেকে রেলমন্ত্রীকে বলা হয়েছে, বিয়ে উপলক্ষে এক বা দুই দিনের অনুষ্ঠান করলে হবে না, কমপক্ষে চার দিনের অনুষ্ঠান করতে হবে। এতে মন্ত্রিসভা বৈঠকে বেশ হাস্যরস দেখা দেয়। মন্ত্রিসভার অন্য একজন সদস্য জানান, রেলমন্ত্রীর বিয়ের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এত দিন ট্রেনের ইঞ্জিন ছিল। এবার ইঞ্জিনের সঙ্গে বগিও যুক্ত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর কথায় বৈঠকে উপস্থিত প্রায় সবাই হাসিতে ফেটে পড়েন।

এদিকে রেলমন্ত্রীর একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, মন্ত্রীর কনে দেখার কাজ ইতিমধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে। কনে মন্ত্রীর পছন্দের। সবকিছু ঠিক থাকলে ডিসেম্বরেই বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন সরকারের এই মন্ত্রী। এখন তার নতুন জীবন শুরুর প্রস্তুতি পর্ব চলছে। ওই সূত্রটিও নিশ্চিত করেছেন মন্ত্রিপাড়ায় রেলমন্ত্রীর বাসা বরাদ্দ পাওয়ার বিষয়টি। – See more at: http://www.sylhetview24.com/news/details/National/12581#sthash.RgnqGhAC.dpuf

আর মাত্র কয়েকটা দিন। তারপর আর একা থাকছেন না কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য, রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক। বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন তিনি। এখন থেকেই শুরু হয়েছে প্রস্তুতি।

আগামী ডিসেম্বরেই তিনি দোকলা জীবনে প্রবেশ করবেন। অবসান ঘটবে তার ৬৮ বছর বয়সের চিরকুমার জীবনের। আপাদমস্তক রাজনীতিবিদ এই আওয়ামী লীগ নেতা এত দিন ছিলেন চিরকুমার। শেষ পর্যন্ত চিরকুমারত্বের অবসান ঘটিয়ে শুরু করতে যাচ্ছেন জীবনের নতুন ইনিংস। এ জন্য তাকে মন্ত্রিপাড়ায় বাসাও বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। জীবনের প্রায় পুরোটা সময় রাজনীতিতে ব্যস্ত থাকা রেলমন্ত্রী বিয়ে করছেন এটি নিশ্চিত করেছেন একাধিক মন্ত্রী। গতকালের মন্ত্রিসভা বৈঠকে তার বিয়ের বিষয় নিয়ে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা হয়েছে।

ওই বৈঠকে উপস্থিত একজন প্রভাবশালী মন্ত্রী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বৈঠকে তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা না হলেও রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের মন্ত্রিপাড়ায় বাসা বরাদ্দের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এতে একাধিক মন্ত্রী অংশ নেন। একজন মন্ত্রী জানান, রেলমন্ত্রীকে মন্ত্রিপাড়ায় বাসা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে সংসারজীবন শুরু করার কারণে। শীঘ্রই তিনি ওই বাসা বুঝে পাবেন।

একজন সিনিয়র মন্ত্রী জানান, মন্ত্রীদের পক্ষ থেকে রেলমন্ত্রীকে বলা হয়েছে, বিয়ে উপলক্ষে এক বা দুই দিনের অনুষ্ঠান করলে হবে না, কমপক্ষে চার দিনের অনুষ্ঠান করতে হবে। এতে মন্ত্রিসভা বৈঠকে বেশ হাস্যরস দেখা দেয়। মন্ত্রিসভার অন্য একজন সদস্য জানান, রেলমন্ত্রীর বিয়ের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এত দিন ট্রেনের ইঞ্জিন ছিল। এবার ইঞ্জিনের সঙ্গে বগিও যুক্ত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর কথায় বৈঠকে উপস্থিত প্রায় সবাই হাসিতে ফেটে পড়েন।

এদিকে রেলমন্ত্রীর একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, মন্ত্রীর কনে দেখার কাজ ইতিমধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে। কনে মন্ত্রীর পছন্দের। সবকিছু ঠিক থাকলে ডিসেম্বরেই বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন সরকারের এই মন্ত্রী। এখন তার নতুন জীবন শুরুর প্রস্তুতি পর্ব চলছে। ওই সূত্রটিও নিশ্চিত করেছেন মন্ত্রিপাড়ায় রেলমন্ত্রীর বাসা বরাদ্দ পাওয়ার বিষয়টি। – See more at: http://www.sylhetview24.com/news/details/National/12581#sthash.RgnqGhAC.dpuf

আর মাত্র কয়েকটা দিন। তারপর আর একা থাকছেন না কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য, রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক। বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন তিনি। এখন থেকেই শুরু হয়েছে প্রস্তুতি।

আগামী ডিসেম্বরেই তিনি দোকলা জীবনে প্রবেশ করবেন। অবসান ঘটবে তার ৬৮ বছর বয়সের চিরকুমার জীবনের। আপাদমস্তক রাজনীতিবিদ এই আওয়ামী লীগ নেতা এত দিন ছিলেন চিরকুমার। শেষ পর্যন্ত চিরকুমারত্বের অবসান ঘটিয়ে শুরু করতে যাচ্ছেন জীবনের নতুন ইনিংস। এ জন্য তাকে মন্ত্রিপাড়ায় বাসাও বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। জীবনের প্রায় পুরোটা সময় রাজনীতিতে ব্যস্ত থাকা রেলমন্ত্রী বিয়ে করছেন এটি নিশ্চিত করেছেন একাধিক মন্ত্রী। গতকালের মন্ত্রিসভা বৈঠকে তার বিয়ের বিষয় নিয়ে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা হয়েছে।

ওই বৈঠকে উপস্থিত একজন প্রভাবশালী মন্ত্রী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বৈঠকে তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা না হলেও রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের মন্ত্রিপাড়ায় বাসা বরাদ্দের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এতে একাধিক মন্ত্রী অংশ নেন। একজন মন্ত্রী জানান, রেলমন্ত্রীকে মন্ত্রিপাড়ায় বাসা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে সংসারজীবন শুরু করার কারণে। শীঘ্রই তিনি ওই বাসা বুঝে পাবেন।

একজন সিনিয়র মন্ত্রী জানান, মন্ত্রীদের পক্ষ থেকে রেলমন্ত্রীকে বলা হয়েছে, বিয়ে উপলক্ষে এক বা দুই দিনের অনুষ্ঠান করলে হবে না, কমপক্ষে চার দিনের অনুষ্ঠান করতে হবে। এতে মন্ত্রিসভা বৈঠকে বেশ হাস্যরস দেখা দেয়। মন্ত্রিসভার অন্য একজন সদস্য জানান, রেলমন্ত্রীর বিয়ের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এত দিন ট্রেনের ইঞ্জিন ছিল। এবার ইঞ্জিনের সঙ্গে বগিও যুক্ত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর কথায় বৈঠকে উপস্থিত প্রায় সবাই হাসিতে ফেটে পড়েন।

এদিকে রেলমন্ত্রীর একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, মন্ত্রীর কনে দেখার কাজ ইতিমধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে। কনে মন্ত্রীর পছন্দের। সবকিছু ঠিক থাকলে ডিসেম্বরেই বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন সরকারের এই মন্ত্রী। এখন তার নতুন জীবন শুরুর প্রস্তুতি পর্ব চলছে। ওই সূত্রটিও নিশ্চিত করেছেন মন্ত্রিপাড়ায় রেলমন্ত্রীর বাসা বরাদ্দ পাওয়ার বিষয়টি। – See more at: http://www.sylhetview24.com/news/details/National/12581#sthash.RgnqGhAC.dpuf

 

আর নিঃসঙ্গ জীবন কাটাতে চান  না রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক।  জীবনের শেষ দিনগুলো তিনি সঙ্গিনীর সাথেই কাটাতে চান। তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিয়ের। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই  আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ের কাজ সারবেন তিনি।
কেন জীবনের পরন্ত বেলায় বিয়ের সিদ্ধান্ত নিলেন- জানতে চাইলে ৬৭ বছর বয়সী রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক বলেন,  দেখলাম মানুষের জীবনের শেষ বয়সে এক জন সঙ্গিনী দরকার, যাতে পরবর্তী জীবনে নিঃসঙ্গ না থাকতে হয়, বাকি জীবনটা ভালভাবে কাটানোর জন্য। বিয়ের পর নতুন বউকে নিয়ে ঢাকায় সংসার পাতবেন বলেও জানান তিনি।
ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে তিন বছরের পরিচিত পাত্রীকে ঘরে তুলতে যাচ্ছেন রেলমন্ত্রী। পাত্রীর বাড়ি কুমিল্লায়। পাত্রী মাস্টার্স শেষ করেছেন। আবার আইন বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী। তবে পাত্রীর নাম, বয়স ও বিস্তারিত পরিচয় বলতে রাজি হননি মুজিবুল হক।
মঙ্গলবার রেল মন্ত্রণালয়ে নিজ কক্ষে এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাসি দিয়ে তিনি বলেন, ইনশাল্লাহ, বিয়ে করতে যাচ্ছি। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে বিয়ের অনুষ্ঠান ঢাকা ও কুমিল্লায় হবে।
হবু বউয়ের পরিচয় জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, গ্রামের সহজ সরল সাধাসিধে মেয়ে, ধীরে ধীরে সব জানতে পারবেন। মাস্টার্স পাস করে আইনেও পড়েছেন, তো বয়স বুঝতেই পারছেন। পাত্রী পরহেজগার, বোরকা ছাড়া চলে না। ভাল পরিবারের মেয়ে। তার বাড়ি কুমিল্লায়। এর বেশি বলা যাবে না।
কোন ঘটক বা কারো সহযোগিতায় বিয়ে হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন,  কোন ঘটক না, পাত্রীর সাথে আমার তিন বছর ধরে পরিচয়, পরিচয়ের সূত্র ধরেই বিয়ে করতে যাচ্ছি।
তিন বছরের পরিচয়কে প্রেম বলা যায় কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিন বছর থেকে শুধু পরিচয়। এই পরিচয় থেকেই বিয়ের সিদ্ধান্ত। এর বেশি কিছু না।
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের বসুয়ারা গ্রামে ১৯৪৭ সালের ৩১ মে জন্মগ্রহণ করেন মুজিবুল।
তথ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, ১৯৬৬ সালের ছয় দফা, ৬৯’র গণ-অভ্যুত্থান, নব্বুইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন মুজিবুল।
১৯৯৬ সালে প্রথমবার সাংসদ নির্বাচিত হন। ২০১২ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে ১৫ সেপ্টেম্বর রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান মুজিবুল।
২০১৩ সালের ২১ নভেম্বর পুনঃবণ্টনকৃত মন্ত্রিপরিষদে মুজিবুল রেলপথ এবং ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বধীন সরকারের এবারের মেয়াদেও গত ১২ জানুয়ারি রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান কুমিল্লা-১১ আসনের সাংসদ মুজিবুল।

– See more at: http://www.dhakatimes24.com/2014/09/02/35789#sthash.F38ah2bv.dpuf

 

আর নিঃসঙ্গ জীবন কাটাতে চান  না রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক।  জীবনের শেষ দিনগুলো তিনি সঙ্গিনীর সাথেই কাটাতে চান। তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিয়ের। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই  আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ের কাজ সারবেন তিনি।
কেন জীবনের পরন্ত বেলায় বিয়ের সিদ্ধান্ত নিলেন- জানতে চাইলে ৬৭ বছর বয়সী রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক বলেন,  দেখলাম মানুষের জীবনের শেষ বয়সে এক জন সঙ্গিনী দরকার, যাতে পরবর্তী জীবনে নিঃসঙ্গ না থাকতে হয়, বাকি জীবনটা ভালভাবে কাটানোর জন্য। বিয়ের পর নতুন বউকে নিয়ে ঢাকায় সংসার পাতবেন বলেও জানান তিনি।
ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে তিন বছরের পরিচিত পাত্রীকে ঘরে তুলতে যাচ্ছেন রেলমন্ত্রী। পাত্রীর বাড়ি কুমিল্লায়। পাত্রী মাস্টার্স শেষ করেছেন। আবার আইন বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী। তবে পাত্রীর নাম, বয়স ও বিস্তারিত পরিচয় বলতে রাজি হননি মুজিবুল হক।
মঙ্গলবার রেল মন্ত্রণালয়ে নিজ কক্ষে এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাসি দিয়ে তিনি বলেন, ইনশাল্লাহ, বিয়ে করতে যাচ্ছি। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে বিয়ের অনুষ্ঠান ঢাকা ও কুমিল্লায় হবে।
হবু বউয়ের পরিচয় জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, গ্রামের সহজ সরল সাধাসিধে মেয়ে, ধীরে ধীরে সব জানতে পারবেন। মাস্টার্স পাস করে আইনেও পড়েছেন, তো বয়স বুঝতেই পারছেন। পাত্রী পরহেজগার, বোরকা ছাড়া চলে না। ভাল পরিবারের মেয়ে। তার বাড়ি কুমিল্লায়। এর বেশি বলা যাবে না।
কোন ঘটক বা কারো সহযোগিতায় বিয়ে হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন,  কোন ঘটক না, পাত্রীর সাথে আমার তিন বছর ধরে পরিচয়, পরিচয়ের সূত্র ধরেই বিয়ে করতে যাচ্ছি।
তিন বছরের পরিচয়কে প্রেম বলা যায় কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিন বছর থেকে শুধু পরিচয়। এই পরিচয় থেকেই বিয়ের সিদ্ধান্ত। এর বেশি কিছু না।
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের বসুয়ারা গ্রামে ১৯৪৭ সালের ৩১ মে জন্মগ্রহণ করেন মুজিবুল।
তথ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, ১৯৬৬ সালের ছয় দফা, ৬৯’র গণ-অভ্যুত্থান, নব্বুইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন মুজিবুল।
১৯৯৬ সালে প্রথমবার সাংসদ নির্বাচিত হন। ২০১২ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে ১৫ সেপ্টেম্বর রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান মুজিবুল।
২০১৩ সালের ২১ নভেম্বর পুনঃবণ্টনকৃত মন্ত্রিপরিষদে মুজিবুল রেলপথ এবং ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বধীন সরকারের এবারের মেয়াদেও গত ১২ জানুয়ারি রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান কুমিল্লা-১১ আসনের সাংসদ মুজিবুল।

– See more at: http://www.dhakatimes24.com/2014/09/02/35789#sthash.F38ah2bv.dpuf

You may also like

Leave a Comment